ঢাকা , শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
সরকারি দাপ্তরিক খরচ কমলে শ্রমিকদের ৩০-৪০ হাজার টাকা বেতন দেওয়া সম্ভব: মাসুদুজ্জামান মাসুদ টেকনাফ পৌরসভাকে স্মার্ট পৌরসভা হিসেবে গড়ে তুলতে চাই: সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী সংসারের বোঝা বইতে বৃদ্ধ বারেকের ভরসা জাতীয় ফুল শাপলা নারীর অর্থনৈতিক স্বাধীনতায় শিক্ষা ও কর্মসংস্থান নিশ্চিতের তাগিদ টেকনাফের পাহাড়ে মানবপাচারকারীদের সঙ্গে যৌথ বাহিনীর গোলাগুলি, সেনাসদস্য নিহত পিরোজপুরে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের ৭১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন মাদ্রাসাছাত্র আরিফ হত্যা মামলা: কারাগারে ডিবিসি চেয়ারম্যান ইকবাল সোবহান চৌধুরী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বরণ করতে মোরেলগঞ্জ থেকে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী নিয়ে বাগেরহাটে কেএম মহিউদ্দিন রিপন এআই যেন দেশের বেকারত্ব আরও প্রকট না করে: রাষ্ট্রপতি সীমান্তের ওপার থেকে দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করা হচ্ছে: পথসভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

নাফ নদীতে বিজিবির টানা অভিযানে বিপুল ইয়াবা উদ্ধার

 

কক্সবাজারের টেকনাফে নাফ নদী ও সীমান্ত ঘেঁষা এলাকাজুড়ে আন্তঃসীমান্ত অপরাধ সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রেখেছে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি)। টানা ১৪৪ ঘণ্টায় ছয়টি বিশেষ অভিযানে ব্যাটালিয়নটি উদ্ধার করেছে ৪ লাখ ৪১ হাজার ৯২০ পিস ইয়াবা এবং গ্রেপ্তার করেছে ১০ জনকে।

 

বিজিবি জানায়, ২৩ নভেম্বর রাত সাড়ে ৯টার দিকে অত্যাধুনিক নজরদারি প্রযুক্তিতে নাফ নদী হয়ে দুইজনকে সাঁতরে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে দেখা যায়। মুহূর্তেই ঘটনাস্থলে ছুটে যায় বিজিবির নৌ-টহল দল। উপস্থিতি টের পেয়ে পাচারকারীরা দুটি পলিথিন প্যাকেট নদীতে ভাসিয়ে মিয়ানমারের দিকে সাঁতরে পালিয়ে যায়। উদ্ধার হওয়া ওই প্যাকেট থেকে অভিনব পদ্ধতিতে মোড়ানো ৫৭ হাজার ৮০০ পিস ইয়াবা পাওয়া যায়।

 

 

এরপর সোমবার (২৪ নভেম্বর) গভীর রাতে নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্টে বিজিবির কৌশলগত দলগুলো মোতায়েন করা হয়। ভোরে দমদমিয়া ও বড়ইতলীর বিপরীতে নাফ নদীর গভীর অংশে জেলের ছদ্মবেশে মিয়ানমার থেকে একটি নৌকা বাংলাদেশে ঢোকার চেষ্টা করলে টহল দল নৌকাটি ঘিরে ফেলে। তল্লাশিতে উদ্ধার হয় ১ লাখ ৫০ হাজার ইয়াবা। এতে একজনকে আটক করা সম্ভব হলেও নৌকায় থাকা আরও তিন পাচারকারী সাঁতরে পালিয়ে যায়।

 

বিষয়টি নিশ্চিত করে ২ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল আশিকুর রহমান, পিএসসি বলেন, “সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি টেকনাফ অঞ্চলে সব ধরনের অপরাধ দমনে আমরা সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব নিয়ে কাজ করছি। মাদক ও মানবপাচারের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে ২ বিজিবি অটল।”

 

 

আটক ব্যক্তি—মো. হাকিম আলী (৫৪), মংডুর মাংগালা এলাকার বাসিন্দা। পলাতকদের মধ্যে রয়েছেন মো. জালাল ওরফে লাল জালাল (২৫) এবং আরও দুই-তিনজন অজ্ঞাত ব্যক্তি। উদ্ধারকৃত মাদক ও আটক ব্যক্তিকে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।

জনপ্রিয়

সরকারি দাপ্তরিক খরচ কমলে শ্রমিকদের ৩০-৪০ হাজার টাকা বেতন দেওয়া সম্ভব: মাসুদুজ্জামান মাসুদ

নাফ নদীতে বিজিবির টানা অভিযানে বিপুল ইয়াবা উদ্ধার

আপডেট : ০৪:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫

 

কক্সবাজারের টেকনাফে নাফ নদী ও সীমান্ত ঘেঁষা এলাকাজুড়ে আন্তঃসীমান্ত অপরাধ সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রেখেছে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি)। টানা ১৪৪ ঘণ্টায় ছয়টি বিশেষ অভিযানে ব্যাটালিয়নটি উদ্ধার করেছে ৪ লাখ ৪১ হাজার ৯২০ পিস ইয়াবা এবং গ্রেপ্তার করেছে ১০ জনকে।

 

বিজিবি জানায়, ২৩ নভেম্বর রাত সাড়ে ৯টার দিকে অত্যাধুনিক নজরদারি প্রযুক্তিতে নাফ নদী হয়ে দুইজনকে সাঁতরে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে দেখা যায়। মুহূর্তেই ঘটনাস্থলে ছুটে যায় বিজিবির নৌ-টহল দল। উপস্থিতি টের পেয়ে পাচারকারীরা দুটি পলিথিন প্যাকেট নদীতে ভাসিয়ে মিয়ানমারের দিকে সাঁতরে পালিয়ে যায়। উদ্ধার হওয়া ওই প্যাকেট থেকে অভিনব পদ্ধতিতে মোড়ানো ৫৭ হাজার ৮০০ পিস ইয়াবা পাওয়া যায়।

 

 

এরপর সোমবার (২৪ নভেম্বর) গভীর রাতে নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্টে বিজিবির কৌশলগত দলগুলো মোতায়েন করা হয়। ভোরে দমদমিয়া ও বড়ইতলীর বিপরীতে নাফ নদীর গভীর অংশে জেলের ছদ্মবেশে মিয়ানমার থেকে একটি নৌকা বাংলাদেশে ঢোকার চেষ্টা করলে টহল দল নৌকাটি ঘিরে ফেলে। তল্লাশিতে উদ্ধার হয় ১ লাখ ৫০ হাজার ইয়াবা। এতে একজনকে আটক করা সম্ভব হলেও নৌকায় থাকা আরও তিন পাচারকারী সাঁতরে পালিয়ে যায়।

 

বিষয়টি নিশ্চিত করে ২ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল আশিকুর রহমান, পিএসসি বলেন, “সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি টেকনাফ অঞ্চলে সব ধরনের অপরাধ দমনে আমরা সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব নিয়ে কাজ করছি। মাদক ও মানবপাচারের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে ২ বিজিবি অটল।”

 

 

আটক ব্যক্তি—মো. হাকিম আলী (৫৪), মংডুর মাংগালা এলাকার বাসিন্দা। পলাতকদের মধ্যে রয়েছেন মো. জালাল ওরফে লাল জালাল (২৫) এবং আরও দুই-তিনজন অজ্ঞাত ব্যক্তি। উদ্ধারকৃত মাদক ও আটক ব্যক্তিকে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।