ঢাকা , শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
টেকনাফ পৌরসভাকে স্মার্ট পৌরসভা হিসেবে গড়ে তুলতে চাই: সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী সংসারের বোঝা বইতে বৃদ্ধ বারেকের ভরসা জাতীয় ফুল শাপলা নারীর অর্থনৈতিক স্বাধীনতায় শিক্ষা ও কর্মসংস্থান নিশ্চিতের তাগিদ টেকনাফের পাহাড়ে মানবপাচারকারীদের সঙ্গে যৌথ বাহিনীর গোলাগুলি, সেনাসদস্য নিহত পিরোজপুরে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের ৭১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন মাদ্রাসাছাত্র আরিফ হত্যা মামলা: কারাগারে ডিবিসি চেয়ারম্যান ইকবাল সোবহান চৌধুরী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বরণ করতে মোরেলগঞ্জ থেকে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী নিয়ে বাগেরহাটে কেএম মহিউদ্দিন রিপন এআই যেন দেশের বেকারত্ব আরও প্রকট না করে: রাষ্ট্রপতি সীমান্তের ওপার থেকে দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করা হচ্ছে: পথসভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান হামের টিকা সংকটে ইউনূস সরকারের ভূমিকা তদন্তে তিন সদস্যের কমিশন

রাজমিস্ত্রির ছদ্মবেশে ইয়াবা বাণিজ্য, টেকনাফে রোহিঙ্গা দম্পতি আটক

 

ক্যাম্পের বাইরে ডেরায় বিজিবির অভিযান, ৯ হাজার ৪০০ ইয়াবা উদ্ধার

 

টেকনাফে রাজমিস্ত্রির ছদ্মবেশে ইয়াবা বাণিজ্য চালানোর অভিযোগে এক রোহিঙ্গা দম্পতিকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। শনিবার ভোররাতে টেকনাফ পৌরসভার ইসলামাবাদ এলাকায় ২ বিজিবির একটি বিশেষ অভিযানে ৯ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবাসহ ওই দম্পতিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

 

বিজিবির টেকনাফ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল আশিকুর রহমান, পিএসসি বলেন, “মিয়ানমার থেকে পাচার হওয়া ইয়াবার একটি চালান ইসলামাবাদ এলাকায় মজুত রয়েছে—এমন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। অভিযানকালে এক রোহিঙ্গা দম্পতিকে হাতে–নাতে আটক করা হয়। তাদের ঘর তল্লাশি করে ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।”

 

বিজিবি জানায়, আটক ব্যক্তির নাম মোহাম্মদ আইয়ুব (৩৭) এবং তাঁর স্ত্রী রাবিয়া (৩৫)। তাঁরা দুজনই ২৭ নম্বর জাদিমোড়া এফডিএমএন ক্যাম্পের এ-১ ব্লকের সদস্য। আইয়ুবের এফসিএন কার্ড নম্বর ২৮৬৭৮৬।

 

তদন্তে জানা গেছে, আইয়ুব দীর্ঘদিন ধরে ক্যাম্পের বাইরে অবৈধভাবে বসবাস করে আসছেন। তিনি কখনো অটোরিকশা চালক, কখনো রাজমিস্ত্রির কাজের আড়ালে ইয়াবা ব্যবসায় যুক্ত ছিলেন। তাঁর সহযোগী ছিলেন স্থানীয় মাদক ব্যবসায়ী ইসমাইল। মিয়ানমার থেকে আসা ইয়াবা তিনি একাধিক হাত বদলে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কাছে সরবরাহ করতেন।

 

লে. কর্নেল আশিকুর রহমান আরও বলেন, “আটক দুজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। এ ঘটনায় জড়িত পলাতক ইসমাইলকে গ্রেপ্তারের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”

 

বিজিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়, সীমান্তের নিরাপত্তা ও মাদক চোরাচালান দমনে তাদের জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত থাকবে। ক্যাম্পের বাইরে অবৈধভাবে বসবাসরত রোহিঙ্গারা যদি অপরাধে জড়িয়ে পড়ে, তবে তাদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

জব্দকৃত আলামত: ৯,৪০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট।

জনপ্রিয়

টেকনাফ পৌরসভাকে স্মার্ট পৌরসভা হিসেবে গড়ে তুলতে চাই: সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী

রাজমিস্ত্রির ছদ্মবেশে ইয়াবা বাণিজ্য, টেকনাফে রোহিঙ্গা দম্পতি আটক

আপডেট : ০৯:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ অক্টোবর ২০২৫

 

ক্যাম্পের বাইরে ডেরায় বিজিবির অভিযান, ৯ হাজার ৪০০ ইয়াবা উদ্ধার

 

টেকনাফে রাজমিস্ত্রির ছদ্মবেশে ইয়াবা বাণিজ্য চালানোর অভিযোগে এক রোহিঙ্গা দম্পতিকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। শনিবার ভোররাতে টেকনাফ পৌরসভার ইসলামাবাদ এলাকায় ২ বিজিবির একটি বিশেষ অভিযানে ৯ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবাসহ ওই দম্পতিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

 

বিজিবির টেকনাফ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল আশিকুর রহমান, পিএসসি বলেন, “মিয়ানমার থেকে পাচার হওয়া ইয়াবার একটি চালান ইসলামাবাদ এলাকায় মজুত রয়েছে—এমন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। অভিযানকালে এক রোহিঙ্গা দম্পতিকে হাতে–নাতে আটক করা হয়। তাদের ঘর তল্লাশি করে ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।”

 

বিজিবি জানায়, আটক ব্যক্তির নাম মোহাম্মদ আইয়ুব (৩৭) এবং তাঁর স্ত্রী রাবিয়া (৩৫)। তাঁরা দুজনই ২৭ নম্বর জাদিমোড়া এফডিএমএন ক্যাম্পের এ-১ ব্লকের সদস্য। আইয়ুবের এফসিএন কার্ড নম্বর ২৮৬৭৮৬।

 

তদন্তে জানা গেছে, আইয়ুব দীর্ঘদিন ধরে ক্যাম্পের বাইরে অবৈধভাবে বসবাস করে আসছেন। তিনি কখনো অটোরিকশা চালক, কখনো রাজমিস্ত্রির কাজের আড়ালে ইয়াবা ব্যবসায় যুক্ত ছিলেন। তাঁর সহযোগী ছিলেন স্থানীয় মাদক ব্যবসায়ী ইসমাইল। মিয়ানমার থেকে আসা ইয়াবা তিনি একাধিক হাত বদলে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কাছে সরবরাহ করতেন।

 

লে. কর্নেল আশিকুর রহমান আরও বলেন, “আটক দুজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। এ ঘটনায় জড়িত পলাতক ইসমাইলকে গ্রেপ্তারের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”

 

বিজিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়, সীমান্তের নিরাপত্তা ও মাদক চোরাচালান দমনে তাদের জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত থাকবে। ক্যাম্পের বাইরে অবৈধভাবে বসবাসরত রোহিঙ্গারা যদি অপরাধে জড়িয়ে পড়ে, তবে তাদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

জব্দকৃত আলামত: ৯,৪০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট।