ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
আঞ্চলিক নিরাপত্তা ফোরামে যোগ দিতে নয়াদিল্লিতে এনএসআই প্রধান প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপান-বাংলাদেশ সংসদীয় মৈত্রী লীগের সাক্ষাৎ মা ইলিশ রক্ষায় কোস্ট গার্ডের নিয়মিত অভিযান, বাড়ানো হয়েছে নজরদারি সরকার চাইলে ক্রসফায়ারেও পিছপা হবে না পুলিশ: আইজিপি শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের ১৫৩তম জন্মবার্ষিকী আজ টেকনাফে যৌথ অভিযানে মানবপাচারকারী কবিরসহ গ্রেপ্তার ১৩ বাগেরহাটে সমন্বিত চক্ষু সেবা কর্মসূচি নিয়ে অ্যাডভোকেসি সভা জাপান সফরে টোকিওর উদ্দেশ্যে ঢাকা ছাড়লেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পিরোজপুর জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব হলেন এমদাদুল হক মাসুদ চালু হচ্ছে ‘আইডিয়াল জেনারেল হাসপাতাল’, আধুনিক স্বাস্থ্যসেবার নতুন প্রত্যাশা গুনছে মোরেলগঞ্জবাসী

টেকনাফে যৌথ অভিযানে মানবপাচারকারী কবিরসহ গ্রেপ্তার ১৩

 

কক্সবাজারের টেকনাফে ১৬ এপিবিএনের আওতাধীন বিভিন্ন ক্যাম্পে যৌথ অভিযান চালিয়ে মানবপাচার চক্রের অন্যতম হোতা মো. কবির ওরফে ‘ডাক্তার কবির’, তাঁর সহযোগী ইলিয়াস ও হত্যা-অস্ত্র মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি আবু তৈয়বসহ ১৩ জনকে আইনানুগ ব্যবস্থার আওতায় আনা হয়েছে। একই অভিযানে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ১০ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

 

রোববার (২৫ অক্টোবর) বেলা আড়াইটা থেকে রাত ৭টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত টেকনাফে ১৬ এপিবিএনের আওতাধীন বিভিন্ন ক্যাম্প এলাকায় এ বিশেষ যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

 

অভিযানে ১৬ এপিবিএন, জেলা পুলিশ, জেলা প্রশাসন, বিজিবি, কোস্টগার্ড, এসআরবি, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও ব্যাটালিয়ন আনসারের মোট ১০৫ জন কর্মকর্তা ও সদস্য অংশ নেন।

 

অভিযানে গ্রেপ্তার মো. কবির ওরফে ‘ডাক্তার কবির’ (৬৫) টেকনাফের মানবপাচার সিন্ডিকেটের অন্যতম হোতা বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মানবপাচার মামলা রয়েছে। একই অভিযানে তাঁর অন্যতম সহযোগী মো. ইলিয়াস ওরফে ‘ইলিয়াস মেম্বার’ (৪২)কেও গ্রেপ্তার করা হয়।

 

অভিযানসংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের এপ্রিল মাসে বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গাদের উন্নত জীবনের প্রলোভন দেখিয়ে মালয়েশিয়ায় পাচারের সময় আন্দামান দ্বীপপুঞ্জের কাছে ডুবে যাওয়া একটি বোট পাঠানোর সঙ্গে কবির ও ইলিয়াসের সম্পৃক্ততার তথ্য রয়েছে। ওই ঘটনায় ড্রাম ও কাঠের টুকরো ধরে ভাসতে থাকা কয়েকজনকে কোস্টগার্ড উদ্ধার করেছিল।

 

অন্য একটি অভিযানে হত্যা ও অস্ত্র মামলার একাধিক ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি আবু তৈয়ব (৩৬)কে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে হত্যা ও অস্ত্র মামলায় তিনটি ওয়ারেন্ট রয়েছে। এর মধ্যে একটি মামলায় আদালত তাঁকে চার বছরের কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন।

 

এ ছাড়া সরকারি আদেশ অমান্য, মাদক সেবন, বাবা-মাকে মারধর এবং ক্যাম্পে অবৈধ অনুপ্রবেশসহ বিভিন্ন অপরাধে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ছয়জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তাঁদের মধ্যে তিনজনকে ছয় মাস করে, একজনকে পাঁচ মাস এবং দুজনকে তিন মাস করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আরও চারজনকে ৫০০ টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।

 

অভিযানে রিকল মূলে আরও একটি ওয়ারেন্ট নিষ্পত্তি করা হয়েছে।

 

১৬ এপিবিএন জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

জনপ্রিয়

আঞ্চলিক নিরাপত্তা ফোরামে যোগ দিতে নয়াদিল্লিতে এনএসআই প্রধান

টেকনাফে যৌথ অভিযানে মানবপাচারকারী কবিরসহ গ্রেপ্তার ১৩

আপডেট : ১০ ঘন্টা আগে

 

কক্সবাজারের টেকনাফে ১৬ এপিবিএনের আওতাধীন বিভিন্ন ক্যাম্পে যৌথ অভিযান চালিয়ে মানবপাচার চক্রের অন্যতম হোতা মো. কবির ওরফে ‘ডাক্তার কবির’, তাঁর সহযোগী ইলিয়াস ও হত্যা-অস্ত্র মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি আবু তৈয়বসহ ১৩ জনকে আইনানুগ ব্যবস্থার আওতায় আনা হয়েছে। একই অভিযানে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ১০ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

 

রোববার (২৫ অক্টোবর) বেলা আড়াইটা থেকে রাত ৭টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত টেকনাফে ১৬ এপিবিএনের আওতাধীন বিভিন্ন ক্যাম্প এলাকায় এ বিশেষ যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

 

অভিযানে ১৬ এপিবিএন, জেলা পুলিশ, জেলা প্রশাসন, বিজিবি, কোস্টগার্ড, এসআরবি, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও ব্যাটালিয়ন আনসারের মোট ১০৫ জন কর্মকর্তা ও সদস্য অংশ নেন।

 

অভিযানে গ্রেপ্তার মো. কবির ওরফে ‘ডাক্তার কবির’ (৬৫) টেকনাফের মানবপাচার সিন্ডিকেটের অন্যতম হোতা বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মানবপাচার মামলা রয়েছে। একই অভিযানে তাঁর অন্যতম সহযোগী মো. ইলিয়াস ওরফে ‘ইলিয়াস মেম্বার’ (৪২)কেও গ্রেপ্তার করা হয়।

 

অভিযানসংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের এপ্রিল মাসে বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গাদের উন্নত জীবনের প্রলোভন দেখিয়ে মালয়েশিয়ায় পাচারের সময় আন্দামান দ্বীপপুঞ্জের কাছে ডুবে যাওয়া একটি বোট পাঠানোর সঙ্গে কবির ও ইলিয়াসের সম্পৃক্ততার তথ্য রয়েছে। ওই ঘটনায় ড্রাম ও কাঠের টুকরো ধরে ভাসতে থাকা কয়েকজনকে কোস্টগার্ড উদ্ধার করেছিল।

 

অন্য একটি অভিযানে হত্যা ও অস্ত্র মামলার একাধিক ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি আবু তৈয়ব (৩৬)কে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে হত্যা ও অস্ত্র মামলায় তিনটি ওয়ারেন্ট রয়েছে। এর মধ্যে একটি মামলায় আদালত তাঁকে চার বছরের কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন।

 

এ ছাড়া সরকারি আদেশ অমান্য, মাদক সেবন, বাবা-মাকে মারধর এবং ক্যাম্পে অবৈধ অনুপ্রবেশসহ বিভিন্ন অপরাধে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ছয়জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তাঁদের মধ্যে তিনজনকে ছয় মাস করে, একজনকে পাঁচ মাস এবং দুজনকে তিন মাস করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আরও চারজনকে ৫০০ টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।

 

অভিযানে রিকল মূলে আরও একটি ওয়ারেন্ট নিষ্পত্তি করা হয়েছে।

 

১৬ এপিবিএন জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।