ঢাকা , বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
চাঁদাবাজির অভিযোগের সত্যতা জানতে সালমানকে জিজ্ঞাসাবাদ টেকনাফে পৃথক অভিযানে ডাকাতসহ গ্রেপ্তার ৪, অপহৃত ৪ জন উদ্ধার পিরোজপুরে নবাগত জেলা প্রশাসকের সঙ্গে গণমাধ্যমকর্মীদের মতবিনিময় আ.লীগ সমঝোতা চাইলে আগে অপরাধ স্বীকার করতে হবে: তথ্য উপদেষ্টা সুন্দরবন ঘেঁষে ১৮ অনুমোদনহীন রিসোর্ট বন্ধের নির্দেশ বাংলাদেশ শিশু একাডেমির সুবর্ণজয়ন্তী ও শিশু অধিকার দিবস অনুষ্ঠিত সাংবিধানিকভাবে জুলাই যোদ্ধাদের সুরক্ষা ও দায়মুক্তি নিশ্চিত করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সকল সংগঠন ও সংবাদ কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান –এম. মাছুদুর রহমান মিলন মোরেলগঞ্জে বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা সবুজ আবাসনেই কমবে ঢাকার জীবনযাত্রার ব্যয়

সুন্দরবন ঘেঁষে ১৮ অনুমোদনহীন রিসোর্ট বন্ধের নির্দেশ

 

সুন্দরবন ঘেঁষে গড়ে ওঠা অনুমোদনহীন ১৮টি রিসোর্টের কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে পরিবেশ অধিদফতর। একই সঙ্গে এসব প্রতিষ্ঠানের সব ধরনের স্থাপনা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

 

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকালে পরিবেশ অধিদফতরের খুলনা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. হারুন-অর-রশীদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

 

পরিবেশ অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, সুন্দরবনসংলগ্ন এলাকায় গড়ে ওঠা এসব রিসোর্টের পরিবেশগত অনুমোদনসহ প্রয়োজনীয় অনুমোদনের বিষয়টি পর্যালোচনা করে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে ১৮টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কার্যক্রম বন্ধ এবং স্থাপনা অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

 

সূত্র জানায়, ১৮টি রিসোর্টের মধ্যে ১০টি প্রতিষ্ঠানকে তাদের সব ধরনের স্থাপনা সরিয়ে নেওয়ার জন্য ৩০ দিনের সময় দেওয়া হয়েছে। অপর আটটি প্রতিষ্ঠানকে স্থাপনা অপসারণের জন্য সময় দেওয়া হয়েছে ১৫ দিন।

 

পরিবেশ অধিদফতর সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সুন্দরবনের সংরক্ষিত বনাঞ্চল ও এর আশপাশের এলাকায় অপরিকল্পিত স্থাপনা ও পর্যটনকেন্দ্র গড়ে উঠলে এর পরিবেশ ও প্রতিবেশব্যবস্থার ওপর বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে। বিশেষ করে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, শব্দদূষণ, পানি ও মাটি দূষণ এবং পর্যটকদের অনিয়ন্ত্রিত চলাচলের কারণে সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

 

সুন্দরবন বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক বনভূমি এবং বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ। এর পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় বনসংলগ্ন এলাকায় যেকোনো ধরনের স্থাপনা নির্মাণ ও পর্যটন কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে পরিবেশগত বিধিবিধান অনুসরণ করা জরুরি।

 

পরিবেশ অধিদফতরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অনুমোদনহীন রিসোর্টগুলোর বিরুদ্ধে নেওয়া এ পদক্ষেপের মূল উদ্দেশ্য সুন্দরবনের পরিবেশ ও প্রতিবেশব্যবস্থা সুরক্ষিত রাখা। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো স্থাপনা অপসারণ না করলে বিধি অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

স্থানীয় পরিবেশকর্মীরা সুন্দরবনের চারপাশে অনুমোদনহীন স্থাপনা নির্মাণ বন্ধে নিয়মিত নজরদারি এবং বিদ্যমান স্থাপনাগুলোর পরিবেশগত প্রভাব যাচাইয়ের দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, সুন্দরবন রক্ষায় শুধু অভিযান নয়, দীর্ঘমেয়াদি ও সমন্বিত ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

জনপ্রিয়

চাঁদাবাজির অভিযোগের সত্যতা জানতে সালমানকে জিজ্ঞাসাবাদ

সুন্দরবন ঘেঁষে ১৮ অনুমোদনহীন রিসোর্ট বন্ধের নির্দেশ

আপডেট : ১৭ ঘন্টা আগে

 

সুন্দরবন ঘেঁষে গড়ে ওঠা অনুমোদনহীন ১৮টি রিসোর্টের কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে পরিবেশ অধিদফতর। একই সঙ্গে এসব প্রতিষ্ঠানের সব ধরনের স্থাপনা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

 

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকালে পরিবেশ অধিদফতরের খুলনা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. হারুন-অর-রশীদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

 

পরিবেশ অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, সুন্দরবনসংলগ্ন এলাকায় গড়ে ওঠা এসব রিসোর্টের পরিবেশগত অনুমোদনসহ প্রয়োজনীয় অনুমোদনের বিষয়টি পর্যালোচনা করে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে ১৮টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কার্যক্রম বন্ধ এবং স্থাপনা অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

 

সূত্র জানায়, ১৮টি রিসোর্টের মধ্যে ১০টি প্রতিষ্ঠানকে তাদের সব ধরনের স্থাপনা সরিয়ে নেওয়ার জন্য ৩০ দিনের সময় দেওয়া হয়েছে। অপর আটটি প্রতিষ্ঠানকে স্থাপনা অপসারণের জন্য সময় দেওয়া হয়েছে ১৫ দিন।

 

পরিবেশ অধিদফতর সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সুন্দরবনের সংরক্ষিত বনাঞ্চল ও এর আশপাশের এলাকায় অপরিকল্পিত স্থাপনা ও পর্যটনকেন্দ্র গড়ে উঠলে এর পরিবেশ ও প্রতিবেশব্যবস্থার ওপর বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে। বিশেষ করে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, শব্দদূষণ, পানি ও মাটি দূষণ এবং পর্যটকদের অনিয়ন্ত্রিত চলাচলের কারণে সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

 

সুন্দরবন বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক বনভূমি এবং বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ। এর পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় বনসংলগ্ন এলাকায় যেকোনো ধরনের স্থাপনা নির্মাণ ও পর্যটন কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে পরিবেশগত বিধিবিধান অনুসরণ করা জরুরি।

 

পরিবেশ অধিদফতরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অনুমোদনহীন রিসোর্টগুলোর বিরুদ্ধে নেওয়া এ পদক্ষেপের মূল উদ্দেশ্য সুন্দরবনের পরিবেশ ও প্রতিবেশব্যবস্থা সুরক্ষিত রাখা। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো স্থাপনা অপসারণ না করলে বিধি অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

স্থানীয় পরিবেশকর্মীরা সুন্দরবনের চারপাশে অনুমোদনহীন স্থাপনা নির্মাণ বন্ধে নিয়মিত নজরদারি এবং বিদ্যমান স্থাপনাগুলোর পরিবেশগত প্রভাব যাচাইয়ের দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, সুন্দরবন রক্ষায় শুধু অভিযান নয়, দীর্ঘমেয়াদি ও সমন্বিত ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।