ঢাকা , শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
বগুড়ায় প্যারোলে মুক্তি পেয়ে মায়ের জানাজায় অংশ নিলেন কারাবন্দি আওয়ামী লীগ নেতা হিরো বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলা: সাবেক এমপি মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে থানায় মামলা ডেঙ্গু প্রতিরোধে পিরোজপুরে বলাকা ক্লাবের পরিচ্ছন্নতা অভিযান পিরোজপুরে জেলা প্রশাসক আবু সাঈদকে মাদক প্রতিরোধে সামাজিক উদ্যোগের সম্মাননা রাড্ডা সেন্টারে হামলা: প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে পদত্যাগ করছেন বিএনপির সংরক্ষিত আসনের এমপি মিষ্টি ​ বাগেরহাটে ফিঙ্গারপ্রিন্ট ক্লোন করে ভুয়া সিম বিক্রির চক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার, সরঞ্জাম উদ্ধার ​ বাগেরহাটে রিকের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস পালিত ফুটপাত দখলমুক্তে আপসহীন ডিএনসিসি প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান ফেনীতে ‘মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ’ প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস আজ: নানা আয়োজনে উদযাপিত

বগুড়ায় প্যারোলে মুক্তি পেয়ে মায়ের জানাজায় অংশ নিলেন কারাবন্দি আওয়ামী লীগ নেতা হিরো

সংগৃহীত ছবি

 

দীর্ঘ ১৬ মাস ধরে কারাবন্দি থাকার পর প্যারোলে মুক্তি পেয়ে সদ্যপ্রয়াত মায়ের জানাজায় অংশ নিয়েছেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতা মাশরাফি হিরো। তিনি বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়াবিষয়ক সম্পাদক।

 

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৫টায় বগুড়া সদর উপজেলার লাহিড়িপাড়া ইউনিয়নের ভবানীগঞ্জ জাহানাবাদ গ্রামে তাঁর মায়ের জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।

​

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মাশরাফি হিরো বিগত প্রায় ১৬ মাস ধরে কারাগারে রয়েছেন। সম্প্রতি তাঁর মা বার্ধক্যজনিত ও বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগে মৃত্যুবরণ করেন। মায়ের মৃত্যুর পর তাঁর পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে তাঁকে স্বল্পসময়ের জন্য প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হয়। এরপর কঠোর পুলিশি পাহারায় তাঁকে নিজ গ্রামে জানাজায় নিয়ে যাওয়া হয়।

​

জানাজার আগে স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে আবেগাপ্লুত কণ্ঠে মাশরাফি হিরো বলেন, “আমি এখন পর্যন্ত জানি না আমার মা কখন মারা গেছেন। আমি হয়তো তাকে দেখতে পারলাম, কিন্তু তিনি তো আমাকে দেখতে পারলেন না। সন্তান মাকে না ভালোবাসলেও মা কিন্তু সন্তানকে ঠিকই ভালোবাসেন।”

​

মায়ের প্রতি নিজের অসমাপ্ত দায়িত্বের কথা উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, “আমি আমার দায়িত্ব হয়তো সঠিকভাবে পালন করতে পারিনি, এ জন্য মায়ের কাছে ক্ষমাও চাইতে পারলাম না। আমার মা দীর্ঘদিন ধরে নানা রোগে আক্রান্ত ছিলেন। ওষুধ আর হাসপাতাল করতে করতেই তার জীবনটা কেটে গেল। ভীষণ কষ্টের জীবন পার করেছেন তিনি।”

​

উপস্থিত এলাকাবাসীর উদ্দেশ্যে তিনি তাঁর মায়ের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে বলেন, “আমার মায়ের কথাবার্তায় আপনারা কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে নিজ গুণে ক্ষমা করে দেবেন। আর মায়ের কাছে কারও কোনো আর্থিক দেনা-পাওয়া থাকলে আমাদের জানাবেন, আমরা তা পরিশোধের ব্যবস্থা করব।”

​

জানাজার আনুষ্ঠানিকতা শেষে পুলিশি পাহারায় মাশরাফি হিরোকে পুনরায় বগুড়া জেলা কারাগারে ফেরত নেওয়া হয়। বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন বগুড়া জেলা কারাগারের জেল সুপার আসাদুর রহমান।

জনপ্রিয়

বগুড়ায় প্যারোলে মুক্তি পেয়ে মায়ের জানাজায় অংশ নিলেন কারাবন্দি আওয়ামী লীগ নেতা হিরো

বগুড়ায় প্যারোলে মুক্তি পেয়ে মায়ের জানাজায় অংশ নিলেন কারাবন্দি আওয়ামী লীগ নেতা হিরো

আপডেট : ৩ ঘন্টা আগে
সংগৃহীত ছবি

 

দীর্ঘ ১৬ মাস ধরে কারাবন্দি থাকার পর প্যারোলে মুক্তি পেয়ে সদ্যপ্রয়াত মায়ের জানাজায় অংশ নিয়েছেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতা মাশরাফি হিরো। তিনি বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়াবিষয়ক সম্পাদক।

 

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৫টায় বগুড়া সদর উপজেলার লাহিড়িপাড়া ইউনিয়নের ভবানীগঞ্জ জাহানাবাদ গ্রামে তাঁর মায়ের জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।

​

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মাশরাফি হিরো বিগত প্রায় ১৬ মাস ধরে কারাগারে রয়েছেন। সম্প্রতি তাঁর মা বার্ধক্যজনিত ও বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগে মৃত্যুবরণ করেন। মায়ের মৃত্যুর পর তাঁর পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে তাঁকে স্বল্পসময়ের জন্য প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হয়। এরপর কঠোর পুলিশি পাহারায় তাঁকে নিজ গ্রামে জানাজায় নিয়ে যাওয়া হয়।

​

জানাজার আগে স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে আবেগাপ্লুত কণ্ঠে মাশরাফি হিরো বলেন, “আমি এখন পর্যন্ত জানি না আমার মা কখন মারা গেছেন। আমি হয়তো তাকে দেখতে পারলাম, কিন্তু তিনি তো আমাকে দেখতে পারলেন না। সন্তান মাকে না ভালোবাসলেও মা কিন্তু সন্তানকে ঠিকই ভালোবাসেন।”

​

মায়ের প্রতি নিজের অসমাপ্ত দায়িত্বের কথা উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, “আমি আমার দায়িত্ব হয়তো সঠিকভাবে পালন করতে পারিনি, এ জন্য মায়ের কাছে ক্ষমাও চাইতে পারলাম না। আমার মা দীর্ঘদিন ধরে নানা রোগে আক্রান্ত ছিলেন। ওষুধ আর হাসপাতাল করতে করতেই তার জীবনটা কেটে গেল। ভীষণ কষ্টের জীবন পার করেছেন তিনি।”

​

উপস্থিত এলাকাবাসীর উদ্দেশ্যে তিনি তাঁর মায়ের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে বলেন, “আমার মায়ের কথাবার্তায় আপনারা কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে নিজ গুণে ক্ষমা করে দেবেন। আর মায়ের কাছে কারও কোনো আর্থিক দেনা-পাওয়া থাকলে আমাদের জানাবেন, আমরা তা পরিশোধের ব্যবস্থা করব।”

​

জানাজার আনুষ্ঠানিকতা শেষে পুলিশি পাহারায় মাশরাফি হিরোকে পুনরায় বগুড়া জেলা কারাগারে ফেরত নেওয়া হয়। বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন বগুড়া জেলা কারাগারের জেল সুপার আসাদুর রহমান।