কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার সাবরাং সীমান্তে র্যাব-১৫ এর বিশেষ অভিযানে ৫ লাখ পিস ইয়াবাসহ আন্তর্জাতিক মাদক চোরাচালান চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া ইয়াবার এই চালানটি সম্প্রতি সীমান্ত এলাকায় জব্দ হওয়া বড় চালানগুলোর অন্যতম বলে জানিয়েছে র্যাব।
র্যাব-১৫ সূত্র জানায়, মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির অংশ হিসেবে সীমান্ত এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার (১১ জুন) ভোরে টেকনাফের সাবরাং ইউনিয়নের মন্ডলপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানকালে সীমান্ত পেরিয়ে দেশে প্রবেশের সময় সন্দেহভাজন কয়েকজন মাদক কারবারিকে চ্যালেঞ্জ করলে তারা পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় র্যাব সদস্যরা ধাওয়া দিয়ে দুইজনকে আটক করতে সক্ষম হন। তবে তাদের সঙ্গে থাকা আরও ৪ থেকে ৫ জন অন্ধকারের সুযোগে পালিয়ে যায়।
পরে আটক ব্যক্তিদের বহন করা বস্তা তল্লাশি করে ৫ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা স্বীকার করেন, মিয়ানমার থেকে ইয়াবার চালানটি এনে দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহের উদ্দেশ্যে সীমান্ত অতিক্রম করেছিলেন।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন– মিয়ানমারের আরাকান রাজ্যের ভুসিডং এলাকার বাসিন্দা মো. সাজেদ (৩২) ও এনামুল হাসান (৩৩)। তারা দীর্ঘদিন ধরে সীমান্তভিত্তিক মাদক পাচার চক্রের সঙ্গে জড়িত বলে র্যাবের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে।
র্যাব-১৫ জানিয়েছে, পালিয়ে যাওয়া অন্যান্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় আটক দুইজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
র্যাবের দাবি, সীমান্তকে ব্যবহার করে মাদক পাচারের অপচেষ্টা কঠোরভাবে দমন করা হবে এবং মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে চলমান অভিযান আরও জোরদার করা হবে।

ফরহাদ রহমান, টেকনাফ প্রতিনিধিঃ 


















