ঢাকা , শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
টেকনাফে সিএনজিতে ৮ হাজার ইয়াবাসহ চালক আটক ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজে ক্যাপস্টোন কোর্স ২০২৬/১ অনুষ্ঠিত হ্নীলায় আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত জেলে পল্লীতে এমপি শাহজাহান চৌধুরীর সহায়তা পৌঁছে দিলেন সরওয়ার জাহান চৌধুরী চিতলমারীতে দখল-লুটপাট, নির্যাতনের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন রিহ্যাবের নতুন নেতৃত্বে সহ-সভাপতি পদে রিচমন্ড ডেভেলপারস লিঃ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ.এফ.এম ওবায়দুল্লাহ বনানীতে তৃতীয় লিঙ্গের উৎপাতে নিয়ন্ত্রণ হারান বাসচালক, নিহত ২ জলঢাকায় হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন বিষয়ক সমন্বয় সভা পিরোজপুরে ডিজিটাল সহিংসতা প্রতিরোধে কন্টেন্ট ক্রিয়েটরদের অবহিতকরণ সভা বাড়লো বাস পরিবহন ভাড়া  জাইমা রহমানকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্টে পঞ্চগড়ে কলেজছাত্র গ্রেফতার

জলঢাকায় হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন বিষয়ক সমন্বয় সভা

 

দেশব্যাপী হাম-রুবেলা (এমআর) টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২৬ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে নীলফামারীর জলঢাকায় উপজেলা পর্যায়ে এক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

 

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জায়িদ ইমরুল মোজাক্কিন।

 

সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা নন্দা সেন গুপ্তা। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাজমুল আলম, মেডিকেল অফিসার ডা. মনিরুজ্জামান মনির, ডা. আব্দুর সবুর (MODC), আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মেহেদী হাসান, ডা. হাবিবুর রহমান (এমও), মেডিকেল টেকনোলজিস্ট রাশেদুল ইসলামসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, স্বাস্থ্যকর্মী ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা।

 

সভায় জানানো হয়, জলঢাকা উপজেলার বিভিন্ন ইপিআই কেন্দ্রের মাধ্যমে এ ক্যাম্পেইন পরিচালিত হবে। মাইক্রোপ্ল্যান অনুযায়ী উপজেলার একটি কেন্দ্র হিসেবে কাজিরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নির্ধারণ করা হয়েছে।

 

উপজেলায় মোট ৩৯ হাজার ৭২৩ জন শিশুকে টিকাদানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ছেলে শিশু ১৯ হাজার ৯৯৬ জন এবং মেয়ে শিশু ১৯ হাজার ৭২৭ জন। এ বিশাল সংখ্যক শিশুকে টিকার আওতায় আনতে স্বাস্থ্যকর্মী, স্বেচ্ছাসেবক ও সংশ্লিষ্টদের সমন্বয়ে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। সভায় আরও জানানো হয়, টিকাদান কার্যক্রম পরিচালনায় প্রয়োজনীয় ভ্যাকসিন, সিরিঞ্জ, সেফটি বক্স, ভ্যাকসিন ক্যারিয়ারসহ অন্যান্য সরঞ্জাম সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রতিটি সেশনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

বক্তারা বলেন, হাম ও রুবেলা অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ, যা শিশুদের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ। তাই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শতভাগ শিশুকে টিকার আওতায় আনার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিকভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়। উল্লেখ্য, এ কর্মসূচি বাস্তবায়নে UNICEF, Gavi এবং World Health Organization সহযোগিতা প্রদান করছে।

জনপ্রিয়

টেকনাফে সিএনজিতে ৮ হাজার ইয়াবাসহ চালক আটক

জলঢাকায় হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন বিষয়ক সমন্বয় সভা

আপডেট : ২১ ঘন্টা আগে

 

দেশব্যাপী হাম-রুবেলা (এমআর) টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২৬ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে নীলফামারীর জলঢাকায় উপজেলা পর্যায়ে এক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

 

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জায়িদ ইমরুল মোজাক্কিন।

 

সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা নন্দা সেন গুপ্তা। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাজমুল আলম, মেডিকেল অফিসার ডা. মনিরুজ্জামান মনির, ডা. আব্দুর সবুর (MODC), আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মেহেদী হাসান, ডা. হাবিবুর রহমান (এমও), মেডিকেল টেকনোলজিস্ট রাশেদুল ইসলামসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, স্বাস্থ্যকর্মী ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা।

 

সভায় জানানো হয়, জলঢাকা উপজেলার বিভিন্ন ইপিআই কেন্দ্রের মাধ্যমে এ ক্যাম্পেইন পরিচালিত হবে। মাইক্রোপ্ল্যান অনুযায়ী উপজেলার একটি কেন্দ্র হিসেবে কাজিরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নির্ধারণ করা হয়েছে।

 

উপজেলায় মোট ৩৯ হাজার ৭২৩ জন শিশুকে টিকাদানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ছেলে শিশু ১৯ হাজার ৯৯৬ জন এবং মেয়ে শিশু ১৯ হাজার ৭২৭ জন। এ বিশাল সংখ্যক শিশুকে টিকার আওতায় আনতে স্বাস্থ্যকর্মী, স্বেচ্ছাসেবক ও সংশ্লিষ্টদের সমন্বয়ে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। সভায় আরও জানানো হয়, টিকাদান কার্যক্রম পরিচালনায় প্রয়োজনীয় ভ্যাকসিন, সিরিঞ্জ, সেফটি বক্স, ভ্যাকসিন ক্যারিয়ারসহ অন্যান্য সরঞ্জাম সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রতিটি সেশনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

বক্তারা বলেন, হাম ও রুবেলা অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ, যা শিশুদের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ। তাই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শতভাগ শিশুকে টিকার আওতায় আনার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিকভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়। উল্লেখ্য, এ কর্মসূচি বাস্তবায়নে UNICEF, Gavi এবং World Health Organization সহযোগিতা প্রদান করছে।