ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
চরাঞ্চলে স্বাস্থ্যসেবা চরম সংকটে: যাতায়াতের অভাবে ভোগান্তিতে মানুষ বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালীর তালিকায় তারেক রহমান সেনাপ্রধানের সাথে তুরস্কের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ আইজিপির সঙ্গে যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ জলঢাকায় জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলার উদ্বোধন এলেঙ্গাতে বৈশাখী মেলা উদ্বোধন এশিয়া ছিন্নমূল মানবাধিকার বাস্তবায়ন ফাউন্ডেশনের বৈশাখী আয়োজনে মানবতার বার্তা—গুণীজন সম্মাননা, নতুন নেতৃত্বের আত্মপ্রকাশ রাজাবিরাট মন্দিরের সম্পত্তি আত্মসাৎ ও চাঁদাবাজির প্রতিবাদে গোবিন্দগঞ্জে বিশাল মানববন্ধন বঙ্গোপসাগরে ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা চলছে, কর্মহীন ভোলার ৬৫ হাজার জেলে টেকনাফের শাহপরীতে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ২২ হাজার ইয়াবাসহ আটক ২

একজন গ্রামের অসহায় নারী মায়ার জীবন

 

যথাবিহিত সম্মান প্রদর্শনপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি নিম্নস্বাক্ষরকারী মোছাঃ নাসিমা আক্তার মায়া—একজন নারী উদ্যোক্তা, “মায়ের দোয়া স্বপ্ন পূরণ মহিলা উন্নয়ন সংস্থা”-এর সভাপতি এবং ঝিনাইদহ জেলার হরিণাকুন্ডু উপজেলার ৩নং তাহেরহুদা ইউনিয়ন পরিষদের ০১নং ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য।

 

আমি একজন বিধবা নারী। আমরা দুই ভাই ও চার বোন—বোনদের মধ্যে আমি সবার বড়। আমার পিতা ছিলেন একজন সাধারণ পান ব্যবসায়ী। মাত্র ১১ বছর ৮ মাস বয়সে, পঞ্চম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত অবস্থায়, ১৯৯১ সালের ২৭ ডিসেম্বর (শুক্রবার) আমাকে পাশের গ্রাম শ্রীপুরের এক প্রতিবন্ধী ও বয়স্ক ব্যক্তির সাথে বিবাহ দেওয়া হয়, যার বয়স ছিল ৩৭ বছর। এই বিবাহ আমি মানসিকভাবে কখনো মেনে নিতে পারিনি।

 

বিয়ের এক বছর পর, ১৯৯২ সালের ৩১ ডিসেম্বর আমার এক পুত্রসন্তান জন্মগ্রহণ করে—তার নাম আশিকুর রহমান কনক। অমানুষিক নির্যাতন, অবহেলা ও অপ্রতুল ভরণপোষণের কারণে আমি সন্তানের ভবিষ্যতের কথা ভেবে বাবার বাড়িতে ফিরে আসি। সেখান থেকেই শুরু হয় আমার জীবনের সংগ্রাম।

 

দর্জির কাজ, নকশিকাঁথা তৈরি, বাঁশের মোড়া বানানো, কাগজের প্যাকেট তৈরি, মুড়ি ও পাপড় ভাজা, ঢেঁকিতে চাল তৈরি—এমন নানা কাজের প্রশিক্ষণ নিয়ে আমি নিজের ঘরেই কাজ শুরু করি। এর মধ্যেই এক সড়ক দুর্ঘটনায় আমার পিতা দুই পা হারিয়ে পঙ্গু হয়ে পড়েন এবং দীর্ঘ ছয় বছর শয্যাশায়ী থাকার পর ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। পিতার মৃত্যুর পর আমাদের পরিবার চরম দারিদ্র্য ও অনাহারে দিন কাটাতে থাকে।

 

অসংখ্য কষ্টের মাঝেও আমি থেমে থাকিনি। আমার ছেলের কাছ থেকে লেখাপড়া শিখে অবশেষে ঝিনাইদহ কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করি। এরপর সমাজের অসহায় নারীদের পাশে দাঁড়ানোর সংকল্প গ্রহণ করি। মহিলা উন্নয়ন সংস্থায় কাজ করতে গিয়ে আমি উপলব্ধি করি—আমার মতো অসংখ্য অবহেলিত, অসহায় বিধবা নারী সমাজে বেঁচে আছে। তাদের খুঁজে বের করে বিভিন্ন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আমি প্রায় ১০,০০০ কর্মহীন নারীকে স্বাবলম্বী করে তুলেছি।

 

আমার এই কার্যক্রমের অগ্রগতি দেখে তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আমাকে একটি সংগঠন গঠনের পরামর্শ দেন। পরবর্তীতে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর থেকে “মায়ের দোয়া স্বপ্ন পূরণ মহিলা উন্নয়ন সংস্থা” নামে (রেজিঃ নং-১৭১/২০১৩) নিবন্ধন প্রদান করা হয়। ২০০৬ সাল থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত এই সংস্থার মাধ্যমে আমি দুঃস্থ, অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে আর্থিক সহায়তা দিয়ে আসছি।

 

বর্তমানে আমার উদ্যোগে “ভবানীপুর বৃদ্ধাশ্রম—মায়ার নতুন ঠিকানা” নামে ০.৫ শতক জমিতে একটি আশ্রয়কেন্দ্র এবং “মায়ার শেষ ঠিকানা” নামে ০.৫ শতক জমিতে একটি কবরস্থান প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কিন্তু অর্থাভাবে প্রতিষ্ঠানটি এখন বন্ধ হওয়ার উপক্রম এবং ভবনটি বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়েছে।

 

সংগ্রামের গল্প: সন্তানের জন্য মায়ের যুদ্ধ
সন্তান জন্মের পরও আমার জীবনে নির্যাতন থামেনি। প্রতিদিন শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চলতে থাকে। এমনকি আমাকে ঠিকমতো খাবারও দেওয়া হতো না। বুকের দুধের অভাবে আমার শিশু সন্তান কনক ক্ষুধায় কাঁদত। তখন বাধ্য হয়ে সিদ্ধ চাল ভিজিয়ে শিলপাটায় বেটে পাতলা করে রান্না করে বোতলে করে তাকে খাওয়াতাম। সন্তানের জীবন বাঁচাতে একজন অসহায় মায়ের এটাই ছিল শেষ চেষ্টা।

 

মানবতার উদাহরণ
১. এক রিকশাচালকের কাহিনি
২০১৩ সালের ১৭ জুন ঝিনাইদহ বাস টার্মিনালে এক অসুস্থ যাত্রীকে বাস থেকে ফেলে রেখে চলে যায় কর্তৃপক্ষ। আমি তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করি, নিজের খরচে ওষুধ কিনে চিকিৎসার ব্যবস্থা করি। যদিও শেষ পর্যন্ত তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি, তবুও মানবতার দায় থেকে আমি দায়িত্ব পালন করেছি।
২. সানজিতার মর্মান্তিক ঘটনা
এক গর্ভবতী নারীকে হাসপাতালে অবহেলিত অবস্থায় দেখে আমি তাকে ক্লিনিকে নেওয়ার চেষ্টা করি। কিন্তু অর্থ ও সহযোগিতার অভাবে মা ও নবজাতক—দুজনই মৃত্যুবরণ করে। এই ঘটনা আমাকে আরও দৃঢ় করে তোলে মানুষের পাশে দাঁড়াতে।
৩. অসুস্থ রোগীদের সহায়তা
স্ট্রোকে আক্রান্ত এক শ্রমিককে চিকিৎসার জন্য নিজ উদ্যোগে হাসপাতালে পাঠানোসহ প্রায় ১০ জন রোগীর চিকিৎসা সহায়তা করেছি স্থানীয়ভাবে অর্থ সংগ্রহ করে।

 

অসহায় মেয়েদের বিয়ে সম্পন্ন
সমাজের অবহেলিত ১৬ জন অসহায় মেয়ের বিয়ে সম্পন্ন করেছি স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ ও সাধারণ মানুষের সহায়তায়।

 

উপসংহার
অসংখ্য প্রতিকূলতা, দুঃখ-কষ্ট ও সংগ্রামের মধ্য দিয়ে গড়ে উঠেছে আমার এই পথচলা। আজও আমি অসহায়, দুঃস্থ ও ছিন্নমূল মানুষের পাশে দাঁড়াতে কাজ করে যাচ্ছি। কিন্তু আর্থিক সংকটের কারণে আমার প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম বন্ধ হওয়ার পথে।

 

অতএব, বিনীতভাবে আবেদন—“মায়ের দোয়া স্বপ্ন পূরণ মহিলা উন্নয়ন সংস্থা”-এর বৃদ্ধাশ্রমের জন্য বাসস্থান নির্মাণ, খাদ্য ও বস্ত্রের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তা প্রদানের জন্য সদয় দৃষ্টি কামনা করছি।

 

বিনীত
মোছাঃ নাসিমা আক্তার মায়া
সভাপতি
মায়ের দোয়া স্বপ্ন পূরণ মহিলা উন্নয়ন সংস্থা
ঝিনাইদহ।

জনপ্রিয়

চরাঞ্চলে স্বাস্থ্যসেবা চরম সংকটে: যাতায়াতের অভাবে ভোগান্তিতে মানুষ

একজন গ্রামের অসহায় নারী মায়ার জীবন

আপডেট : ০৫:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬

 

যথাবিহিত সম্মান প্রদর্শনপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি নিম্নস্বাক্ষরকারী মোছাঃ নাসিমা আক্তার মায়া—একজন নারী উদ্যোক্তা, “মায়ের দোয়া স্বপ্ন পূরণ মহিলা উন্নয়ন সংস্থা”-এর সভাপতি এবং ঝিনাইদহ জেলার হরিণাকুন্ডু উপজেলার ৩নং তাহেরহুদা ইউনিয়ন পরিষদের ০১নং ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য।

 

আমি একজন বিধবা নারী। আমরা দুই ভাই ও চার বোন—বোনদের মধ্যে আমি সবার বড়। আমার পিতা ছিলেন একজন সাধারণ পান ব্যবসায়ী। মাত্র ১১ বছর ৮ মাস বয়সে, পঞ্চম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত অবস্থায়, ১৯৯১ সালের ২৭ ডিসেম্বর (শুক্রবার) আমাকে পাশের গ্রাম শ্রীপুরের এক প্রতিবন্ধী ও বয়স্ক ব্যক্তির সাথে বিবাহ দেওয়া হয়, যার বয়স ছিল ৩৭ বছর। এই বিবাহ আমি মানসিকভাবে কখনো মেনে নিতে পারিনি।

 

বিয়ের এক বছর পর, ১৯৯২ সালের ৩১ ডিসেম্বর আমার এক পুত্রসন্তান জন্মগ্রহণ করে—তার নাম আশিকুর রহমান কনক। অমানুষিক নির্যাতন, অবহেলা ও অপ্রতুল ভরণপোষণের কারণে আমি সন্তানের ভবিষ্যতের কথা ভেবে বাবার বাড়িতে ফিরে আসি। সেখান থেকেই শুরু হয় আমার জীবনের সংগ্রাম।

 

দর্জির কাজ, নকশিকাঁথা তৈরি, বাঁশের মোড়া বানানো, কাগজের প্যাকেট তৈরি, মুড়ি ও পাপড় ভাজা, ঢেঁকিতে চাল তৈরি—এমন নানা কাজের প্রশিক্ষণ নিয়ে আমি নিজের ঘরেই কাজ শুরু করি। এর মধ্যেই এক সড়ক দুর্ঘটনায় আমার পিতা দুই পা হারিয়ে পঙ্গু হয়ে পড়েন এবং দীর্ঘ ছয় বছর শয্যাশায়ী থাকার পর ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। পিতার মৃত্যুর পর আমাদের পরিবার চরম দারিদ্র্য ও অনাহারে দিন কাটাতে থাকে।

 

অসংখ্য কষ্টের মাঝেও আমি থেমে থাকিনি। আমার ছেলের কাছ থেকে লেখাপড়া শিখে অবশেষে ঝিনাইদহ কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করি। এরপর সমাজের অসহায় নারীদের পাশে দাঁড়ানোর সংকল্প গ্রহণ করি। মহিলা উন্নয়ন সংস্থায় কাজ করতে গিয়ে আমি উপলব্ধি করি—আমার মতো অসংখ্য অবহেলিত, অসহায় বিধবা নারী সমাজে বেঁচে আছে। তাদের খুঁজে বের করে বিভিন্ন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আমি প্রায় ১০,০০০ কর্মহীন নারীকে স্বাবলম্বী করে তুলেছি।

 

আমার এই কার্যক্রমের অগ্রগতি দেখে তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আমাকে একটি সংগঠন গঠনের পরামর্শ দেন। পরবর্তীতে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর থেকে “মায়ের দোয়া স্বপ্ন পূরণ মহিলা উন্নয়ন সংস্থা” নামে (রেজিঃ নং-১৭১/২০১৩) নিবন্ধন প্রদান করা হয়। ২০০৬ সাল থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত এই সংস্থার মাধ্যমে আমি দুঃস্থ, অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে আর্থিক সহায়তা দিয়ে আসছি।

 

বর্তমানে আমার উদ্যোগে “ভবানীপুর বৃদ্ধাশ্রম—মায়ার নতুন ঠিকানা” নামে ০.৫ শতক জমিতে একটি আশ্রয়কেন্দ্র এবং “মায়ার শেষ ঠিকানা” নামে ০.৫ শতক জমিতে একটি কবরস্থান প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কিন্তু অর্থাভাবে প্রতিষ্ঠানটি এখন বন্ধ হওয়ার উপক্রম এবং ভবনটি বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়েছে।

 

সংগ্রামের গল্প: সন্তানের জন্য মায়ের যুদ্ধ
সন্তান জন্মের পরও আমার জীবনে নির্যাতন থামেনি। প্রতিদিন শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চলতে থাকে। এমনকি আমাকে ঠিকমতো খাবারও দেওয়া হতো না। বুকের দুধের অভাবে আমার শিশু সন্তান কনক ক্ষুধায় কাঁদত। তখন বাধ্য হয়ে সিদ্ধ চাল ভিজিয়ে শিলপাটায় বেটে পাতলা করে রান্না করে বোতলে করে তাকে খাওয়াতাম। সন্তানের জীবন বাঁচাতে একজন অসহায় মায়ের এটাই ছিল শেষ চেষ্টা।

 

মানবতার উদাহরণ
১. এক রিকশাচালকের কাহিনি
২০১৩ সালের ১৭ জুন ঝিনাইদহ বাস টার্মিনালে এক অসুস্থ যাত্রীকে বাস থেকে ফেলে রেখে চলে যায় কর্তৃপক্ষ। আমি তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করি, নিজের খরচে ওষুধ কিনে চিকিৎসার ব্যবস্থা করি। যদিও শেষ পর্যন্ত তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি, তবুও মানবতার দায় থেকে আমি দায়িত্ব পালন করেছি।
২. সানজিতার মর্মান্তিক ঘটনা
এক গর্ভবতী নারীকে হাসপাতালে অবহেলিত অবস্থায় দেখে আমি তাকে ক্লিনিকে নেওয়ার চেষ্টা করি। কিন্তু অর্থ ও সহযোগিতার অভাবে মা ও নবজাতক—দুজনই মৃত্যুবরণ করে। এই ঘটনা আমাকে আরও দৃঢ় করে তোলে মানুষের পাশে দাঁড়াতে।
৩. অসুস্থ রোগীদের সহায়তা
স্ট্রোকে আক্রান্ত এক শ্রমিককে চিকিৎসার জন্য নিজ উদ্যোগে হাসপাতালে পাঠানোসহ প্রায় ১০ জন রোগীর চিকিৎসা সহায়তা করেছি স্থানীয়ভাবে অর্থ সংগ্রহ করে।

 

অসহায় মেয়েদের বিয়ে সম্পন্ন
সমাজের অবহেলিত ১৬ জন অসহায় মেয়ের বিয়ে সম্পন্ন করেছি স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ ও সাধারণ মানুষের সহায়তায়।

 

উপসংহার
অসংখ্য প্রতিকূলতা, দুঃখ-কষ্ট ও সংগ্রামের মধ্য দিয়ে গড়ে উঠেছে আমার এই পথচলা। আজও আমি অসহায়, দুঃস্থ ও ছিন্নমূল মানুষের পাশে দাঁড়াতে কাজ করে যাচ্ছি। কিন্তু আর্থিক সংকটের কারণে আমার প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম বন্ধ হওয়ার পথে।

 

অতএব, বিনীতভাবে আবেদন—“মায়ের দোয়া স্বপ্ন পূরণ মহিলা উন্নয়ন সংস্থা”-এর বৃদ্ধাশ্রমের জন্য বাসস্থান নির্মাণ, খাদ্য ও বস্ত্রের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তা প্রদানের জন্য সদয় দৃষ্টি কামনা করছি।

 

বিনীত
মোছাঃ নাসিমা আক্তার মায়া
সভাপতি
মায়ের দোয়া স্বপ্ন পূরণ মহিলা উন্নয়ন সংস্থা
ঝিনাইদহ।