ঢাকা , সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
টাঙ্গাইলে ট্রাক উল্টে নিহত ১৫ জনের বাড়ি রাজশাহী এশিয়া পোস্টের সম্পাদককে হাজার কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের আইনি নোটিশ মাসুদ সাঈদীর উপকূলের জন্য বিশেষ বরাদ্দ চায় ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরাম বাগেরহাট মায়ানমারে পাচারকালে সেন্টমার্টিনে বিপুল সিমেন্ট জব্দ, আটক ৯ আর কত রামিসাকে হারাতে হবে? রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট আজই, ৫-৭ দিনের মধ্যে বিচার – স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জমকালো আয়োজনে গুরুর বাড়ি কিডস কমিউনিটির বৈশাখী কিডস ফেস্টিভ্যাল অনুষ্ঠিত মোরেলগঞ্জের চিংড়াখালী ইউনিয়নে মৎস্য ভিজিএফ (VGF) চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে আ.লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সিনিয়র আইনজীবী ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন মারা গেছেন টানা ৮ ঘণ্টার বেশি গণপরিবহন চালালেই লাইসেন্স বাতিল

দেশবাসীকে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

 

বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে দেশবাসীসহ বিশ্বের সকল বাংলাভাষী মানুষকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

 

সোমবার (১৩ এপ্রিল) এক বিশেষ বাণীতে তিনি নতুন বছরকে স্বাগত জানিয়ে অতীতের জীর্ণতা মুছে সামনে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।

 

শুভেচ্ছা বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, পহেলা বৈশাখ আমাদের জাতিসত্তার ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির এক অনন্য প্রতীক। শত শত বছর ধরে এই দিনটি নতুনের ডাক নিয়ে আমাদের জীবনে ফিরে আসে। তিনি উল্লেখ করেন যে, পহেলা বৈশাখের সাথে এই অঞ্চলের কৃষি, প্রকৃতি এবং কৃষিভিত্তিক অর্থনীতির সম্পর্ক অত্যন্ত নিবিড়। আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির যুগেও কৃষকরা প্রকৃতির সাথে মিল রেখেই ফসল উৎপাদনের সময় নির্ধারণ করেন।

 

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বাংলার লোকজ সংস্কৃতি, কৃষ্টি ও মূল্যবোধের ধারাবাহিকতা পহেলা বৈশাখের মাধ্যমে নতুন করে উজ্জীবিত হয়। বৈশাখী মেলা, শোভাযাত্রা ও হালখাতার মতো ঐতিহ্যবাহী আয়োজনগুলো আমাদের ঐক্যবদ্ধ করে এবং সংস্কৃতির বহুমাত্রিক সৌন্দর্য তুলে ধরে।

 

বিগত দেড় দশকের রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তন এবং গত ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনে জয়ী হয়ে নতুন গণতান্ত্রিক সরকার গঠনের কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নিয়েই সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজ শুরু করেছে।

 

তিনি নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ফ্যামিলি কার্ড, ক্রীড়া কার্ড, খাল খনন এবং ধর্মীয় গুরুদের আর্থিক সহায়তার মতো কর্মসূচির কথা উল্লেখ করেন। বিশেষ করে নববর্ষের প্রথম দিন থেকে শুরু হওয়া ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচি দেশের কৃষি অর্থনীতিতে যুগান্তকারী পরিবর্তন আনবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

 

পরিশেষে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি আশা করি, ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধ এবং সহনশীলতা আমাদের গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করবে। বিশ্বজুড়ে চলমান সংকটের মাঝে শান্তি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের চর্চা আজ অত্যন্ত জরুরি। নতুন বছরের শুভক্ষণে আমাদের অঙ্গীকার হোক সব সংকীর্ণতা কাটিয়ে মানবকল্যাণের পথে এগিয়ে যাওয়া।

 

নতুন বছর সবার জীবনে সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি বয়ে আনুক এই প্রত্যাশা নিয়ে তিনি আবারও সবাইকে শুভ নববর্ষ জানান।

জনপ্রিয়

টাঙ্গাইলে ট্রাক উল্টে নিহত ১৫ জনের বাড়ি রাজশাহী

দেশবাসীকে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেট : ০৮:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

 

বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে দেশবাসীসহ বিশ্বের সকল বাংলাভাষী মানুষকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

 

সোমবার (১৩ এপ্রিল) এক বিশেষ বাণীতে তিনি নতুন বছরকে স্বাগত জানিয়ে অতীতের জীর্ণতা মুছে সামনে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।

 

শুভেচ্ছা বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, পহেলা বৈশাখ আমাদের জাতিসত্তার ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির এক অনন্য প্রতীক। শত শত বছর ধরে এই দিনটি নতুনের ডাক নিয়ে আমাদের জীবনে ফিরে আসে। তিনি উল্লেখ করেন যে, পহেলা বৈশাখের সাথে এই অঞ্চলের কৃষি, প্রকৃতি এবং কৃষিভিত্তিক অর্থনীতির সম্পর্ক অত্যন্ত নিবিড়। আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির যুগেও কৃষকরা প্রকৃতির সাথে মিল রেখেই ফসল উৎপাদনের সময় নির্ধারণ করেন।

 

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বাংলার লোকজ সংস্কৃতি, কৃষ্টি ও মূল্যবোধের ধারাবাহিকতা পহেলা বৈশাখের মাধ্যমে নতুন করে উজ্জীবিত হয়। বৈশাখী মেলা, শোভাযাত্রা ও হালখাতার মতো ঐতিহ্যবাহী আয়োজনগুলো আমাদের ঐক্যবদ্ধ করে এবং সংস্কৃতির বহুমাত্রিক সৌন্দর্য তুলে ধরে।

 

বিগত দেড় দশকের রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তন এবং গত ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনে জয়ী হয়ে নতুন গণতান্ত্রিক সরকার গঠনের কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নিয়েই সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজ শুরু করেছে।

 

তিনি নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ফ্যামিলি কার্ড, ক্রীড়া কার্ড, খাল খনন এবং ধর্মীয় গুরুদের আর্থিক সহায়তার মতো কর্মসূচির কথা উল্লেখ করেন। বিশেষ করে নববর্ষের প্রথম দিন থেকে শুরু হওয়া ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচি দেশের কৃষি অর্থনীতিতে যুগান্তকারী পরিবর্তন আনবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

 

পরিশেষে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি আশা করি, ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধ এবং সহনশীলতা আমাদের গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করবে। বিশ্বজুড়ে চলমান সংকটের মাঝে শান্তি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের চর্চা আজ অত্যন্ত জরুরি। নতুন বছরের শুভক্ষণে আমাদের অঙ্গীকার হোক সব সংকীর্ণতা কাটিয়ে মানবকল্যাণের পথে এগিয়ে যাওয়া।

 

নতুন বছর সবার জীবনে সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি বয়ে আনুক এই প্রত্যাশা নিয়ে তিনি আবারও সবাইকে শুভ নববর্ষ জানান।