ঢাকা , সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
এশিয়া পোস্টের সম্পাদককে হাজার কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের আইনি নোটিশ মাসুদ সাঈদীর উপকূলের জন্য বিশেষ বরাদ্দ চায় ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরাম বাগেরহাট মায়ানমারে পাচারকালে সেন্টমার্টিনে বিপুল সিমেন্ট জব্দ, আটক ৯ আর কত রামিসাকে হারাতে হবে? রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট আজই, ৫-৭ দিনের মধ্যে বিচার – স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জমকালো আয়োজনে গুরুর বাড়ি কিডস কমিউনিটির বৈশাখী কিডস ফেস্টিভ্যাল অনুষ্ঠিত মোরেলগঞ্জের চিংড়াখালী ইউনিয়নে মৎস্য ভিজিএফ (VGF) চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে আ.লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সিনিয়র আইনজীবী ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন মারা গেছেন টানা ৮ ঘণ্টার বেশি গণপরিবহন চালালেই লাইসেন্স বাতিল ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক করতে প্রস্তুত ২৫১ রেলকোচ

নীলফামারী-৪ আসনে জনমত জরিপে এগিয়ে জাপা প্রার্থী সিদ্দিকুল আলম

 

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নীলফামারী-৪ (সৈয়দপুর-কিশোরগঞ্জ) আসনে পরিচালিত এক জনমত জরিপে জাতীয় পার্টি (জাপা) মনোনীত প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য সিদ্দিকুল আলম এগিয়ে রয়েছেন বলে জানা গেছে।

 

জনমত জরিপে অংশ নেওয়া ভোটারদের একটি বড় অংশ জানিয়েছেন, সিদ্দিকুল আলম পূর্বে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেও তৎকালীন রাজনৈতিক বাস্তবতা ও নানা সীমাবদ্ধতার কারণে প্রত্যাশিত উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাস্তবায়নের পর্যাপ্ত সুযোগ পাননি। তবে তার সংসদ সদস্যত্বের সময়ে সৈয়দপুর ও কিশোরগঞ্জ এলাকায় গঞ্জভিত্তিক আধা পাকা রাস্তা নির্মাণসহ যোগাযোগ ব্যবস্থার বিভিন্ন উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন হয়। পাশাপাশি এলাকার বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় অবকাঠামোগত উন্নয়নসহ শিক্ষা সংশ্লিষ্ট একাধিক কাজ বাস্তবায়িত হওয়ায় স্থানীয় ভোটারদের মধ্যে তার প্রতি আস্থা তৈরি হয়েছে। অনেক ভোটারের ধারণা, এবার পূর্ণ সুযোগ পেলে তিনি নীলফামারী-৪ আসনের সার্বিক উন্নয়নে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবেন।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সিদ্দিকুল আলম বর্তমানে সৈয়দপুর ও কিশোরগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও পৌর এলাকায় নিয়মিত গণসংযোগ, উঠান বৈঠক এবং মতবিনিময় সভা করছেন। এসব কর্মসূচিতে তিনি যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতের মানোন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং নাগরিক সুবিধা সম্প্রসারণের পরিকল্পনার কথা ভোটারদের সামনে তুলে ধরছেন।

 

এলাকার একাধিক ভোটার বলেন, “তিনি আগে এমপি ছিলেন। তখন নানা সীমাবদ্ধতা থাকলেও গঞ্জ এলাকায় আধা পাকা রাস্তা নির্মাণ এবং স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসার উন্নয়নমূলক কাজ করেছেন। এবার সুযোগ পেলে এলাকার দীর্ঘদিনের সমস্যাগুলো সমাধানে তিনি আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেবেন—এই প্রত্যাশা থেকেই আমরা তাকে সমর্থন দিচ্ছি।”

 

জনমত জরিপে এগিয়ে থাকার বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে জাপা প্রার্থী সিদ্দিকুল আলম বলেন, “আগে জনগণের চাহিদা অনুযায়ী কাজ করার সুযোগ সীমিত ছিল। তবুও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে কিছু কাজ করা সম্ভব হয়েছে। এবার যদি জনগণ আমাকে আবার দায়িত্ব দেন, তাহলে সৈয়দপুর-কিশোরগঞ্জ আসনের উন্নয়নে দৃশ্যমান পরিবর্তন আনতে সর্বাত্মক চেষ্টা করবো।”

 

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মাঠপর্যায়ে সক্রিয় প্রচারণা, পূর্বের সংসদ সদস্য হিসেবে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের অভিজ্ঞতা এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনার কারণেই নীলফামারী-৪ আসনে জনমত জরিপে জাতীয় পার্টির প্রার্থী সিদ্দিকুল আলম এগিয়ে রয়েছেন। তবে নির্বাচনের দিন যত ঘনিয়ে আসবে, প্রতিদ্বন্দ্বিতা আরও জোরালো হতে পারে বলেও তারা মনে করছেন।

জনপ্রিয়

এশিয়া পোস্টের সম্পাদককে হাজার কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের আইনি নোটিশ মাসুদ সাঈদীর

নীলফামারী-৪ আসনে জনমত জরিপে এগিয়ে জাপা প্রার্থী সিদ্দিকুল আলম

আপডেট : ০৬:৫০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬

 

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নীলফামারী-৪ (সৈয়দপুর-কিশোরগঞ্জ) আসনে পরিচালিত এক জনমত জরিপে জাতীয় পার্টি (জাপা) মনোনীত প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য সিদ্দিকুল আলম এগিয়ে রয়েছেন বলে জানা গেছে।

 

জনমত জরিপে অংশ নেওয়া ভোটারদের একটি বড় অংশ জানিয়েছেন, সিদ্দিকুল আলম পূর্বে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেও তৎকালীন রাজনৈতিক বাস্তবতা ও নানা সীমাবদ্ধতার কারণে প্রত্যাশিত উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাস্তবায়নের পর্যাপ্ত সুযোগ পাননি। তবে তার সংসদ সদস্যত্বের সময়ে সৈয়দপুর ও কিশোরগঞ্জ এলাকায় গঞ্জভিত্তিক আধা পাকা রাস্তা নির্মাণসহ যোগাযোগ ব্যবস্থার বিভিন্ন উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন হয়। পাশাপাশি এলাকার বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় অবকাঠামোগত উন্নয়নসহ শিক্ষা সংশ্লিষ্ট একাধিক কাজ বাস্তবায়িত হওয়ায় স্থানীয় ভোটারদের মধ্যে তার প্রতি আস্থা তৈরি হয়েছে। অনেক ভোটারের ধারণা, এবার পূর্ণ সুযোগ পেলে তিনি নীলফামারী-৪ আসনের সার্বিক উন্নয়নে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবেন।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সিদ্দিকুল আলম বর্তমানে সৈয়দপুর ও কিশোরগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও পৌর এলাকায় নিয়মিত গণসংযোগ, উঠান বৈঠক এবং মতবিনিময় সভা করছেন। এসব কর্মসূচিতে তিনি যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতের মানোন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং নাগরিক সুবিধা সম্প্রসারণের পরিকল্পনার কথা ভোটারদের সামনে তুলে ধরছেন।

 

এলাকার একাধিক ভোটার বলেন, “তিনি আগে এমপি ছিলেন। তখন নানা সীমাবদ্ধতা থাকলেও গঞ্জ এলাকায় আধা পাকা রাস্তা নির্মাণ এবং স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসার উন্নয়নমূলক কাজ করেছেন। এবার সুযোগ পেলে এলাকার দীর্ঘদিনের সমস্যাগুলো সমাধানে তিনি আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেবেন—এই প্রত্যাশা থেকেই আমরা তাকে সমর্থন দিচ্ছি।”

 

জনমত জরিপে এগিয়ে থাকার বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে জাপা প্রার্থী সিদ্দিকুল আলম বলেন, “আগে জনগণের চাহিদা অনুযায়ী কাজ করার সুযোগ সীমিত ছিল। তবুও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে কিছু কাজ করা সম্ভব হয়েছে। এবার যদি জনগণ আমাকে আবার দায়িত্ব দেন, তাহলে সৈয়দপুর-কিশোরগঞ্জ আসনের উন্নয়নে দৃশ্যমান পরিবর্তন আনতে সর্বাত্মক চেষ্টা করবো।”

 

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মাঠপর্যায়ে সক্রিয় প্রচারণা, পূর্বের সংসদ সদস্য হিসেবে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের অভিজ্ঞতা এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনার কারণেই নীলফামারী-৪ আসনে জনমত জরিপে জাতীয় পার্টির প্রার্থী সিদ্দিকুল আলম এগিয়ে রয়েছেন। তবে নির্বাচনের দিন যত ঘনিয়ে আসবে, প্রতিদ্বন্দ্বিতা আরও জোরালো হতে পারে বলেও তারা মনে করছেন।