ঢাকা , শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
টেকনাফের হোয়াইক্যংয়ে সিএনজির গোপন চেম্বারে ১৩ হাজার ইয়াবা, আটক চালক সরকারি দাপ্তরিক খরচ কমলে শ্রমিকদের ৩০-৪০ হাজার টাকা বেতন দেওয়া সম্ভব: মাসুদুজ্জামান মাসুদ টেকনাফ পৌরসভাকে স্মার্ট পৌরসভা হিসেবে গড়ে তুলতে চাই: সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী সংসারের বোঝা বইতে বৃদ্ধ বারেকের ভরসা জাতীয় ফুল শাপলা নারীর অর্থনৈতিক স্বাধীনতায় শিক্ষা ও কর্মসংস্থান নিশ্চিতের তাগিদ টেকনাফের পাহাড়ে মানবপাচারকারীদের সঙ্গে যৌথ বাহিনীর গোলাগুলি, সেনাসদস্য নিহত পিরোজপুরে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের ৭১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন মাদ্রাসাছাত্র আরিফ হত্যা মামলা: কারাগারে ডিবিসি চেয়ারম্যান ইকবাল সোবহান চৌধুরী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বরণ করতে মোরেলগঞ্জ থেকে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী নিয়ে বাগেরহাটে কেএম মহিউদ্দিন রিপন এআই যেন দেশের বেকারত্ব আরও প্রকট না করে: রাষ্ট্রপতি

অস্ত্রসহ আটক রফিকুল ইসলাম জনি; সন্ত্রাসী মাদক ও মানব পাচারের মূলহোতা

 

কক্সবাজারের উখিয়ায় বিজিবির অভিযানে একটি শর্ট গান ও একটি চাকুসহ রফিকুল ইসলাম প্রকাশ জনি (৩৭) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে।

 

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, রফিকুল ইসলাম জনি টেকনাফ উপজেলার গোদারবিল এলাকার বাসিন্দা। তার পিতা প্রয়াত সিরাজুল ইসলাম। এলাকাবাসীর কাছে তিনি একজন চিহ্নিত অপরাধী হিসেবে পরিচিত।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, রফিকুল ইসলাম জনির বিরুদ্ধে টেকনাফ ও চট্টগ্রামের বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। এর মধ্যে মাদক পাচার আইনে চট্টগ্রামের আকবর শাহ থানার মামলা নম্বর–১৬ (তারিখ: ১০ আগস্ট ২০১৭), টেকনাফ মডেল থানার মামলা নম্বর–৬৮ (তারিখ: ২৫ জানুয়ারি ২০১৭) এবং অপহরণ ও চাঁদাবাজির অভিযোগে টেকনাফ থানার মামলা নম্বর–৬২ (তারিখ: ২৬ মার্চ ২০২৫) বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে।

 

স্থানীয়দের অভিযোগ, রফিকুল ইসলাম জনি একটি সংঘবদ্ধ চক্রের নেতৃত্ব দিয়ে এলাকায় আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শনের মাধ্যমে ভয়ভীতি সৃষ্টি করতেন। তার বিরুদ্ধে রাস্তাঘাটে ছিনতাই, বাড়িঘর থেকে মানুষ অপহরণ করে পাহাড়ে নিয়ে গিয়ে নির্যাতনের মাধ্যমে মুক্তিপণ আদায়, মিয়ানমার সীমান্ত দিয়ে ইয়াবা ট্যাবলেট ও অস্ত্র চোরাচালান, গভীর রাতে সড়ক ডাকাতি এবং রোহিঙ্গাসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষকে প্রলোভন দেখিয়ে সমুদ্রপথে মালয়েশিয়ায় পাচারের অভিযোগ রয়েছে।

 

উখিয়া ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম জানায়, আটক ব্যক্তিকে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে এবং আদালতে হাজির করা হয়েছে।“আটক রফিকুল ইসলাম জনির বিরুদ্ধে সব ধরনের আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ভবিষ্যতেও সীমান্ত এলাকায় সন্ত্রাস, মাদক ও অস্ত্র পাচার রোধে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

 

টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, “আটক ব্যক্তি এবং তার বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখার পর আইন অনুযায়ী প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমাদের লক্ষ্য হলো এলাকায় শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।”

জনপ্রিয়

টেকনাফের হোয়াইক্যংয়ে সিএনজির গোপন চেম্বারে ১৩ হাজার ইয়াবা, আটক চালক

অস্ত্রসহ আটক রফিকুল ইসলাম জনি; সন্ত্রাসী মাদক ও মানব পাচারের মূলহোতা

আপডেট : ০৮:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬

 

কক্সবাজারের উখিয়ায় বিজিবির অভিযানে একটি শর্ট গান ও একটি চাকুসহ রফিকুল ইসলাম প্রকাশ জনি (৩৭) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে।

 

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, রফিকুল ইসলাম জনি টেকনাফ উপজেলার গোদারবিল এলাকার বাসিন্দা। তার পিতা প্রয়াত সিরাজুল ইসলাম। এলাকাবাসীর কাছে তিনি একজন চিহ্নিত অপরাধী হিসেবে পরিচিত।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, রফিকুল ইসলাম জনির বিরুদ্ধে টেকনাফ ও চট্টগ্রামের বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। এর মধ্যে মাদক পাচার আইনে চট্টগ্রামের আকবর শাহ থানার মামলা নম্বর–১৬ (তারিখ: ১০ আগস্ট ২০১৭), টেকনাফ মডেল থানার মামলা নম্বর–৬৮ (তারিখ: ২৫ জানুয়ারি ২০১৭) এবং অপহরণ ও চাঁদাবাজির অভিযোগে টেকনাফ থানার মামলা নম্বর–৬২ (তারিখ: ২৬ মার্চ ২০২৫) বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে।

 

স্থানীয়দের অভিযোগ, রফিকুল ইসলাম জনি একটি সংঘবদ্ধ চক্রের নেতৃত্ব দিয়ে এলাকায় আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শনের মাধ্যমে ভয়ভীতি সৃষ্টি করতেন। তার বিরুদ্ধে রাস্তাঘাটে ছিনতাই, বাড়িঘর থেকে মানুষ অপহরণ করে পাহাড়ে নিয়ে গিয়ে নির্যাতনের মাধ্যমে মুক্তিপণ আদায়, মিয়ানমার সীমান্ত দিয়ে ইয়াবা ট্যাবলেট ও অস্ত্র চোরাচালান, গভীর রাতে সড়ক ডাকাতি এবং রোহিঙ্গাসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষকে প্রলোভন দেখিয়ে সমুদ্রপথে মালয়েশিয়ায় পাচারের অভিযোগ রয়েছে।

 

উখিয়া ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম জানায়, আটক ব্যক্তিকে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে এবং আদালতে হাজির করা হয়েছে।“আটক রফিকুল ইসলাম জনির বিরুদ্ধে সব ধরনের আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ভবিষ্যতেও সীমান্ত এলাকায় সন্ত্রাস, মাদক ও অস্ত্র পাচার রোধে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

 

টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, “আটক ব্যক্তি এবং তার বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখার পর আইন অনুযায়ী প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমাদের লক্ষ্য হলো এলাকায় শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।”