ঢাকা , সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
এশিয়া পোস্টের সম্পাদককে হাজার কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের আইনি নোটিশ মাসুদ সাঈদীর উপকূলের জন্য বিশেষ বরাদ্দ চায় ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরাম বাগেরহাট মায়ানমারে পাচারকালে সেন্টমার্টিনে বিপুল সিমেন্ট জব্দ, আটক ৯ আর কত রামিসাকে হারাতে হবে? রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট আজই, ৫-৭ দিনের মধ্যে বিচার – স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জমকালো আয়োজনে গুরুর বাড়ি কিডস কমিউনিটির বৈশাখী কিডস ফেস্টিভ্যাল অনুষ্ঠিত মোরেলগঞ্জের চিংড়াখালী ইউনিয়নে মৎস্য ভিজিএফ (VGF) চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে আ.লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সিনিয়র আইনজীবী ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন মারা গেছেন টানা ৮ ঘণ্টার বেশি গণপরিবহন চালালেই লাইসেন্স বাতিল ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক করতে প্রস্তুত ২৫১ রেলকোচ

আন্দোলনে ‘আহতদের খোঁজ মেলেনি’, হাসিনাসহ সবাইকে অব্যাহতির সুপারিশ

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা | ফাইল ছবি

 

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সাহেদ আলীসহ ১০ জনকে হত্যাচেষ্টা মামলায় ‘আহতদের হদিস না পেয়ে’ ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১১৩ জনকে অব্যাহতির সুপারিশ করেছে পিবিআই।

 

‘তথ্যগত ভুল’ থাকার কথা উল্লেখ করে গত ৫ নভেম্বর আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়। আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ঠিক রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই আবুল বাশার।

 

আসামিদের মধ্যে রয়েছেন—শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সাবেক মন্ত্রী হাছান মাহমুদ, মোহাম্মদ এ আরাফাত, জুনাইদ আহমেদ পলক, জাহাঙ্গীর কবির নানক, আওয়ামী লীগ নেতা মাহবুব উল আলম হানিফ, শামীম ওসমান, ছাত্রলীগ সভাপতি সাদ্দাম হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান।

 

সরকারের পটপরিবর্তনের পর ২০২৪ সালের ৩ সেপ্টেম্বর ধানমন্ডি থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়।

 

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মধ্যে সীমান্ত স্কয়ার থেকে কাজ শেষে বাসায় ফেরার পথে ৪ অগাস্ট ধানমন্ডি ২৭-এর মীনা বাজারের সামনে আহত হন সাহেদ আলী। সেসময় ঢাকা কলেজ, সিটি কলেজের কয়েকজন শিক্ষার্থীসহ মোট ৯জন আহত হন।

 

এ ঘটনায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১১৩ জনকে আসামি করে মামলা করেন সাহেদের কথিত ভাই শরীফ। থানা পুলিশ মামলার তদন্তকালে চারজনকে গ্রেপ্তার করে। এরপর মামলার তদন্তভার পায় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। তদন্তকালে আহতদের খুঁজে পাননি তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই পরিদর্শক শাহজাহান ভূঞাঁ।

 

জানতে চাইলে পিবিআই কর্মকর্তা শাহজাহান ভূঞাঁ বলেন, “জুলাই আন্দোলনে আহতদের নিয়ে গেজেট হয়েছে। এ মামলায় যে সমস্ত আহতদের কথা বলা হয়েছে, গেজেটে তাদের নাম পাইনি।

 

“তথ্যগত ভুলের কারণে আপাতত আসামিদের অব্যাহতি চেয়ে প্রতিবেদন দিয়েছি। যদি পরবর্তীতে আহতদের তথ্য পাওয়া যায়, পরে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হবে।”

 

বাদী শরীফ এজাহারে উল্লেখ করেন, তার ভাই ছাড়াও ঢাকা কলেজ ও সিটি কলেজের কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হয়। তবে পর্যাপ্ত তথ্য, পূর্ণাঙ্গ নাম-ঠিকানা, ক্লাস রোল না থাকায় কলেজে খুঁজেও তাদের তথ্য পাননি তদন্ত কর্মকর্তা। তদন্ত কর্মকর্তা আশপাশের হাসপাতালেও খবর নেন। তবে মামলায় যেসব আহতের নাম বলা হয়েছে, তারা হাসপাতালে ভর্তি হননি বা চিকিৎসা নেননি।

 

মামলার বাদী শরীফ বলেন, “ওই ঘটনার সময় আমিও সেখানে ছিলাম। আমাকে মারধর করা হয়। অনেকে আহত হয়। জুলাই-অগাস্টের মামলায় পুলিশ সত্যতা পায়নি, বিষয়টা কেমন যেন!

 

“আহতরা বিভিন্ন ফার্মেসি, বিভিন্ন জায়গা থেকে ট্রিটমেন্ট নিয়েছে। আর ওই সময় তো চিকিৎসা নেওয়াটা কেমন ছিল–আমরা সবাই জানি।”

 

মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এজাহারে উল্লেখিত আহত সাহেদ আলী, রাশেদ, জুয়েল, মাহমুদ, নাহিদ, রাসেল, মিরাজ, জান্নাতুল ফেরদৌস নাঈমা, আইশ আক্তার, সাম্মি আক্তারের সন্ধান পাননি তদন্ত কর্মকর্তা। তাদের চিকিৎসা সংক্রান্ত কোনো তথ্য–কোন হাসপাতালে বা ক্লিনিকে বা অন্য কোনো স্থানে চিকিৎসা নিয়েছে কি না তা সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি।

 

আদালত সূত্রে জানা গেছে, এজাহারনামীয় ১১৩ জনের পাশাপাশি আরও দুজনকে সন্দিগ্ধ আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। আহতদের কোনো তথ্য পাওয়ার সম্ভাবনা না থাকায় মোট ১১৫ জনের সবাইকে অব্যাহতি দিতে সুপারিশ করেছেন তদন্ত কর্মকর্তা।

 

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহজাহান ভূঞাঁ মামলার বাদী শরীফের ভাই সাহেদ আলীসহ অন্যান্য আহতদের সন্ধান করার জন্য সীমান্ত স্কয়ার মার্কেট, ঢাকা কলেজ, সিটি কলেজ এবং ঘটনাস্থলের আশেপাশের হাসপাতালে চিঠি দিয়ে প্রতিবেদন সংগ্রহ করেন। বাদীকে নোটিস দিয়ে অনুরোধ করেন তার ভাইকে থানায় হাজির করতে। তবে তাতে সাড়া মেলেনি।

 

তদন্ত কর্মকর্তা শাহজাহানের ভাষ্য, মামলা সংক্রান্ত তথ্যের জন্য বাদীর হাজারীবাগের ভাড়া বাসায় নোটিস পাঠানো হয়। তবে বাড়িওয়ালা জানান, শরীফ নামের কাউকে চেনেন না এবং সেখানে থাকে না। পরে জাতীয় পরিচয়পত্র যাচাই করে বের করেন, বাদীর নাম শরিফুল ইসলাম। লক্ষ¥ীপুর সদরের মান্দারী এলাকার সিরাজুল ইসলামের ছেলে। সেখানে খবর নিলে তাকে কেউ চিনতে পারেননি।

 

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাদীর মোবাইল নম্বর বন্ধ থাকে। তবে হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর কখনো খোলা থাকে, আবার কখনো বন্ধ থাকে। হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করেন তদন্ত কর্মকর্তা। বেশ কয়েকদিন অপেক্ষার পর শরীফ ধানমন্ডি লেকের পাশে তদন্ত কর্মকর্তার সঙ্গে দেখা করেন। তদন্ত কর্মকর্তা ভুক্তভোগীকে হাজির করতে এবং চিকিৎসা সংক্রান্ত কাগজপত্র সরবরাহের অনুরোধ জানান। তবে দীর্ঘদিন পার হলেও তিনি ভুক্তভোগীকে হাজির বা চিকিৎসা সংক্রান্ত কাগজপত্র সরবরাহ করেননি। চিকিৎসা সংক্রান্ত কোনো তথ্য এজাহারেও উল্লেখ করেননি বাদী।

 

তবে মামলার বাদী শরীফ বলেন, “আমি তদন্ত সংস্থার সাথে সাক্ষাৎ করেছি। মামলাটা নিয়ে থ্রেটও এসেছে। আসামিরা থ্রেট দিয়েছে। বিচার চাওয়াটা কি অপরাধ?”

 

এ মামলায় থানা পুলিশ চার আসামিকে গ্রেপ্তার করেছিল। তারা হলেন¬–শাকিল হোসেন ইমরান, কামরুল হাসান ওরফে কামু, মারুফ হোসেন ও মাসুদ রানা বেপারী।

 

কামরুল হাসান ওরফে কামুর আইনজীবী পীযূষ কান্তি বলেন, “আমার আসামি হয়রানির শিকার হল। আদালতকে আমরা বিষয়টা বলেছি। বোঝানোর চেষ্টা করেছি। আদালতও পরিস্থিতির শিকার।”

জনপ্রিয়

এশিয়া পোস্টের সম্পাদককে হাজার কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের আইনি নোটিশ মাসুদ সাঈদীর

আন্দোলনে ‘আহতদের খোঁজ মেলেনি’, হাসিনাসহ সবাইকে অব্যাহতির সুপারিশ

আপডেট : ০৪:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা | ফাইল ছবি

 

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সাহেদ আলীসহ ১০ জনকে হত্যাচেষ্টা মামলায় ‘আহতদের হদিস না পেয়ে’ ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১১৩ জনকে অব্যাহতির সুপারিশ করেছে পিবিআই।

 

‘তথ্যগত ভুল’ থাকার কথা উল্লেখ করে গত ৫ নভেম্বর আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়। আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ঠিক রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই আবুল বাশার।

 

আসামিদের মধ্যে রয়েছেন—শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সাবেক মন্ত্রী হাছান মাহমুদ, মোহাম্মদ এ আরাফাত, জুনাইদ আহমেদ পলক, জাহাঙ্গীর কবির নানক, আওয়ামী লীগ নেতা মাহবুব উল আলম হানিফ, শামীম ওসমান, ছাত্রলীগ সভাপতি সাদ্দাম হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান।

 

সরকারের পটপরিবর্তনের পর ২০২৪ সালের ৩ সেপ্টেম্বর ধানমন্ডি থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়।

 

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মধ্যে সীমান্ত স্কয়ার থেকে কাজ শেষে বাসায় ফেরার পথে ৪ অগাস্ট ধানমন্ডি ২৭-এর মীনা বাজারের সামনে আহত হন সাহেদ আলী। সেসময় ঢাকা কলেজ, সিটি কলেজের কয়েকজন শিক্ষার্থীসহ মোট ৯জন আহত হন।

 

এ ঘটনায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১১৩ জনকে আসামি করে মামলা করেন সাহেদের কথিত ভাই শরীফ। থানা পুলিশ মামলার তদন্তকালে চারজনকে গ্রেপ্তার করে। এরপর মামলার তদন্তভার পায় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। তদন্তকালে আহতদের খুঁজে পাননি তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই পরিদর্শক শাহজাহান ভূঞাঁ।

 

জানতে চাইলে পিবিআই কর্মকর্তা শাহজাহান ভূঞাঁ বলেন, “জুলাই আন্দোলনে আহতদের নিয়ে গেজেট হয়েছে। এ মামলায় যে সমস্ত আহতদের কথা বলা হয়েছে, গেজেটে তাদের নাম পাইনি।

 

“তথ্যগত ভুলের কারণে আপাতত আসামিদের অব্যাহতি চেয়ে প্রতিবেদন দিয়েছি। যদি পরবর্তীতে আহতদের তথ্য পাওয়া যায়, পরে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হবে।”

 

বাদী শরীফ এজাহারে উল্লেখ করেন, তার ভাই ছাড়াও ঢাকা কলেজ ও সিটি কলেজের কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হয়। তবে পর্যাপ্ত তথ্য, পূর্ণাঙ্গ নাম-ঠিকানা, ক্লাস রোল না থাকায় কলেজে খুঁজেও তাদের তথ্য পাননি তদন্ত কর্মকর্তা। তদন্ত কর্মকর্তা আশপাশের হাসপাতালেও খবর নেন। তবে মামলায় যেসব আহতের নাম বলা হয়েছে, তারা হাসপাতালে ভর্তি হননি বা চিকিৎসা নেননি।

 

মামলার বাদী শরীফ বলেন, “ওই ঘটনার সময় আমিও সেখানে ছিলাম। আমাকে মারধর করা হয়। অনেকে আহত হয়। জুলাই-অগাস্টের মামলায় পুলিশ সত্যতা পায়নি, বিষয়টা কেমন যেন!

 

“আহতরা বিভিন্ন ফার্মেসি, বিভিন্ন জায়গা থেকে ট্রিটমেন্ট নিয়েছে। আর ওই সময় তো চিকিৎসা নেওয়াটা কেমন ছিল–আমরা সবাই জানি।”

 

মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এজাহারে উল্লেখিত আহত সাহেদ আলী, রাশেদ, জুয়েল, মাহমুদ, নাহিদ, রাসেল, মিরাজ, জান্নাতুল ফেরদৌস নাঈমা, আইশ আক্তার, সাম্মি আক্তারের সন্ধান পাননি তদন্ত কর্মকর্তা। তাদের চিকিৎসা সংক্রান্ত কোনো তথ্য–কোন হাসপাতালে বা ক্লিনিকে বা অন্য কোনো স্থানে চিকিৎসা নিয়েছে কি না তা সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি।

 

আদালত সূত্রে জানা গেছে, এজাহারনামীয় ১১৩ জনের পাশাপাশি আরও দুজনকে সন্দিগ্ধ আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। আহতদের কোনো তথ্য পাওয়ার সম্ভাবনা না থাকায় মোট ১১৫ জনের সবাইকে অব্যাহতি দিতে সুপারিশ করেছেন তদন্ত কর্মকর্তা।

 

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহজাহান ভূঞাঁ মামলার বাদী শরীফের ভাই সাহেদ আলীসহ অন্যান্য আহতদের সন্ধান করার জন্য সীমান্ত স্কয়ার মার্কেট, ঢাকা কলেজ, সিটি কলেজ এবং ঘটনাস্থলের আশেপাশের হাসপাতালে চিঠি দিয়ে প্রতিবেদন সংগ্রহ করেন। বাদীকে নোটিস দিয়ে অনুরোধ করেন তার ভাইকে থানায় হাজির করতে। তবে তাতে সাড়া মেলেনি।

 

তদন্ত কর্মকর্তা শাহজাহানের ভাষ্য, মামলা সংক্রান্ত তথ্যের জন্য বাদীর হাজারীবাগের ভাড়া বাসায় নোটিস পাঠানো হয়। তবে বাড়িওয়ালা জানান, শরীফ নামের কাউকে চেনেন না এবং সেখানে থাকে না। পরে জাতীয় পরিচয়পত্র যাচাই করে বের করেন, বাদীর নাম শরিফুল ইসলাম। লক্ষ¥ীপুর সদরের মান্দারী এলাকার সিরাজুল ইসলামের ছেলে। সেখানে খবর নিলে তাকে কেউ চিনতে পারেননি।

 

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাদীর মোবাইল নম্বর বন্ধ থাকে। তবে হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর কখনো খোলা থাকে, আবার কখনো বন্ধ থাকে। হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করেন তদন্ত কর্মকর্তা। বেশ কয়েকদিন অপেক্ষার পর শরীফ ধানমন্ডি লেকের পাশে তদন্ত কর্মকর্তার সঙ্গে দেখা করেন। তদন্ত কর্মকর্তা ভুক্তভোগীকে হাজির করতে এবং চিকিৎসা সংক্রান্ত কাগজপত্র সরবরাহের অনুরোধ জানান। তবে দীর্ঘদিন পার হলেও তিনি ভুক্তভোগীকে হাজির বা চিকিৎসা সংক্রান্ত কাগজপত্র সরবরাহ করেননি। চিকিৎসা সংক্রান্ত কোনো তথ্য এজাহারেও উল্লেখ করেননি বাদী।

 

তবে মামলার বাদী শরীফ বলেন, “আমি তদন্ত সংস্থার সাথে সাক্ষাৎ করেছি। মামলাটা নিয়ে থ্রেটও এসেছে। আসামিরা থ্রেট দিয়েছে। বিচার চাওয়াটা কি অপরাধ?”

 

এ মামলায় থানা পুলিশ চার আসামিকে গ্রেপ্তার করেছিল। তারা হলেন¬–শাকিল হোসেন ইমরান, কামরুল হাসান ওরফে কামু, মারুফ হোসেন ও মাসুদ রানা বেপারী।

 

কামরুল হাসান ওরফে কামুর আইনজীবী পীযূষ কান্তি বলেন, “আমার আসামি হয়রানির শিকার হল। আদালতকে আমরা বিষয়টা বলেছি। বোঝানোর চেষ্টা করেছি। আদালতও পরিস্থিতির শিকার।”