ঢাকা , সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
টাঙ্গাইলে ট্রাক উল্টে নিহত ১৫ জনের বাড়ি রাজশাহী এশিয়া পোস্টের সম্পাদককে হাজার কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের আইনি নোটিশ মাসুদ সাঈদীর উপকূলের জন্য বিশেষ বরাদ্দ চায় ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরাম বাগেরহাট মায়ানমারে পাচারকালে সেন্টমার্টিনে বিপুল সিমেন্ট জব্দ, আটক ৯ আর কত রামিসাকে হারাতে হবে? রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট আজই, ৫-৭ দিনের মধ্যে বিচার – স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জমকালো আয়োজনে গুরুর বাড়ি কিডস কমিউনিটির বৈশাখী কিডস ফেস্টিভ্যাল অনুষ্ঠিত মোরেলগঞ্জের চিংড়াখালী ইউনিয়নে মৎস্য ভিজিএফ (VGF) চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে আ.লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সিনিয়র আইনজীবী ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন মারা গেছেন টানা ৮ ঘণ্টার বেশি গণপরিবহন চালালেই লাইসেন্স বাতিল

বাগেরহাটের তিনটি আসনের মনোনয়ন ফরম কিনলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ এইচ সেলিম

 

ত্রয়োদশ  জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের লক্ষ্যে বাগেরহাট-১, বাগেরহাট-২ ও বাগেরহাট-৪ আসন থেকে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন সাবেক সংসদ সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ এইচ সেলিম।

 

সোমবার (২২ ডিসেম্বর) দুপুরে বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে তাঁর পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন বড় ছেলে মেহেদী হাসান প্রিন্স।

 

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার মোত্তালেব হোসেন। তিনি বলেন , এম এ এইচ সেলিমের পক্ষে বাগেরহাট-১ (ফকিরহাট-মোল্লাহাট-চিতলমারী), বাগেরহাট-২ (সদর-কচুয়া) ও বাগেরহাট-৪ (শরণখোলা-মোরেলগঞ্জ) আসনের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা হয়েছে।

 

প্রসঙ্গত, সিলভার লাইন গ্রুপের কর্ণধার বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ এইচ সেলিম বাগেরহাট সদর উপজেলার মুক্ষাইট গ্রামের বাসিন্দা। নব্বইয়ের দশকের শেষভাগে তিনি বাগেরহাটের রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন এবং পরবর্তীতে জেলা বিএনপির সভাপতি নির্বাচিত হন।

 

২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনার চাচাতো ভাই ও প্রভাবশালী নেতা শেখ হেলাল উদ্দিনকে পরাজিত করে বাগেরহাট-২ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। সংসদ সদস্য থাকাকালীন সময়ে তিনি বাগেরহাটের সার্বিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তাঁর সময়েই মুনিগঞ্জ সেতু, শহররক্ষা বাঁধ, মাজেদা বেগম কৃষি প্রযুক্তি কলেজ, বেলায়েত হোসেন ডিগ্রি কলেজসহ একাধিক শিক্ষা ও অবকাঠামোগত প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠায় ব্যাপক অবদান রাখেন।

 

বিএনপি ক্ষমতা হারানোর পর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে তিনি জেলা বিএনপির সভাপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেন। এরপর দীর্ঘদিন রাজনৈতিক প্রতিকূলতা ও আওয়ামী লীগের রোষানলে পড়ে রাজনীতির বাইরে ছিলেন। দীর্ঘ বিরতির পর তাঁর রাজনীতিতে প্রত্যাবর্তনের ঘোষণায় বাগেরহাটের রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় রাজনীতিতে তৈরি হয়েছে নতুন মেরুকরণ। তাঁর ফিরে আসাকে স্বাগত জানিয়েছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

 

এ বিষয়ে এম এ এইচ সেলিম বলেন, বাগেরহাটের জনগণের প্রতি আমার দায়বদ্ধতা অপরিসীম। আমার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে এই অঞ্চলে শিল্পায়ন, তরুণদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং স্বাস্থ্য ও শিক্ষাব্যবস্থার আধুনিকায়নে কাজ করতে চাই। আমি রাজনীতিকে জনগণের সেবা করার মাধ্যম হিসেবেই দেখি। তিনি আরও বলেন, আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে স্থানীয় অবকাঠামো উন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে একটি সুদূরপ্রসারী অর্থনৈতিক রূপরেখা প্রণয়নের কাজ ইতোমধ্যেই শুরু হয়েছে।

 

এ বিষয়ে তাঁর বড় ছেলে মেহেদী হাসান প্রিন্স বলেন, আমরা বাবার পক্ষ থেকে বাগেরহাট-১, ২ ও ৪ আসনের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছি। আমরা চাই মানুষের সেবা করতে। আপনারা সবাই আমাদের জন্য দোয়া করবেন, যাতে জনগণের পাশে থেকে কাজ করতে পারি।

জনপ্রিয়

টাঙ্গাইলে ট্রাক উল্টে নিহত ১৫ জনের বাড়ি রাজশাহী

বাগেরহাটের তিনটি আসনের মনোনয়ন ফরম কিনলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ এইচ সেলিম

আপডেট : ০৩:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২৫

 

ত্রয়োদশ  জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের লক্ষ্যে বাগেরহাট-১, বাগেরহাট-২ ও বাগেরহাট-৪ আসন থেকে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন সাবেক সংসদ সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ এইচ সেলিম।

 

সোমবার (২২ ডিসেম্বর) দুপুরে বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে তাঁর পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন বড় ছেলে মেহেদী হাসান প্রিন্স।

 

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার মোত্তালেব হোসেন। তিনি বলেন , এম এ এইচ সেলিমের পক্ষে বাগেরহাট-১ (ফকিরহাট-মোল্লাহাট-চিতলমারী), বাগেরহাট-২ (সদর-কচুয়া) ও বাগেরহাট-৪ (শরণখোলা-মোরেলগঞ্জ) আসনের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা হয়েছে।

 

প্রসঙ্গত, সিলভার লাইন গ্রুপের কর্ণধার বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ এইচ সেলিম বাগেরহাট সদর উপজেলার মুক্ষাইট গ্রামের বাসিন্দা। নব্বইয়ের দশকের শেষভাগে তিনি বাগেরহাটের রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন এবং পরবর্তীতে জেলা বিএনপির সভাপতি নির্বাচিত হন।

 

২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনার চাচাতো ভাই ও প্রভাবশালী নেতা শেখ হেলাল উদ্দিনকে পরাজিত করে বাগেরহাট-২ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। সংসদ সদস্য থাকাকালীন সময়ে তিনি বাগেরহাটের সার্বিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তাঁর সময়েই মুনিগঞ্জ সেতু, শহররক্ষা বাঁধ, মাজেদা বেগম কৃষি প্রযুক্তি কলেজ, বেলায়েত হোসেন ডিগ্রি কলেজসহ একাধিক শিক্ষা ও অবকাঠামোগত প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠায় ব্যাপক অবদান রাখেন।

 

বিএনপি ক্ষমতা হারানোর পর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে তিনি জেলা বিএনপির সভাপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেন। এরপর দীর্ঘদিন রাজনৈতিক প্রতিকূলতা ও আওয়ামী লীগের রোষানলে পড়ে রাজনীতির বাইরে ছিলেন। দীর্ঘ বিরতির পর তাঁর রাজনীতিতে প্রত্যাবর্তনের ঘোষণায় বাগেরহাটের রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় রাজনীতিতে তৈরি হয়েছে নতুন মেরুকরণ। তাঁর ফিরে আসাকে স্বাগত জানিয়েছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

 

এ বিষয়ে এম এ এইচ সেলিম বলেন, বাগেরহাটের জনগণের প্রতি আমার দায়বদ্ধতা অপরিসীম। আমার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে এই অঞ্চলে শিল্পায়ন, তরুণদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং স্বাস্থ্য ও শিক্ষাব্যবস্থার আধুনিকায়নে কাজ করতে চাই। আমি রাজনীতিকে জনগণের সেবা করার মাধ্যম হিসেবেই দেখি। তিনি আরও বলেন, আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে স্থানীয় অবকাঠামো উন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে একটি সুদূরপ্রসারী অর্থনৈতিক রূপরেখা প্রণয়নের কাজ ইতোমধ্যেই শুরু হয়েছে।

 

এ বিষয়ে তাঁর বড় ছেলে মেহেদী হাসান প্রিন্স বলেন, আমরা বাবার পক্ষ থেকে বাগেরহাট-১, ২ ও ৪ আসনের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছি। আমরা চাই মানুষের সেবা করতে। আপনারা সবাই আমাদের জন্য দোয়া করবেন, যাতে জনগণের পাশে থেকে কাজ করতে পারি।