বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে নাশকতা ও হামলার অভিযোগে সাবেক এমপি ও সাবেক পৌর মেয়রসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, কৃষকলীগ, শ্রমিকলীগ ও তাঁতীলীগের মোট ৯৭ জন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। শুক্রবার দিবাগত মধ্যরাতে মো. নুর ইসলামের ছেলে আব্দুর রহিম বাদী হয়ে এই মামলা দায়ের করেন। মামলা নং ১০ তাং ২২/১১/২৫।
মামলায় প্রধান আসামি করা হয়েছে মোরেলগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র অ্যাড. মনিরুল হক তালুকদারকে। দ্বিতীয় আসামি সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাড. আমিরুল আলম মিলন।
এছাড়া মামলার এজাহারভুক্ত অন্যান্য উল্লেখযোগ্য আসামির মধ্যে রয়েছেন—অ্যাড. তাজিনুর রহমান পলাশ, হারুনর রশিদ, আলমগীর হোসেন বাদশা, ফারুক খান, আরিফুজ্জামান আরিফ, অ্যাড. গোলাম কিবরিয়া তারিক, সাইফুল শেখ, মহিদুজ্জামান মহিদ, নুরুন্নবী পরাগ, হাসিব খান, ওবায়দুল ইসলাম টিটু, কমিশনার সূজন, মোস্তাক বিল্লাহ রূপম, রাজ্জাক, মাহমুদুল হাসান জুয়েল, এনায়েত করিম রাজীব, ইলিয়াস হোসেন দুলাল ও ফারুক চৌকিদারসহ অন্যরা। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ১২০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
এজাহারে বলা হয়েছে, ৩ আগস্ট “২৪-এর আন্দোলন” চলাকালে মোরেলগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড এলাকায় আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা ও বাধা দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে।
যদিও মামলাটি শুক্রবার রাতে দায়ের করা হয়, তবে রোবদবার (২৩ নভেম্বর) বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে তুমুল আলোচনা, সমালোচনা ও তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়। চায়ের দোকান থেকে শুরু করে সামাজিক বিভিন্ন মহলে এ নিয়ে চলছে নানামুখী প্রতিক্রিয়া।
এ বিষয়ে মোরেলগঞ্জ থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই ভবতোষ রায় বলেন, “১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনসহ একাধিক ধারায় মামলাটি রুজু হয়েছে। মামলার আসামি মোট ৯৭ জন। এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা হয়নি।”
ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

মোরেলগঞ্জ (বাগেরহাট) প্রতিনিধিঃ 



















