জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৩ আসামির বিরুদ্ধে করা মামলার রায় ঘোষণার সম্ভাব্য তারিখ আগামী ১৩ নভেম্বর নির্ধারণ করেছেন আদালত। রায়ের দিন সর্বোচ্চ শক্তি নিয়ে মাঠে থাকবে আওয়ামী লীগ ও দলটির অঙ্গ, সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। দলটির এমন প্রস্তুতি প্রতিহত ও মোকাবিলার জন্য ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে পুলিশও। সেই লক্ষ্যে গ্রেপ্তার বাড়ানোসহ যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ৫০টি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের (ওসি) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সদর দপ্তর থেকে।
শনিবার (৮ নভেম্বর) পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া অ্যান্ড পিআর) এ এইচ এম শাহাদাত হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ঠিক রাখতে প্রয়োজনীয় নজরদারি ও আগাম তথ্যের ভিত্তিতে গোয়েন্দা তৎপরতা আছে। অবৈধ কর্মকাণ্ড, নাশকতা বা সংঘর্ষের চেষ্টা হলে তাৎক্ষণিক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে কয়েক দিন ধরে বিভিন্ন ফেসবুক পেজে গণ-অভ্যুত্থানে পালিয়ে যাওয়া আওয়ামী লীগের শীর্ষ পর্যায়ের কয়েকজন নেতা ঢাকা শহরে বিশৃঙ্খলা ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাওয়ার জন্য তাদের কর্মীদের নির্দেশনা দিচ্ছেন। তারা ফেসবুক পেজে ভিডিও বার্তায় সড়কে ব্লকেডের হুমকিও দিচ্ছেন।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের এক কর্মকর্তা বলেন, প্রতিদিনই যখন ঝটিকা মিছিল করার সময় ও প্রস্তুতির সময়, ফ্যাসিবাদী লোকজনদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। পুলিশ সব সময় তৎপর আছে।
যদিও নতুন করে কিছু কথাবার্তা ফেসবুক পেজে ছড়ানো হচ্ছে, সেই পেজগুলো গোয়েন্দা নজরদারিতে নেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, সব বিষয় নিয়ে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে। পুলিশের সব বিভাগ থেকেই বিশেষ অভিযান সব সময় চলমান থাকে। এ অভিযানের লোকজন সব সময় তৎপর থাকে।
এগুলো নতুন কিছু নয়। পুলিশ সজাগ আছে ২৪ ঘণ্টা, সামনেও সজাগ থাকবে ২৪ ঘণ্টাই। দেশের কল্যাণে জনগণের নিরাপত্তা দেওয়াই পুলিশের কাজ।

ডেস্ক রিপোর্টঃ 



















