ঢাকা , শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
ইস্তানবুল হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টের চেয়ারম্যান মাসুদ সাঈদী, এমপি- বিদেশ সফর শেষে দেশে ফিরলে বিমানবন্দরে উষ্ণ অভ্যর্থনা প্রধানমন্ত্রীর সাথে মার্কিন বিশেষ দূত সার্জিও গরের সাক্ষাৎ: দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও পারস্পরিক সহযোগিতার তাগিদ জলঢাকায় ৮ম শ্রেণির ছাত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যু: নেপথ্যে বখাটেদের মারধর ও মা-বাবার নির্যাতন! ​ বাগেরহাট জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন: দিপু সভাপতি, জালাল সম্পাদক নির্বাচিত টেকনাফে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ৬ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবাসহ আটক ২ হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির ১০ নেতার বিরুদ্ধে মামলা, আসামি সারজিস ও নাসীরুদ্দীন আজ উৎসবমুখর পরিবেশে জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন নির্বাচন-২০২৬ বাগেরহাটে নাগরিক ফোরামের সভা অনুষ্ঠিত পিরোজপুরে ইসলামি যুব আন্দোলন বাংলাদেশের ১০ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত খাল খননে ১ কোটি ২ লাখ টাকা সাশ্রয়, রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত দিলেন চরফ্যাশনের ইউএনও

জবি প্রাণিবিদ্যা বিভাগের চেয়ারম্যানের কক্ষ থেকে সরলো শেখ মুজিবের ছবি

সংগৃহীত ছবি

 

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) প্রাণিবিদ্যা বিভাগের চেয়ারম্যানের কক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি অপসারণ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল।

 

সোমবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রবিউল ইসলামের নেতৃত্বে সংগঠনের নেতাকর্মীরা ছবিটি সরিয়ে ফেলেন।

 

ছবি অপসারণের কারণ ব্যাখ্যা করে জবি ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রবিউল ইসলাম বলেন, ‘শেখ মুজিব ছিলেন বাকশালের প্রবক্তা। তার ধারাবাহিকতায় শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ গত ১৫ বছরে দেশে ফ্যাসিবাদী শাসন কায়েম করেছে। আওয়ামী লীগ শেখ মুজিবকে তাদের প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করছে। আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ফ্যাসিবাদের প্রতীক কোনো ছবি রাখতে দেবো না। তাই আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে এই ছবি অপসারণ করেছি।’

 

এ বিষয়ে প্রাণিবিদ্যা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ আল মাসুদ বলেন, ‘শেখ মুজিবের ছবি রাখা বা অপসারণের বিষয়ে আমার ব্যক্তিগত কোনো মতামত নেই। আমি সাংবিধানিক নীতিকে শ্রদ্ধা করি এবং তা অনুসরণ করার চেষ্টা করি। প্রশাসন বা উপাচার্যের নির্দেশনা ছাড়া আমি নিজে ছবি অপসারণ করতে পারি না। তবে শিক্ষার্থীরা যদি ছবি সরিয়ে ফেলে, সেটি তাদের সিদ্ধান্ত। আমি আইন ভঙ্গ করে কোনো পদক্ষেপ নেবো না।’

 

প্রসঙ্গত, জুলাই অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে ছাত্র-জনতার ক্ষোভের মুখে দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, অফিস ও আদালত থেকে শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি সরিয়ে ফেলা হয়। একইভাবে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়েরও বিভিন্ন বিভাগ ও ইনস্টিটিউট থেকে শেখ মুজিব ও শেখ হাসিনার ছবি নামানো হয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় প্রাণিবিদ্যা বিভাগের চেয়ারম্যানের কক্ষে টানানো ছবিটি নিয়েও নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে।

ইস্তানবুল হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টের চেয়ারম্যান মাসুদ সাঈদী, এমপি- বিদেশ সফর শেষে দেশে ফিরলে বিমানবন্দরে উষ্ণ অভ্যর্থনা

জবি প্রাণিবিদ্যা বিভাগের চেয়ারম্যানের কক্ষ থেকে সরলো শেখ মুজিবের ছবি

আপডেট : ০৯:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৫
সংগৃহীত ছবি

 

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) প্রাণিবিদ্যা বিভাগের চেয়ারম্যানের কক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি অপসারণ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল।

 

সোমবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রবিউল ইসলামের নেতৃত্বে সংগঠনের নেতাকর্মীরা ছবিটি সরিয়ে ফেলেন।

 

ছবি অপসারণের কারণ ব্যাখ্যা করে জবি ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রবিউল ইসলাম বলেন, ‘শেখ মুজিব ছিলেন বাকশালের প্রবক্তা। তার ধারাবাহিকতায় শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ গত ১৫ বছরে দেশে ফ্যাসিবাদী শাসন কায়েম করেছে। আওয়ামী লীগ শেখ মুজিবকে তাদের প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করছে। আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ফ্যাসিবাদের প্রতীক কোনো ছবি রাখতে দেবো না। তাই আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে এই ছবি অপসারণ করেছি।’

 

এ বিষয়ে প্রাণিবিদ্যা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ আল মাসুদ বলেন, ‘শেখ মুজিবের ছবি রাখা বা অপসারণের বিষয়ে আমার ব্যক্তিগত কোনো মতামত নেই। আমি সাংবিধানিক নীতিকে শ্রদ্ধা করি এবং তা অনুসরণ করার চেষ্টা করি। প্রশাসন বা উপাচার্যের নির্দেশনা ছাড়া আমি নিজে ছবি অপসারণ করতে পারি না। তবে শিক্ষার্থীরা যদি ছবি সরিয়ে ফেলে, সেটি তাদের সিদ্ধান্ত। আমি আইন ভঙ্গ করে কোনো পদক্ষেপ নেবো না।’

 

প্রসঙ্গত, জুলাই অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে ছাত্র-জনতার ক্ষোভের মুখে দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, অফিস ও আদালত থেকে শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি সরিয়ে ফেলা হয়। একইভাবে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়েরও বিভিন্ন বিভাগ ও ইনস্টিটিউট থেকে শেখ মুজিব ও শেখ হাসিনার ছবি নামানো হয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় প্রাণিবিদ্যা বিভাগের চেয়ারম্যানের কক্ষে টানানো ছবিটি নিয়েও নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে।