ঢাকা , বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
রামপাল নাগরিক ফোরামের সভা ও প্রকল্পের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নির্ধারণে কর্মশালা অনুষ্ঠিত ​ নভেম্বর থেকে কর্মী যাবে মালয়েশিয়ায়, খরচ জানালেন প্রতিমন্ত্রী পিরোজপুরে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উদযাপন বাগেরহাট বিআরটিএ কার্যালয়ে দুদকের অভিযান, মিলেছে অনিয়মের তথ্য তেলবাহী ট্যাংকারের ধাক্কায় মোংলায় কয়লাবোঝাই কার্গো জাহাজ ডুবি অর্থাভাবে অনিশ্চিত এসএসসি, শুভকে সহায়তা করল এবিজি ফাউন্ডেশন মোরেলগঞ্জে খাল থেকে উদ্ধার মরদেহের পরিচয় মিলেছে, নিহত কিশোর মফিজুল পিরোজপুরে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে র‍্যালি ও সমাবেশ যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বাগেরহাটে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও সমাবেশ নবাগত জেলা প্রশাসকের সাথে জলঢাকার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও সুশীল সমাজের পরিচিতি ও মতবিনিময়

আন্দোলনে প্রথম শহীদ আবু সাঈদ নয়, ওয়াসিম আকরাম: মেয়র শাহাদাত

মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন | ফাইল ছবি

 

জুলাই আন্দোলনে দেশের প্রথম শহীদ হিসেবে আবু সাঈদ নয়, ছাত্রদল কর্মী ওয়াসিম আকরাম বলে দাবি করেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ও বিএনপি নেতা ডা. শাহাদাত হোসেন।

 

তিনি বলেছেন, আমি শহীদ আবু সাঈদের অবদান কখনোই অস্বীকার করি না। তবে ঘটনার নিরিখে যদি সময় অনুযায়ী বিচার করি, তাহলে প্রথম শহীদ হচ্ছেন ছাত্রদলের ওয়াসিম আকরাম। তিনি ১৬ জুলাই বিকেল সাড়ে ৪টা থেকে ৫টার মধ্যে গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। আর আবু সাঈদের মৃত্যুর সময় রাত।

 

শনিবার (২৬ জুলাই) বিকেলে চট্টগ্রাম নগরের জিইসি কনভেনশন সেন্টারে ‘জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান’-এর বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবীদের বিভাগীয় সমাবেশে এ কথা বলেন তিনি।

 

ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, ওয়াসিম আন্দোলনের সাহসী সৈনিক। মৃত্যুর কিছুক্ষণ আগেই মুরাদপুরে গিয়ে ওয়াসিম আন্দোলনের ছবি আমার ইনবক্সে পাঠান। তার সঙ্গে আরও কয়েকজন ছাত্রদল কর্মী ছিলেন। সেই ছবি আজও আমার কাছে আছে। আমরা যখন কারাগারে ছিলাম, তখন ব্যক্তিগত কোনো কারণে নয়, আন্দোলনের কারণেই ছিলাম। এসব শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো আমাদের দায়িত্ব।

 

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে ওয়াসিমের নাম না থাকায় সেখানে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, ওই অনুষ্ঠানে শহীদ ওয়াসিম আকরামের কোনো ছবি বা নাম ছিল না। আমি তখনই বলেছি, যেখানে শহীদ ওয়াসিম নেই, আমি সেখানে যাই না। ইতিহাস বিকৃতি আমি মেনে নিতে পারি না।

 

মেয়র বলেন, শেখ হাসিনা পালিয়ে না গেলেও ১৬ বছর বিএনপি যেভাবে আন্দোলন করেছিল, সেভাবে তারা তাদের আন্দোলন চলমান রাখত। ৮৬ সালেও ছাত্র-জনতা কঠোর আন্দোলন করেছিল। সময়ের প্রেক্ষাপটে আমরা মনে করি, তারেক রহমানে যেভাবে নেতৃত্ব দিচ্ছেন, ফলে আগামীতে বিএনপির নিরঙ্কুশ জয় নিয়ে ক্ষমতায় আসবে। আগামীতে বাংলাদেশের জনগণকে সঙ্গে নিয়ে তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন বাংলাদেশ গঠন করা হবে।

 

ডা. শাহাদাত বলেন, ওয়াসিম আকরামের নামে একটা ফ্লাইওভার হয়েছে। সিটি করপোরেশন থেকে একটি পার্ক করা হবে। ওয়াসিম আকরামরা সারা দেশের মানুষের মনে থাকবে। ওয়াসিমের মতো শহীদদের স্মৃতি ধরে রাখাটাই আমাদের রাজনৈতিক ও নৈতিক দায়িত্ব।

 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের চট্টগ্রাম বিভাগের আহ্বায়ক জাহিদুল করিম কচির সভাপতিত্বে এতে প্রধান বক্তা ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

 

এছাড়া সমাবেশে বিএনপি, ডক্টরস ফোরাম, ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন, অ্যাডভোকেট ফোরামসহ বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের নেতারা অংশ নেন।

জনপ্রিয়

রামপাল নাগরিক ফোরামের সভা ও প্রকল্পের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নির্ধারণে কর্মশালা অনুষ্ঠিত ​

আন্দোলনে প্রথম শহীদ আবু সাঈদ নয়, ওয়াসিম আকরাম: মেয়র শাহাদাত

আপডেট : ১০:৩৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ জুলাই ২০২৫
মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন | ফাইল ছবি

 

জুলাই আন্দোলনে দেশের প্রথম শহীদ হিসেবে আবু সাঈদ নয়, ছাত্রদল কর্মী ওয়াসিম আকরাম বলে দাবি করেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ও বিএনপি নেতা ডা. শাহাদাত হোসেন।

 

তিনি বলেছেন, আমি শহীদ আবু সাঈদের অবদান কখনোই অস্বীকার করি না। তবে ঘটনার নিরিখে যদি সময় অনুযায়ী বিচার করি, তাহলে প্রথম শহীদ হচ্ছেন ছাত্রদলের ওয়াসিম আকরাম। তিনি ১৬ জুলাই বিকেল সাড়ে ৪টা থেকে ৫টার মধ্যে গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। আর আবু সাঈদের মৃত্যুর সময় রাত।

 

শনিবার (২৬ জুলাই) বিকেলে চট্টগ্রাম নগরের জিইসি কনভেনশন সেন্টারে ‘জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান’-এর বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবীদের বিভাগীয় সমাবেশে এ কথা বলেন তিনি।

 

ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, ওয়াসিম আন্দোলনের সাহসী সৈনিক। মৃত্যুর কিছুক্ষণ আগেই মুরাদপুরে গিয়ে ওয়াসিম আন্দোলনের ছবি আমার ইনবক্সে পাঠান। তার সঙ্গে আরও কয়েকজন ছাত্রদল কর্মী ছিলেন। সেই ছবি আজও আমার কাছে আছে। আমরা যখন কারাগারে ছিলাম, তখন ব্যক্তিগত কোনো কারণে নয়, আন্দোলনের কারণেই ছিলাম। এসব শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো আমাদের দায়িত্ব।

 

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে ওয়াসিমের নাম না থাকায় সেখানে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, ওই অনুষ্ঠানে শহীদ ওয়াসিম আকরামের কোনো ছবি বা নাম ছিল না। আমি তখনই বলেছি, যেখানে শহীদ ওয়াসিম নেই, আমি সেখানে যাই না। ইতিহাস বিকৃতি আমি মেনে নিতে পারি না।

 

মেয়র বলেন, শেখ হাসিনা পালিয়ে না গেলেও ১৬ বছর বিএনপি যেভাবে আন্দোলন করেছিল, সেভাবে তারা তাদের আন্দোলন চলমান রাখত। ৮৬ সালেও ছাত্র-জনতা কঠোর আন্দোলন করেছিল। সময়ের প্রেক্ষাপটে আমরা মনে করি, তারেক রহমানে যেভাবে নেতৃত্ব দিচ্ছেন, ফলে আগামীতে বিএনপির নিরঙ্কুশ জয় নিয়ে ক্ষমতায় আসবে। আগামীতে বাংলাদেশের জনগণকে সঙ্গে নিয়ে তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন বাংলাদেশ গঠন করা হবে।

 

ডা. শাহাদাত বলেন, ওয়াসিম আকরামের নামে একটা ফ্লাইওভার হয়েছে। সিটি করপোরেশন থেকে একটি পার্ক করা হবে। ওয়াসিম আকরামরা সারা দেশের মানুষের মনে থাকবে। ওয়াসিমের মতো শহীদদের স্মৃতি ধরে রাখাটাই আমাদের রাজনৈতিক ও নৈতিক দায়িত্ব।

 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের চট্টগ্রাম বিভাগের আহ্বায়ক জাহিদুল করিম কচির সভাপতিত্বে এতে প্রধান বক্তা ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

 

এছাড়া সমাবেশে বিএনপি, ডক্টরস ফোরাম, ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন, অ্যাডভোকেট ফোরামসহ বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের নেতারা অংশ নেন।