ঢাকা , সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
করিমগঞ্জে নানা আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস উদযাপিত আইসিসিবিতে জাপানি গাড়ির ৫০ বছরের ইতিহাস নিয়ে বিশেষ প্রদর্শনী বিক্রি শূন্য, মাথায় ঋণের পাহাড়: শপিংমল বাঁচানোর আকুতি ব্যবসায়ীদের মোরেলগঞ্জের জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক এম এ জলিল স্ট্রোকজনিত অসুস্থতায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মোরেলগঞ্জে জাতীয় যুব দিবস পালিত, ৬ যুবক পেলেন ৮ লাখ টাকার ঋণ টেকনাফে মিয়ানমারে পাচারকালে ১০ হাজার কেজি ইউরিয়া সার জব্দ, আটক ৯ জাতীয় যুব দিবসে সফল আত্মকর্মী ও সংগঠকদের মাঝে ক্রেস্ট ও সনদপত্র বিতরণ গণপূর্তে বদলির লটারি প্রক্রিয়াকে বিতর্কিত করার চেষ্টা হচ্ছে: জাতীয় সাংবাদিক সংস্থায় গণপূর্তমন্ত্রী এবার এইচএসসিতে বরিশাল বোর্ডে ১১ প্রতিষ্ঠানে শূন্য পাস পিরোজপুরে মাদক, সন্ত্রাস ও কিশোর গ্যাং প্রতিরোধে মতবিনিময় সভা

বলেশ্বর নদীর চরে হাত-পা বাঁধা অচেতন অবস্থায় ৬ জন শ্রমিকসহ কয়লা বোঝাই জাহাজ উদ্ধার

 

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় উপজেলার ছোট মাছুয়া বলেশ্বর নদীর চরে দীর্ঘক্ষণ যাবৎ আটকে থাকা একটি কয়লার জাহাজ থেকে অচেতন অবস্থায় ৬ জন শ্রমিককে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

 

এম.বি শাকিল পরিবহন (এম ২৫৯১২) নামে কয়লার জাহাজ থেকে এর মধ্যে নাছির হোসেন (৩৫) নামে এক শ্রমিককে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।

 

শুক্রবার (৭ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে মঠবাড়িয়া থানা পুলিশ, সাংবাদিক ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাদের উদ্ধার করা হয়েছে।

 

 

অন্যান্য আহতরা হলেন- জাহাজের মাস্টার আবুল হাশেম (৪৯), সুকানি বিপ্লব (৩৫) বাবুর্চি নিদু মিয়া (৬০), স্কট শান্ত (১৮) ও শাওন (১৭)। আহতদের প্রত্যেকের শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। জাহাজের মাস্টার আবুল হাশেম জানান, ৬ মার্চ বৃহস্পতিবার মংলা থেকে জাহাজে কয়লা বোঝাই করে ঢাকা গাবতলীর উদ্দেশ্যে রওনা দেই। বাগেরহাট মোরেলগঞ্জ থানাধীন সোনাখালী নামক স্থানে নদীতে জাহাজ নোঙ্গর করে ইফতার ও তারাবি নামাজ পড়ে বিশ্রাম করি। হয়তোবা ঘুমিয়ে পরেছিলাম এরপর এখানে কিভাবে এলাম বলতে পারিনা।

 

জাহাজের স্কট মো. শান্ত জানায়, ইফতার করার সময় সোনাখালীর সেখান থেকে দুজন স্কট আমাদের জাহাজে এসেছিলো। তারপর কি হয়েছে আমি বলতে পরিনি। শুক্রবার দুপুরে আমাদের জাহাজ এখানে চরের সাথে আটকে থাকা অবস্থায় এবং জাহাজের লোকজনের হাত-পা বাধা দেখতে পাই। জাহাজের ইঞ্জিন বন্ধ করা হয়নি।

 

স্থানীয় সেলিম ব্রিকস ইট ভাটার ম্যানেজার সরোয়ার হোসেন মন্টু মিয়া বলেন, সেহেরি খাবার পর নদীর চরে এ জাহাজটি আটকে থাকতে দেখি। ইঞ্জিন চলছে। আমরা উপর থেকে বারবার চিৎকার করে সমস্যা জানার চেষ্টা করছি, কিন্তু কোন উত্তর না পেয়ে দুপুরের দিকে ট্রলার যোগে জাহাজের কাছে গিয়ে লোক জনের হাত-পা বাঁধা ও অচেতন অবস্থায় দেখতে পেয়ে আমার মালিককে অবহিত করি। পরে পুলিশ ও সাংবাদিকরা এসে আহতদের উদ্ধারে করে হাসপাতালে নিযে যান এবং জাহাজটি বন্ধ সুন্দর ভাবে নোঙ্গর করা হয়।

 

তবে জাহাজের শ্রমিকরা অসুস্থ থাকায় অন্য কোন কিছু হারানো গিয়েছে কিনা সে সম্পর্কে কিছু জানা যায়নি। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মঠবাড়িয়া সার্কেল) মোহাম্মদ সাখাওযাত হোসন বলেন, আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে এবং জাহাজটি নিরাপদের রাখা হয়েছে।

করিমগঞ্জে নানা আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস উদযাপিত

বলেশ্বর নদীর চরে হাত-পা বাঁধা অচেতন অবস্থায় ৬ জন শ্রমিকসহ কয়লা বোঝাই জাহাজ উদ্ধার

আপডেট : ০৬:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ মার্চ ২০২৫

 

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় উপজেলার ছোট মাছুয়া বলেশ্বর নদীর চরে দীর্ঘক্ষণ যাবৎ আটকে থাকা একটি কয়লার জাহাজ থেকে অচেতন অবস্থায় ৬ জন শ্রমিককে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

 

এম.বি শাকিল পরিবহন (এম ২৫৯১২) নামে কয়লার জাহাজ থেকে এর মধ্যে নাছির হোসেন (৩৫) নামে এক শ্রমিককে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।

 

শুক্রবার (৭ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে মঠবাড়িয়া থানা পুলিশ, সাংবাদিক ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাদের উদ্ধার করা হয়েছে।

 

 

অন্যান্য আহতরা হলেন- জাহাজের মাস্টার আবুল হাশেম (৪৯), সুকানি বিপ্লব (৩৫) বাবুর্চি নিদু মিয়া (৬০), স্কট শান্ত (১৮) ও শাওন (১৭)। আহতদের প্রত্যেকের শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। জাহাজের মাস্টার আবুল হাশেম জানান, ৬ মার্চ বৃহস্পতিবার মংলা থেকে জাহাজে কয়লা বোঝাই করে ঢাকা গাবতলীর উদ্দেশ্যে রওনা দেই। বাগেরহাট মোরেলগঞ্জ থানাধীন সোনাখালী নামক স্থানে নদীতে জাহাজ নোঙ্গর করে ইফতার ও তারাবি নামাজ পড়ে বিশ্রাম করি। হয়তোবা ঘুমিয়ে পরেছিলাম এরপর এখানে কিভাবে এলাম বলতে পারিনা।

 

জাহাজের স্কট মো. শান্ত জানায়, ইফতার করার সময় সোনাখালীর সেখান থেকে দুজন স্কট আমাদের জাহাজে এসেছিলো। তারপর কি হয়েছে আমি বলতে পরিনি। শুক্রবার দুপুরে আমাদের জাহাজ এখানে চরের সাথে আটকে থাকা অবস্থায় এবং জাহাজের লোকজনের হাত-পা বাধা দেখতে পাই। জাহাজের ইঞ্জিন বন্ধ করা হয়নি।

 

স্থানীয় সেলিম ব্রিকস ইট ভাটার ম্যানেজার সরোয়ার হোসেন মন্টু মিয়া বলেন, সেহেরি খাবার পর নদীর চরে এ জাহাজটি আটকে থাকতে দেখি। ইঞ্জিন চলছে। আমরা উপর থেকে বারবার চিৎকার করে সমস্যা জানার চেষ্টা করছি, কিন্তু কোন উত্তর না পেয়ে দুপুরের দিকে ট্রলার যোগে জাহাজের কাছে গিয়ে লোক জনের হাত-পা বাঁধা ও অচেতন অবস্থায় দেখতে পেয়ে আমার মালিককে অবহিত করি। পরে পুলিশ ও সাংবাদিকরা এসে আহতদের উদ্ধারে করে হাসপাতালে নিযে যান এবং জাহাজটি বন্ধ সুন্দর ভাবে নোঙ্গর করা হয়।

 

তবে জাহাজের শ্রমিকরা অসুস্থ থাকায় অন্য কোন কিছু হারানো গিয়েছে কিনা সে সম্পর্কে কিছু জানা যায়নি। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মঠবাড়িয়া সার্কেল) মোহাম্মদ সাখাওযাত হোসন বলেন, আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে এবং জাহাজটি নিরাপদের রাখা হয়েছে।