ঢাকা , সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
ঈদকে সামনে রেখে টেকনাফে জাল টাকার কারখানায় বিজিবির অভিযান, ৫১ লাখ টাকার জাল নোটসহ আটক ২ টাঙ্গাইলে ট্রাক উল্টে নিহত ১৫ জনের বাড়ি রাজশাহী এশিয়া পোস্টের সম্পাদককে হাজার কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের আইনি নোটিশ মাসুদ সাঈদীর উপকূলের জন্য বিশেষ বরাদ্দ চায় ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরাম বাগেরহাট মায়ানমারে পাচারকালে সেন্টমার্টিনে বিপুল সিমেন্ট জব্দ, আটক ৯ আর কত রামিসাকে হারাতে হবে? রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট আজই, ৫-৭ দিনের মধ্যে বিচার – স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জমকালো আয়োজনে গুরুর বাড়ি কিডস কমিউনিটির বৈশাখী কিডস ফেস্টিভ্যাল অনুষ্ঠিত মোরেলগঞ্জের চিংড়াখালী ইউনিয়নে মৎস্য ভিজিএফ (VGF) চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে আ.লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সিনিয়র আইনজীবী ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন মারা গেছেন

ভারতের দখল থেকে কোদলা নদীর ৫ কিলোমিটার উদ্ধার করল বিজিবি

সংগৃহীত ছবি

 

ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী কোদলা নদীর ৫ কিলোমিটার অংশ ভারতের দখল থেকে উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এতদিন এ নদীর বাংলাদেশ সীমান্তের অংশটি ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) দখল করে রেখেছিল।

 

সোমবার (৬ জানুয়ারি) রাতে ৫৮ বিজিবি থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

 

বিজিবি সূত্রে জানা গেছে , কোদলা নদী বাংলাদেশের অভ্যন্তর থেকে দক্ষিণ দিকে প্রসারিত হয়ে মহেশপুরের মাটিলা এলাকায় ৪.৮০ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত চিহ্নিত করেছে। ১৯৬১ সালের বাংলাদেশ-ভারত মানচিত্র অনুসারে এ নদীর উল্লেখিত অংশ বাংলাদেশের সীমানার অভ্যন্তরে অবস্থিত।

 

স্থানীয়রা জানান, স্বাধীনতার পর নদী তীরবর্তী মানুষজন ভেতরে বসবাস শুরু করলে বিএসএফ এই অংশে আধিপত্য বিস্তার করে। ফলে কৃষকরা চাষাবাদ ও মাছ আহরণে বাধার সম্মুখীন হতেন।

 

স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য মহিউদ্দিন বলেন, কোদলা নদীর বাংলাদেশ অংশে গেলেই বিএসএফ বাধা দিত, যা প্রায়শই দ্বন্দ্বের সৃষ্টি করত।

 

সম্প্রতি বিজিবি বিষয়টি নজরে এনে প্রয়োজনীয় নথি ও মানচিত্র পর্যালোচনা করে বিএসএফের অবৈধ দখলের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানায়। বিজিবি সদস্যদের সাহসিকতায় নদীর মালিকানা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে নদীর সুরক্ষায় বিজিবি সদস্য সংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি যন্ত্রচালিত বোট ও টহলের জন্য আধুনিক যান বরাদ্দ করা হয়েছে।

 

উদ্ধার কার্যক্রম শেষে মহেশপুর ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল শাহ মো. আজিজুস সহিদ স্থানীয় জনগণের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। তিনি নদীর প্রকৃত মালিকানা সম্পর্কে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অবগত রাখার আহ্বান জানান এবং গ্রামবাসীদের নদীটি সেচ ও চাষাবাদের কাজে ব্যবহার করতে উৎসাহিত করেন।

 

এক্ষেত্রে কখনও কোনো ধরনের বাধার সৃষ্টি হলে তা সঙ্গে সঙ্গে বিজিবিকে জানানোর জন্যও গ্রামবাসীর প্রতি বিজিবি সদস্যদের পক্ষ থেকে অনুরোধ করা হয়।

জনপ্রিয়

ঈদকে সামনে রেখে টেকনাফে জাল টাকার কারখানায় বিজিবির অভিযান, ৫১ লাখ টাকার জাল নোটসহ আটক ২

ভারতের দখল থেকে কোদলা নদীর ৫ কিলোমিটার উদ্ধার করল বিজিবি

আপডেট : ০২:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৫
সংগৃহীত ছবি

 

ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী কোদলা নদীর ৫ কিলোমিটার অংশ ভারতের দখল থেকে উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এতদিন এ নদীর বাংলাদেশ সীমান্তের অংশটি ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) দখল করে রেখেছিল।

 

সোমবার (৬ জানুয়ারি) রাতে ৫৮ বিজিবি থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

 

বিজিবি সূত্রে জানা গেছে , কোদলা নদী বাংলাদেশের অভ্যন্তর থেকে দক্ষিণ দিকে প্রসারিত হয়ে মহেশপুরের মাটিলা এলাকায় ৪.৮০ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত চিহ্নিত করেছে। ১৯৬১ সালের বাংলাদেশ-ভারত মানচিত্র অনুসারে এ নদীর উল্লেখিত অংশ বাংলাদেশের সীমানার অভ্যন্তরে অবস্থিত।

 

স্থানীয়রা জানান, স্বাধীনতার পর নদী তীরবর্তী মানুষজন ভেতরে বসবাস শুরু করলে বিএসএফ এই অংশে আধিপত্য বিস্তার করে। ফলে কৃষকরা চাষাবাদ ও মাছ আহরণে বাধার সম্মুখীন হতেন।

 

স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য মহিউদ্দিন বলেন, কোদলা নদীর বাংলাদেশ অংশে গেলেই বিএসএফ বাধা দিত, যা প্রায়শই দ্বন্দ্বের সৃষ্টি করত।

 

সম্প্রতি বিজিবি বিষয়টি নজরে এনে প্রয়োজনীয় নথি ও মানচিত্র পর্যালোচনা করে বিএসএফের অবৈধ দখলের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানায়। বিজিবি সদস্যদের সাহসিকতায় নদীর মালিকানা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে নদীর সুরক্ষায় বিজিবি সদস্য সংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি যন্ত্রচালিত বোট ও টহলের জন্য আধুনিক যান বরাদ্দ করা হয়েছে।

 

উদ্ধার কার্যক্রম শেষে মহেশপুর ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল শাহ মো. আজিজুস সহিদ স্থানীয় জনগণের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। তিনি নদীর প্রকৃত মালিকানা সম্পর্কে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অবগত রাখার আহ্বান জানান এবং গ্রামবাসীদের নদীটি সেচ ও চাষাবাদের কাজে ব্যবহার করতে উৎসাহিত করেন।

 

এক্ষেত্রে কখনও কোনো ধরনের বাধার সৃষ্টি হলে তা সঙ্গে সঙ্গে বিজিবিকে জানানোর জন্যও গ্রামবাসীর প্রতি বিজিবি সদস্যদের পক্ষ থেকে অনুরোধ করা হয়।