ঢাকা , শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
মোরেলগঞ্জে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে আইডিয়াল জেনারেল হাসপাতালের উদ্বোধন বন্ধ শিল্পকারখানা সচল ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সরকারের বহুমুখী পরিকল্পনা মোরেলগঞ্জে বেতকাশি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্তে শিক্ষা অফিস নগরবাসীর হাঁটার মৌলিক অধিকার বনাম অবৈধ দখল বাণিজ্য: ঢাকার ফুটপাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে জরুরি পদক্ষেপ টেকনাফের চার পুলিশ স্থাপনা পরিদর্শনে চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মানিক পশারীর দাফনে বাধার প্রতিবাদে মুক্তিযোদ্ধা সংসদের নিন্দা বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন বিজয়ী আইসিসিবিতে ফার্নিচার মেলা, ৩২৩ স্টলে পণ্যের সমাহার তুরাগ নদ থেকে সাবেক বিমানবাহিনী কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার: ময়নাতদন্তের অপেক্ষায় নৌ-পুলিশ ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে ​

সিলেট আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের ৪ নেতা ভারতে গ্রেপ্তার

সংগৃহীত ছবি

 

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের ২ নেতা ও যুবলীগের ২ নেতাসহ ৪ নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে সে দেশের পুলিশ। রোববার (৮ ডিসেম্বর) ভোররাতে কলকাতার হাতিয়াড়া এলাকার একটি বাসা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে পশ্চিম জৈন্তা হিল জেলার একজন ট্রাকচালককে মারধরের অভিযোগে গত মাসে ডাউকি থানায় মামলা হয়েছিল।

 

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সিলেট জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট নাসির উদ্দিন খান, সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের কার্যকরী কমিটির সদস্য ইলিয়াছ আহমদ জুয়েল, সিলেট মহানগর যুবলীগের সভাপতি আলম খান মুক্তি ও সিলেট মহানগর যুবলীগের সহ-সভাপতি আব্দুল লতিফ রিপন।

 

কলকাতা, শিলং ও সিলেটের একাধিক সূত্রে এ তথ্য নিশ্চিত করে জানায়, রোববার (৮ ডিসেম্বর) দুপুরের দিকে কলকাতার নিউ টাউন এলাকার একটি ফ্ল্যাট থেকে কলকাতা পুলিশের সহায়তায় তাদেরকে আটক করে শিলং পুলিশ। রাতেই তাদেরকে মেঘালয়ের রাজধানী শিলংয়ে নেয়া হয়েছে।

 

মেঘালয়ের পত্রিকা দ্য শিলং টাইমসের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গ্রেপ্তার চারজনকে রোববার রাতে কলকাতা থেকে পশ্চিম জৈন্তা হিল জেলার প্রধান শহর জোয়াইয়ে আনা হয়। ট্রাকচালককে মারধরের অভিযোগে ডাউকি থানায় হওয়া মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাঁদের পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে।

 

তবে ওই সময় আওয়ামী লীগের ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের আরও কয়েকজন শীর্ষ নেতা ওই ফ্ল্যাট থেকে পালিয়ে যান। সিলেট জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি আফসার আজিজ ও মহানগর স্বেচ্চাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক দেবাংশু দাশ মিটু উপস্থিত থাকলেও তারা সটকে পড়েন বলে সূত্র জানায়।

 

প্রসঙ্গত, ৫ আগস্ট বিষম্যবিরোধী আন্দোলনে সরকার পতনের পর শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান। এরপর আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা আত্মগোপনে চলে যান। অনেকে পালিয়ে দেশ ছাড়েন। ওই সময় ভারতের শিলংয়ে আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের ৬ নেতা সিলেট থেকে মেঘালয়ের শিলংয়ে অবস্থান করছিলেন। ওই সময় সেখানে তাদের বিরুদ্ধে অবৈধ অনুপ্রবেশ, ছিনতাই, চাঁদাবাজির অভিযোগ ওঠে। এই অভিযোগে স্থানীয় মেঘালয়ের ডাউকি পুলিশ থানায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে।

 

যদিও আওয়ামী লীগ ও অংগসংগঠনের এই ৪ নেতার বিরুদ্ধে প্রথমে গণধর্ষণে মামলা হয়েছে বলে প্রচার করা হলেও মেঘালয় পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, তাদের বিরুদ্ধে ধর্ষণের কোনো অভিযোগ নেই।

জনপ্রিয়

মোরেলগঞ্জে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে আইডিয়াল জেনারেল হাসপাতালের উদ্বোধন

সিলেট আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের ৪ নেতা ভারতে গ্রেপ্তার

আপডেট : ০৮:৪০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৪
সংগৃহীত ছবি

 

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের ২ নেতা ও যুবলীগের ২ নেতাসহ ৪ নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে সে দেশের পুলিশ। রোববার (৮ ডিসেম্বর) ভোররাতে কলকাতার হাতিয়াড়া এলাকার একটি বাসা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে পশ্চিম জৈন্তা হিল জেলার একজন ট্রাকচালককে মারধরের অভিযোগে গত মাসে ডাউকি থানায় মামলা হয়েছিল।

 

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সিলেট জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট নাসির উদ্দিন খান, সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের কার্যকরী কমিটির সদস্য ইলিয়াছ আহমদ জুয়েল, সিলেট মহানগর যুবলীগের সভাপতি আলম খান মুক্তি ও সিলেট মহানগর যুবলীগের সহ-সভাপতি আব্দুল লতিফ রিপন।

 

কলকাতা, শিলং ও সিলেটের একাধিক সূত্রে এ তথ্য নিশ্চিত করে জানায়, রোববার (৮ ডিসেম্বর) দুপুরের দিকে কলকাতার নিউ টাউন এলাকার একটি ফ্ল্যাট থেকে কলকাতা পুলিশের সহায়তায় তাদেরকে আটক করে শিলং পুলিশ। রাতেই তাদেরকে মেঘালয়ের রাজধানী শিলংয়ে নেয়া হয়েছে।

 

মেঘালয়ের পত্রিকা দ্য শিলং টাইমসের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গ্রেপ্তার চারজনকে রোববার রাতে কলকাতা থেকে পশ্চিম জৈন্তা হিল জেলার প্রধান শহর জোয়াইয়ে আনা হয়। ট্রাকচালককে মারধরের অভিযোগে ডাউকি থানায় হওয়া মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাঁদের পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে।

 

তবে ওই সময় আওয়ামী লীগের ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের আরও কয়েকজন শীর্ষ নেতা ওই ফ্ল্যাট থেকে পালিয়ে যান। সিলেট জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি আফসার আজিজ ও মহানগর স্বেচ্চাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক দেবাংশু দাশ মিটু উপস্থিত থাকলেও তারা সটকে পড়েন বলে সূত্র জানায়।

 

প্রসঙ্গত, ৫ আগস্ট বিষম্যবিরোধী আন্দোলনে সরকার পতনের পর শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান। এরপর আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা আত্মগোপনে চলে যান। অনেকে পালিয়ে দেশ ছাড়েন। ওই সময় ভারতের শিলংয়ে আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের ৬ নেতা সিলেট থেকে মেঘালয়ের শিলংয়ে অবস্থান করছিলেন। ওই সময় সেখানে তাদের বিরুদ্ধে অবৈধ অনুপ্রবেশ, ছিনতাই, চাঁদাবাজির অভিযোগ ওঠে। এই অভিযোগে স্থানীয় মেঘালয়ের ডাউকি পুলিশ থানায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে।

 

যদিও আওয়ামী লীগ ও অংগসংগঠনের এই ৪ নেতার বিরুদ্ধে প্রথমে গণধর্ষণে মামলা হয়েছে বলে প্রচার করা হলেও মেঘালয় পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, তাদের বিরুদ্ধে ধর্ষণের কোনো অভিযোগ নেই।