ঢাকা , সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
ঈদকে সামনে রেখে টেকনাফে জাল টাকার কারখানায় বিজিবির অভিযান, ৫১ লাখ টাকার জাল নোটসহ আটক ২ টাঙ্গাইলে ট্রাক উল্টে নিহত ১৫ জনের বাড়ি রাজশাহী এশিয়া পোস্টের সম্পাদককে হাজার কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের আইনি নোটিশ মাসুদ সাঈদীর উপকূলের জন্য বিশেষ বরাদ্দ চায় ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরাম বাগেরহাট মায়ানমারে পাচারকালে সেন্টমার্টিনে বিপুল সিমেন্ট জব্দ, আটক ৯ আর কত রামিসাকে হারাতে হবে? রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট আজই, ৫-৭ দিনের মধ্যে বিচার – স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জমকালো আয়োজনে গুরুর বাড়ি কিডস কমিউনিটির বৈশাখী কিডস ফেস্টিভ্যাল অনুষ্ঠিত মোরেলগঞ্জের চিংড়াখালী ইউনিয়নে মৎস্য ভিজিএফ (VGF) চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে আ.লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সিনিয়র আইনজীবী ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন মারা গেছেন

আখেরি মোনাজাতে শেষ হলো জোড় ইজতেমা

আখেরি মোনাজাত | সংগৃহীত ছবি

 

গাজীপুরের টঙ্গী তুরাগ নদের তীরে তাবলীগ জামাতের শুরা-ই-নেজামের (জুবায়েরপন্থি) ৫ দিনব্যাপী জোড় ইজতেমার আনুষ্ঠানিকতা ১৫ মিনিটের আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে শেষ হয়েছে।

 

বিশ্বের মুসলিম উম্মাহর সুখ-শান্তি, কল্যাণ, অগ্রগতি, ভ্রাতৃত্ববোধ, ক্ষমা প্রার্থনা ও মঙ্গল কামনা করে আখেরি মোনাজাত করা হয়।

 

মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) সকাল ৯:০৫ মিনিটে মোনাজাত শুরু হয়ে শেষ হয় ৯:২০ মিনিটে। আখেরি মোনাজাত পরিচালনা করেন শুরা-ই-নেজামের শীর্ষ মুরব্বি ভারতের মাওলানা ইব্রাহিম দেওলা। তাবলীগ জামাত বাংলাদেশ (শুরা-ই-নেজামের) মিডিয়া সমন্বয়ক হাবিবুল্লাহ রায়হান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

 

মোনাজাতে মুসলমানদের মধ্যে ঐক্য, দুনিয়া ও আখিরাতের শান্তি, দেশের কল্যাণ, আত্মশুদ্ধি ও গুনাহ মাফের পাশাপাশি দুনিয়ার সব বিপদ থেকে হেফাজত করার জন্য দুই হাত তুলে মহান আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা করেন মুসল্লিরা। এ সময় “আমিন, আল্লা হুম্মা আমিন” ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠে চারদিক।

 

যেসব মুসল্লি আল্লাহর রাস্তায় তাবলীগে বের হবেন তাদের জন্য ফজর থেকে হেদায়াতি ও দিকনির্দেশনা মূলক বক্তব্য বয়ান করেন ভারতের (বোম্বে) মাওলানা আব্দুর রহমান। তার বক্তব্য তরজমা করেছেন মাওলানা আব্দুল মতিন।

 

নসীহত মূলক বক্তব্য প্রদান করেন ভারতের শীর্ষ মুরব্বি মাওলানা ইব্রাহিম দেওলা। তার বক্তব্য তরজমা করেন বাংলাদেশের মাওলানা জুবায়ের। নসিহত মূলক বক্তব্যের শেষ হলেই আখেরি মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।

 

জানা গেছে, ৫ দিনের জোড় ইজতেমায় অংশ নেওয়া ৪ মুসল্লি স্বাভাবিকভাবে মারা গেছেন।

 

মৃত মুসুল্লীরা হলেন- রংপুর জেলার কোতোয়ালি থানার বৌরাগীপাড়া গ্রামের মৃত মকবুল হোসেনের ছেলে হায়দার আলী (৩৫), দিনাজপুর সদর থানার মস্তপুর গ্রামের মৃত গোলাম মোস্তফার ছেলে কাউসার আলী (২৮), সিরাজগঞ্জ সদর থানার শহিদুল ইসলাম (৬৫) এবং ফরিদপুর জেলার নগরকান্দা উপজেলার দুলালী গ্রামের আব্দুল হামিদ মাতাব্বের ছেলে আব্দুল হাকিম আকন্দ (৭২)।

 

জোড় ইজতেমা উপলক্ষে নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে। পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যের পাশাপাশি সাদা পোশাকে মোতায়েন ছিল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

 

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি জোড় ইজতেমা আয়োজকের পক্ষ থেকেও স্বেচ্ছাসেবক বাহিনী তৎপর ছিল, যাতে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে। ইজতেমার শেষপর্যন্ত কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।

 

প্রসঙ্গত, শুক্রবার (২৯ নভেম্বর) ফজরের নামাজ আদায় এবং আম বয়ানের মধ্য দিয়ে শুরা-ই-নেজামের (জুবায়েরপন্থি) ৫ দিনব্যাপী জোড় ইজতেমার আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়।

জনপ্রিয়

ঈদকে সামনে রেখে টেকনাফে জাল টাকার কারখানায় বিজিবির অভিযান, ৫১ লাখ টাকার জাল নোটসহ আটক ২

আখেরি মোনাজাতে শেষ হলো জোড় ইজতেমা

আপডেট : ১০:৫২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২৪
আখেরি মোনাজাত | সংগৃহীত ছবি

 

গাজীপুরের টঙ্গী তুরাগ নদের তীরে তাবলীগ জামাতের শুরা-ই-নেজামের (জুবায়েরপন্থি) ৫ দিনব্যাপী জোড় ইজতেমার আনুষ্ঠানিকতা ১৫ মিনিটের আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে শেষ হয়েছে।

 

বিশ্বের মুসলিম উম্মাহর সুখ-শান্তি, কল্যাণ, অগ্রগতি, ভ্রাতৃত্ববোধ, ক্ষমা প্রার্থনা ও মঙ্গল কামনা করে আখেরি মোনাজাত করা হয়।

 

মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) সকাল ৯:০৫ মিনিটে মোনাজাত শুরু হয়ে শেষ হয় ৯:২০ মিনিটে। আখেরি মোনাজাত পরিচালনা করেন শুরা-ই-নেজামের শীর্ষ মুরব্বি ভারতের মাওলানা ইব্রাহিম দেওলা। তাবলীগ জামাত বাংলাদেশ (শুরা-ই-নেজামের) মিডিয়া সমন্বয়ক হাবিবুল্লাহ রায়হান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

 

মোনাজাতে মুসলমানদের মধ্যে ঐক্য, দুনিয়া ও আখিরাতের শান্তি, দেশের কল্যাণ, আত্মশুদ্ধি ও গুনাহ মাফের পাশাপাশি দুনিয়ার সব বিপদ থেকে হেফাজত করার জন্য দুই হাত তুলে মহান আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা করেন মুসল্লিরা। এ সময় “আমিন, আল্লা হুম্মা আমিন” ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠে চারদিক।

 

যেসব মুসল্লি আল্লাহর রাস্তায় তাবলীগে বের হবেন তাদের জন্য ফজর থেকে হেদায়াতি ও দিকনির্দেশনা মূলক বক্তব্য বয়ান করেন ভারতের (বোম্বে) মাওলানা আব্দুর রহমান। তার বক্তব্য তরজমা করেছেন মাওলানা আব্দুল মতিন।

 

নসীহত মূলক বক্তব্য প্রদান করেন ভারতের শীর্ষ মুরব্বি মাওলানা ইব্রাহিম দেওলা। তার বক্তব্য তরজমা করেন বাংলাদেশের মাওলানা জুবায়ের। নসিহত মূলক বক্তব্যের শেষ হলেই আখেরি মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।

 

জানা গেছে, ৫ দিনের জোড় ইজতেমায় অংশ নেওয়া ৪ মুসল্লি স্বাভাবিকভাবে মারা গেছেন।

 

মৃত মুসুল্লীরা হলেন- রংপুর জেলার কোতোয়ালি থানার বৌরাগীপাড়া গ্রামের মৃত মকবুল হোসেনের ছেলে হায়দার আলী (৩৫), দিনাজপুর সদর থানার মস্তপুর গ্রামের মৃত গোলাম মোস্তফার ছেলে কাউসার আলী (২৮), সিরাজগঞ্জ সদর থানার শহিদুল ইসলাম (৬৫) এবং ফরিদপুর জেলার নগরকান্দা উপজেলার দুলালী গ্রামের আব্দুল হামিদ মাতাব্বের ছেলে আব্দুল হাকিম আকন্দ (৭২)।

 

জোড় ইজতেমা উপলক্ষে নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে। পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যের পাশাপাশি সাদা পোশাকে মোতায়েন ছিল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

 

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি জোড় ইজতেমা আয়োজকের পক্ষ থেকেও স্বেচ্ছাসেবক বাহিনী তৎপর ছিল, যাতে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে। ইজতেমার শেষপর্যন্ত কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।

 

প্রসঙ্গত, শুক্রবার (২৯ নভেম্বর) ফজরের নামাজ আদায় এবং আম বয়ানের মধ্য দিয়ে শুরা-ই-নেজামের (জুবায়েরপন্থি) ৫ দিনব্যাপী জোড় ইজতেমার আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়।