ঢাকা , সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
এশিয়া পোস্টের সম্পাদককে হাজার কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের আইনি নোটিশ মাসুদ সাঈদীর উপকূলের জন্য বিশেষ বরাদ্দ চায় ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরাম বাগেরহাট মায়ানমারে পাচারকালে সেন্টমার্টিনে বিপুল সিমেন্ট জব্দ, আটক ৯ আর কত রামিসাকে হারাতে হবে? রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট আজই, ৫-৭ দিনের মধ্যে বিচার – স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জমকালো আয়োজনে গুরুর বাড়ি কিডস কমিউনিটির বৈশাখী কিডস ফেস্টিভ্যাল অনুষ্ঠিত মোরেলগঞ্জের চিংড়াখালী ইউনিয়নে মৎস্য ভিজিএফ (VGF) চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে আ.লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সিনিয়র আইনজীবী ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন মারা গেছেন টানা ৮ ঘণ্টার বেশি গণপরিবহন চালালেই লাইসেন্স বাতিল ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক করতে প্রস্তুত ২৫১ রেলকোচ

জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি মুহম্মদ আলতাফ হোসেন আর নেই

মুহম্মদ আলতাফ হোসেন | ফাইল ছবি

 

জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি মুহম্মদ আলতাফ হোসেন (৭৮) রাজধানীর মুগদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

 

সোমবার (১৪ অক্টোবর) রাত ১০টার দিকে মুহম্মদ আলতাফ হোসেন ইন্তেকাল করেছেন বলে নিশ্চিত করেছেন জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের মহাসচিব মুহাম্মদ কামরুল ইসলাম ও মো. আবুল বাসার মজুমদার।

 

এর আগে বিশিষ্ট সাংবাদিক নেতা আলতাফ হোসেনের ছেলে মঞ্জুর হোসেন জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার যুগ্ম-মহাসচিব লায়ন সিকদার মোহাম্মদ আরিফুল আলম (টিটো) কে মোবাইল কলে বলেন, বাবা সংকটময় মুহূর্তে (আইসিইউতে) রয়েছেন। বাবার জন্য সবাই বিশেষ দোয়া করবেন।

 

জানা গেছে, দু’দিন আগে মুহম্মদ আলতাফ হোসেন স্বাভাবিক অবস্থায় শারীরিক ভাবে অসুস্থতাবোধ করলে পরিবারের লোকজন তাকে রাজধানীর মুগদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করান। এর কিছুক্ষন পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে জরুরী ভিত্তিতে আইসিইউতে নেওয়া হয়।

 

মুহম্মদ আলতাফ হোসেন প্রথম জীবনে দৈনিক ইনকিলাব, দৈনিক সংগ্রামসহ বিভিন্ন পত্রিকা অফিসে চাকুরি করেন। পরবর্তীতে তিনি চাকরির পাশাপাশি উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বিভিন্ন প্রবন্ধ, ছোট গল্প, কবিতা লেখালেখির সাথে কিছু পত্রিকা সম্পাদনা করেন। তার নিজ হাতে গড়া জাতীয় পাক্ষিক ‘সমতল’ পত্রিকা নিয়মিত প্রকাশ হয়ে আসছে।

 

তিনি, সাংবাদিক জগতে আত্মতুষ্টি ও সাংবাদিকদের জন্য ১৯৮২ সালের ১২ ফেব্রুয়ারিতে প্রতিষ্ঠা করেন জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা। যার প্রতিটি শাখা বাংলাদেশ ছাড়িয়ে বিশ্বের কয়েকটি দেশে বিদ্যমান। শেষ জীবনঅব্দি তিনি সংগঠনটিকে নিজ সন্তানের মতো ভালোবেসে গেছেন। সৃষ্টি করে গেছেন হাজার হাজার সাংবাদিক নেতাকর্মী।

 

তার মৃত্যুতে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার হাজার হাজার নেতাকর্মীসহ দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যম ব্যক্তিবর্গ শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি স্ত্রী, ২ পুত্র, কন্যা, নাতি-নাতনীসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

 

তার পরিবারের পক্ষ থেকে জানা গেছে, গণমাধ্যমে সুপরিচিত বরেন্দ্র এই সাংবাদিক নেতার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) বাদ জোহর মুগদা মায়াকানন সংস্থার প্রধান কার্যালয় সংলগ্ন ঝিলপাড় জামে মসজিদে। জানাজা শেষে তাকে হয়ত তার নিজ এলাকা বাকেরগঞ্জে দ্বিতীয় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে সমাহিত করা হতে পারে।

জনপ্রিয়

এশিয়া পোস্টের সম্পাদককে হাজার কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের আইনি নোটিশ মাসুদ সাঈদীর

জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি মুহম্মদ আলতাফ হোসেন আর নেই

আপডেট : ০৭:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৪
মুহম্মদ আলতাফ হোসেন | ফাইল ছবি

 

জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি মুহম্মদ আলতাফ হোসেন (৭৮) রাজধানীর মুগদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

 

সোমবার (১৪ অক্টোবর) রাত ১০টার দিকে মুহম্মদ আলতাফ হোসেন ইন্তেকাল করেছেন বলে নিশ্চিত করেছেন জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের মহাসচিব মুহাম্মদ কামরুল ইসলাম ও মো. আবুল বাসার মজুমদার।

 

এর আগে বিশিষ্ট সাংবাদিক নেতা আলতাফ হোসেনের ছেলে মঞ্জুর হোসেন জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার যুগ্ম-মহাসচিব লায়ন সিকদার মোহাম্মদ আরিফুল আলম (টিটো) কে মোবাইল কলে বলেন, বাবা সংকটময় মুহূর্তে (আইসিইউতে) রয়েছেন। বাবার জন্য সবাই বিশেষ দোয়া করবেন।

 

জানা গেছে, দু’দিন আগে মুহম্মদ আলতাফ হোসেন স্বাভাবিক অবস্থায় শারীরিক ভাবে অসুস্থতাবোধ করলে পরিবারের লোকজন তাকে রাজধানীর মুগদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করান। এর কিছুক্ষন পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে জরুরী ভিত্তিতে আইসিইউতে নেওয়া হয়।

 

মুহম্মদ আলতাফ হোসেন প্রথম জীবনে দৈনিক ইনকিলাব, দৈনিক সংগ্রামসহ বিভিন্ন পত্রিকা অফিসে চাকুরি করেন। পরবর্তীতে তিনি চাকরির পাশাপাশি উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বিভিন্ন প্রবন্ধ, ছোট গল্প, কবিতা লেখালেখির সাথে কিছু পত্রিকা সম্পাদনা করেন। তার নিজ হাতে গড়া জাতীয় পাক্ষিক ‘সমতল’ পত্রিকা নিয়মিত প্রকাশ হয়ে আসছে।

 

তিনি, সাংবাদিক জগতে আত্মতুষ্টি ও সাংবাদিকদের জন্য ১৯৮২ সালের ১২ ফেব্রুয়ারিতে প্রতিষ্ঠা করেন জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা। যার প্রতিটি শাখা বাংলাদেশ ছাড়িয়ে বিশ্বের কয়েকটি দেশে বিদ্যমান। শেষ জীবনঅব্দি তিনি সংগঠনটিকে নিজ সন্তানের মতো ভালোবেসে গেছেন। সৃষ্টি করে গেছেন হাজার হাজার সাংবাদিক নেতাকর্মী।

 

তার মৃত্যুতে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার হাজার হাজার নেতাকর্মীসহ দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যম ব্যক্তিবর্গ শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি স্ত্রী, ২ পুত্র, কন্যা, নাতি-নাতনীসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

 

তার পরিবারের পক্ষ থেকে জানা গেছে, গণমাধ্যমে সুপরিচিত বরেন্দ্র এই সাংবাদিক নেতার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) বাদ জোহর মুগদা মায়াকানন সংস্থার প্রধান কার্যালয় সংলগ্ন ঝিলপাড় জামে মসজিদে। জানাজা শেষে তাকে হয়ত তার নিজ এলাকা বাকেরগঞ্জে দ্বিতীয় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে সমাহিত করা হতে পারে।