ঢাকা , রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
ভোলায় আজও প্রতিষ্ঠা হয়নি আধুনিক ব্লাড ব্যাংক: ভোগান্তিতে চরাঞ্চলবাসীসহ ২০ লাখ মানুষ পিরোজপুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত টেকনাফে দমদমিয়া চেকপোস্টে বিজিবির অভিযানে চোলাই মদসহ বাস জব্দ, আটক ২ টেকনাফে সাগরে ভেসে এলো রোহিঙ্গার মরদেহ, আরসা সদস্য হওয়ার ধারণা পুলিশের মোরেলগঞ্জে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে অবশেষে মনপুরা-চরফ্যাশনের তিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরকারীকরণ হচ্ছে মোরেলগঞ্জে নির্মাণাধীন সেপটিক ট্যাংকের দেয়াল ধসে শ্রমিক নিহত, আহত ১ ইস্তানবুল হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টের চেয়ারম্যান মাসুদ সাঈদী, এমপি- বিদেশ সফর শেষে দেশে ফিরলে বিমানবন্দরে উষ্ণ অভ্যর্থনা প্রধানমন্ত্রীর সাথে মার্কিন বিশেষ দূত সার্জিও গরের সাক্ষাৎ: দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও পারস্পরিক সহযোগিতার তাগিদ জলঢাকায় ৮ম শ্রেণির ছাত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যু: নেপথ্যে বখাটেদের মারধর ও মা-বাবার নির্যাতন! ​

মিরপুর থানাধীন তালবাড়িয়া ইউনিয়নে ক্ষমতাচ্যুত হাসিনার দোসর হান্নান মণ্ডল ও মনিরের ৯ কোটি টাকা আত্মসাৎ

 

কুষ্টিয়া মিরপুর থানাধীন তালবাড়িয়া ইউনিয়নের নওদা গোপালপুর গ্রামের মোঃ মনিরুল ইসলাম মনির (৪৫) পিতা মোঃ সাদেক আলী গত ১৬টি বছর জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হাসিনার আমল থেকে এখনো চলে বালুর ঘাট ইজারা নেওয়ার নামে মানুষ ঠকিয়ে টাকা নেওয়ার ব্যবসা।

 

মোঃ মনিরুল ইসলাম মনির তালবাড়ীয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি হিসেবে দীর্ঘদিন নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন।

 

জানা গেছে, তালবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও তালবাড়ীয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ আব্দুল হান্নান মণ্ডল এর ছত্রছায়ায় যুগিয়া তালবাড়িয়া ধোলট মহল ইজারা নেওয়ার নামে বহালবাড়িয়া তালবাড়িয়া ইউনিয়নের সাধারণ খেটে খাওয়া কিছু মানুষের কাছ থেকে প্রায় ৯ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। শেখ হাসিনার দোষর তালবাড়িয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল হান্নান মণ্ডল গত ১৬টি বছর এই মনির-কে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষকে অধিক লাভের প্রলোভন দেখিয়ে তাদের কাছ থেকে বিভিন্ন কৌশলে বালুর ঘাট ইজারা দেওয়ার নামে  বিভিন্ন সময় প্রায় নয় কোটি টাকা আত্মসাৎ করেন। পরবর্তীতে ভুক্তভোগীরা ঘাট ইজারা না পেলে তাদের ন্যায্য পাওনা ফেরত চাইলে ফেরত না দিয়ে বিভিন্ন সময় খুন জখম এর হুমকি দিতে থাকেন।

 

গোপন সূত্রে জানা গেছে, পাওনাদাররা টাকা ফেরত চাইলে ওই মনির অবৈধভাবে আয়না ঘর স্থাপনের মতই ঠিক একই কায়দায় গুম করে দিবে বলে বিভিন্ন সময় হুমকি দিয়ে আসছিলেন। মনিরুল ইসলাম মনির তালবাড়িয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি হওয়ায়, আর দিনের ভোট রাতে করা চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুল হান্নান মন্ডলের ভয়াবহ সন্ত্রাসী তাণ্ডব ও আওয়ামী লীগ এর কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ এর ছত্রছায়ায় সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষদের বিভিন্নভাবে রক্ত চুষে আসছিলেন। শুধু এভাবেই সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের রক্ত চুষে তারা ক্ষান্ত হননি, শেখ হাসিনার মতোই তালবাড়িয়া ইউনিয়নের সাধারণ জনগণের উপর দিনের পর দিন চালিয়ে আসছিলেন নিপীড়ন ও নির্যাতন। এদের নিষ্ঠুরতা এতটাই ভয়াবহতার রুপ ধারন করে যে তাদের আশেপাশে টাকা চাওয়া তো দূরের কথা বাজার, ঘাটে, মাঠে সেই পাওনাদাররা যদি একে অপরের সঙ্গে উক্ত টাকার বিষয়ে আলোচনা করে থাকে সে কথা শুনলেই ভয়ানক রুপ ধারণ করেন তারা, ভুক্তভোগীরা এমন অনেকেই নির্যাতনের শিকার হয়েছে। এক সময় তাদের নির্যাতনের ভয়ে মুখ খুলতে অস্বীকার করেন পাওনাদাররা।

 

গত ৫ আগস্টে ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনা দেশ ত্যাগ করলে তার সাথে সাথে এই দোষররাও আত্মগোপন করেন। দ্বিতীয় স্বাধীনতার পরে, কথা বলার অধিকার ফিরে পেয়ে ওই সব সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ যারা হাসিনার দোসর আব্দুল হান্নান মণ্ডল ও মনিরুল ইসলাম মনির এর বিরুদ্ধে কথা বলার বাক স্বাধীনতা ফিরে পেয়েছে, চাইছে সঠিক বিচার।

 

স্থানীয়রা জানান, শেখ হাসিনার দোসরদের প্রলোভনে পড়ে নির্যাতিত সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ প্রায় ৯ কোটি টাকা হারিয়ে অনেকেই অসহায় হয়ে পড়েছে, কেউ হারিয়েছে তার মাঠের জমি, কেউ হারিয়েছে তার বাড়ির ভিটে, তাই সর্বস্তরের জনগণ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে অতি দ্রুত এই দোষর-দের ধরে আইনের আওতায় এনে সঠিক বিচার করে ভুক্তভোগীদের পাওনা টাকা ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি করেন।

 

উক্ত বিষয়ে চেয়ারম্যান ও তালবাড়িয়া আওয়ামী লীগের সভাপতি হান্নান মন্ডলের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।

জনপ্রিয়

ভোলায় আজও প্রতিষ্ঠা হয়নি আধুনিক ব্লাড ব্যাংক: ভোগান্তিতে চরাঞ্চলবাসীসহ ২০ লাখ মানুষ

মিরপুর থানাধীন তালবাড়িয়া ইউনিয়নে ক্ষমতাচ্যুত হাসিনার দোসর হান্নান মণ্ডল ও মনিরের ৯ কোটি টাকা আত্মসাৎ

আপডেট : ০৬:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

কুষ্টিয়া মিরপুর থানাধীন তালবাড়িয়া ইউনিয়নের নওদা গোপালপুর গ্রামের মোঃ মনিরুল ইসলাম মনির (৪৫) পিতা মোঃ সাদেক আলী গত ১৬টি বছর জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হাসিনার আমল থেকে এখনো চলে বালুর ঘাট ইজারা নেওয়ার নামে মানুষ ঠকিয়ে টাকা নেওয়ার ব্যবসা।

 

মোঃ মনিরুল ইসলাম মনির তালবাড়ীয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি হিসেবে দীর্ঘদিন নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন।

 

জানা গেছে, তালবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও তালবাড়ীয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ আব্দুল হান্নান মণ্ডল এর ছত্রছায়ায় যুগিয়া তালবাড়িয়া ধোলট মহল ইজারা নেওয়ার নামে বহালবাড়িয়া তালবাড়িয়া ইউনিয়নের সাধারণ খেটে খাওয়া কিছু মানুষের কাছ থেকে প্রায় ৯ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। শেখ হাসিনার দোষর তালবাড়িয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল হান্নান মণ্ডল গত ১৬টি বছর এই মনির-কে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষকে অধিক লাভের প্রলোভন দেখিয়ে তাদের কাছ থেকে বিভিন্ন কৌশলে বালুর ঘাট ইজারা দেওয়ার নামে  বিভিন্ন সময় প্রায় নয় কোটি টাকা আত্মসাৎ করেন। পরবর্তীতে ভুক্তভোগীরা ঘাট ইজারা না পেলে তাদের ন্যায্য পাওনা ফেরত চাইলে ফেরত না দিয়ে বিভিন্ন সময় খুন জখম এর হুমকি দিতে থাকেন।

 

গোপন সূত্রে জানা গেছে, পাওনাদাররা টাকা ফেরত চাইলে ওই মনির অবৈধভাবে আয়না ঘর স্থাপনের মতই ঠিক একই কায়দায় গুম করে দিবে বলে বিভিন্ন সময় হুমকি দিয়ে আসছিলেন। মনিরুল ইসলাম মনির তালবাড়িয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি হওয়ায়, আর দিনের ভোট রাতে করা চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুল হান্নান মন্ডলের ভয়াবহ সন্ত্রাসী তাণ্ডব ও আওয়ামী লীগ এর কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ এর ছত্রছায়ায় সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষদের বিভিন্নভাবে রক্ত চুষে আসছিলেন। শুধু এভাবেই সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের রক্ত চুষে তারা ক্ষান্ত হননি, শেখ হাসিনার মতোই তালবাড়িয়া ইউনিয়নের সাধারণ জনগণের উপর দিনের পর দিন চালিয়ে আসছিলেন নিপীড়ন ও নির্যাতন। এদের নিষ্ঠুরতা এতটাই ভয়াবহতার রুপ ধারন করে যে তাদের আশেপাশে টাকা চাওয়া তো দূরের কথা বাজার, ঘাটে, মাঠে সেই পাওনাদাররা যদি একে অপরের সঙ্গে উক্ত টাকার বিষয়ে আলোচনা করে থাকে সে কথা শুনলেই ভয়ানক রুপ ধারণ করেন তারা, ভুক্তভোগীরা এমন অনেকেই নির্যাতনের শিকার হয়েছে। এক সময় তাদের নির্যাতনের ভয়ে মুখ খুলতে অস্বীকার করেন পাওনাদাররা।

 

গত ৫ আগস্টে ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনা দেশ ত্যাগ করলে তার সাথে সাথে এই দোষররাও আত্মগোপন করেন। দ্বিতীয় স্বাধীনতার পরে, কথা বলার অধিকার ফিরে পেয়ে ওই সব সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ যারা হাসিনার দোসর আব্দুল হান্নান মণ্ডল ও মনিরুল ইসলাম মনির এর বিরুদ্ধে কথা বলার বাক স্বাধীনতা ফিরে পেয়েছে, চাইছে সঠিক বিচার।

 

স্থানীয়রা জানান, শেখ হাসিনার দোসরদের প্রলোভনে পড়ে নির্যাতিত সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ প্রায় ৯ কোটি টাকা হারিয়ে অনেকেই অসহায় হয়ে পড়েছে, কেউ হারিয়েছে তার মাঠের জমি, কেউ হারিয়েছে তার বাড়ির ভিটে, তাই সর্বস্তরের জনগণ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে অতি দ্রুত এই দোষর-দের ধরে আইনের আওতায় এনে সঠিক বিচার করে ভুক্তভোগীদের পাওনা টাকা ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি করেন।

 

উক্ত বিষয়ে চেয়ারম্যান ও তালবাড়িয়া আওয়ামী লীগের সভাপতি হান্নান মন্ডলের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।