ঢাকা , বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
বাগেরহাট বিআরটিএ কার্যালয়ে দুদকের অভিযান, মিলেছে অনিয়মের তথ্য তেলবাহী ট্যাংকারের ধাক্কায় মোংলায় কয়লাবোঝাই কার্গো জাহাজ ডুবি অর্থাভাবে অনিশ্চিত এসএসসি, শুভকে সহায়তা করল এবিজি ফাউন্ডেশন মোরেলগঞ্জে খাল থেকে উদ্ধার মরদেহের পরিচয় মিলেছে, নিহত কিশোর মফিজুল পিরোজপুরে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে র‍্যালি ও সমাবেশ যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বাগেরহাটে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও সমাবেশ নবাগত জেলা প্রশাসকের সাথে জলঢাকার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও সুশীল সমাজের পরিচিতি ও মতবিনিময় পিরোজপুরে শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের ১৫৩তম জন্মবার্ষিকী পালিত আইজিপির বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেশে ফিরে নেবেন প্রধানমন্ত্রী: তথ্য উপদেষ্টা আনসার-ভিডিপি একাডেমি পরিদর্শনে চার বন্ধুপ্রতিম দেশের কূটনৈতিক প্রতিনিধিদল; বৈশ্বিক কর্মসংস্থানে বাংলাদেশের নতুন দিগন্ত

‘তুই আমার সাথে প্রফেসরগিরি দেখাস, বেয়াদব কোথাকার’

 

‘তুই প্রফেসরগিরি দেখাস আমার সাথে? ফাজিল কোথাকার, তুই আমাকে বেয়াদব বললি কেন? তুই বেয়াদব বলার কে?’ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ওশানোগ্রাফি বিভাগের সিনিয়র এক শিক্ষককে এভাবেই ধমক দিয়ে কথা বলতে দেখা গেছে একই বিভাগের আওয়ামী পন্থি জুনিয়র শিক্ষক সহকারী অধ্যাপক সাইদুল ইসলাম সরকারকে। এমন একটি ভিডিও প্রতিবেদকের হাতে এসেছে।

 

গত ২৬ নভেম্বর ওশানোগ্রাফি বিভাগের সভাপতির কক্ষে বিভাগটির সিনিয়র শিক্ষক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোসলেম উদ্দিনের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন সহকারী অধ্যাপক সাইদুল ইসলাম সরকার। এ সময় একাধিকবার ওই শিক্ষকের দিকে এগিয়ে এসে তাকে ধমকাতে দেখা যায়।

 

জানা যায়, গত ২৬ নভেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (অ্যাকাডেমিক) অধ্যাপক ড. শামীম উদ্দিন খান ওশানোগ্রাফি বিভাগে পরিদর্শনে আসেন। তবে উপ-উপাচার্যের আসার আগমুহূর্তে সাইদুল ইসলামের বিভাগে দেরিতে আসার কারণ জিজ্ঞেস করতেই তিনি অধ্যাপক ড. মোসলেম উদ্দিনের সঙ্গে ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করেন।

 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ওশানোগ্রাফি বিভাগের অধ্যাপক ড. মোসলেম উদ্দিন বলেন, গত ২৬ নভেম্বর ওশানোগ্রাফি বিভাগে চবির উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. শামীম উদ্দিন খান স্যার ডিজিটে আসার আগমুহূর্তে বিভাগে দেরিতে আসার কারণ জিজ্ঞেস করতেই সাইদুল ইসলাম আমার সঙ্গে গালিগালাজ ও ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করেন। এ ছাড়া আমাকে দেখে নেওয়ারও হুমকি-ধমকি দেন তিনি। একপর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত ভিসি ও প্রো-ভিসিদের নিয়েও তিনি কটূক্তি করেন।

 

এ বিষয়ে সহকারী অধ্যাপক সাইদুল ইসলাম বলেন, গত ২৬ নভেম্বর অধ্যাপক ড. মোসলেম উদ্দিনের সঙ্গে বাগবিতণ্ডার কারণ হলো, তিনি আমাকে আগে বেয়াদব বলেছেন। তুই-তোকারি করে কথা বলেছেন। তারপর আমি তার প্রতিক্রিয়া জানিয়েছি।

 

উল্লেখ্য, সহকারী অধ্যাপক সাইদুল ইসলাম সরকার আওয়ামী লীগের কৃষি বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য। তিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ঘোর বিরোধী ছিলেন। এজন্য ওশানোগ্রাফি বিভাগ থেকে তাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেন বিভাগটির শিক্ষার্থীরা। তবে ক্যাম্পাসের বর্তমান পরিস্থিতি নমনীয় হওয়ায় তিনি ক্যাম্পাসে আসেন।

জনপ্রিয়

বাগেরহাট বিআরটিএ কার্যালয়ে দুদকের অভিযান, মিলেছে অনিয়মের তথ্য

‘তুই আমার সাথে প্রফেসরগিরি দেখাস, বেয়াদব কোথাকার’

আপডেট : ০৯:০৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৪

 

‘তুই প্রফেসরগিরি দেখাস আমার সাথে? ফাজিল কোথাকার, তুই আমাকে বেয়াদব বললি কেন? তুই বেয়াদব বলার কে?’ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ওশানোগ্রাফি বিভাগের সিনিয়র এক শিক্ষককে এভাবেই ধমক দিয়ে কথা বলতে দেখা গেছে একই বিভাগের আওয়ামী পন্থি জুনিয়র শিক্ষক সহকারী অধ্যাপক সাইদুল ইসলাম সরকারকে। এমন একটি ভিডিও প্রতিবেদকের হাতে এসেছে।

 

গত ২৬ নভেম্বর ওশানোগ্রাফি বিভাগের সভাপতির কক্ষে বিভাগটির সিনিয়র শিক্ষক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোসলেম উদ্দিনের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন সহকারী অধ্যাপক সাইদুল ইসলাম সরকার। এ সময় একাধিকবার ওই শিক্ষকের দিকে এগিয়ে এসে তাকে ধমকাতে দেখা যায়।

 

জানা যায়, গত ২৬ নভেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (অ্যাকাডেমিক) অধ্যাপক ড. শামীম উদ্দিন খান ওশানোগ্রাফি বিভাগে পরিদর্শনে আসেন। তবে উপ-উপাচার্যের আসার আগমুহূর্তে সাইদুল ইসলামের বিভাগে দেরিতে আসার কারণ জিজ্ঞেস করতেই তিনি অধ্যাপক ড. মোসলেম উদ্দিনের সঙ্গে ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করেন।

 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ওশানোগ্রাফি বিভাগের অধ্যাপক ড. মোসলেম উদ্দিন বলেন, গত ২৬ নভেম্বর ওশানোগ্রাফি বিভাগে চবির উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. শামীম উদ্দিন খান স্যার ডিজিটে আসার আগমুহূর্তে বিভাগে দেরিতে আসার কারণ জিজ্ঞেস করতেই সাইদুল ইসলাম আমার সঙ্গে গালিগালাজ ও ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করেন। এ ছাড়া আমাকে দেখে নেওয়ারও হুমকি-ধমকি দেন তিনি। একপর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত ভিসি ও প্রো-ভিসিদের নিয়েও তিনি কটূক্তি করেন।

 

এ বিষয়ে সহকারী অধ্যাপক সাইদুল ইসলাম বলেন, গত ২৬ নভেম্বর অধ্যাপক ড. মোসলেম উদ্দিনের সঙ্গে বাগবিতণ্ডার কারণ হলো, তিনি আমাকে আগে বেয়াদব বলেছেন। তুই-তোকারি করে কথা বলেছেন। তারপর আমি তার প্রতিক্রিয়া জানিয়েছি।

 

উল্লেখ্য, সহকারী অধ্যাপক সাইদুল ইসলাম সরকার আওয়ামী লীগের কৃষি বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য। তিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ঘোর বিরোধী ছিলেন। এজন্য ওশানোগ্রাফি বিভাগ থেকে তাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেন বিভাগটির শিক্ষার্থীরা। তবে ক্যাম্পাসের বর্তমান পরিস্থিতি নমনীয় হওয়ায় তিনি ক্যাম্পাসে আসেন।