ঢাকা , সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
ঈদকে সামনে রেখে টেকনাফে জাল টাকার কারখানায় বিজিবির অভিযান, ৫১ লাখ টাকার জাল নোটসহ আটক ২ টাঙ্গাইলে ট্রাক উল্টে নিহত ১৫ জনের বাড়ি রাজশাহী এশিয়া পোস্টের সম্পাদককে হাজার কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের আইনি নোটিশ মাসুদ সাঈদীর উপকূলের জন্য বিশেষ বরাদ্দ চায় ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরাম বাগেরহাট মায়ানমারে পাচারকালে সেন্টমার্টিনে বিপুল সিমেন্ট জব্দ, আটক ৯ আর কত রামিসাকে হারাতে হবে? রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট আজই, ৫-৭ দিনের মধ্যে বিচার – স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জমকালো আয়োজনে গুরুর বাড়ি কিডস কমিউনিটির বৈশাখী কিডস ফেস্টিভ্যাল অনুষ্ঠিত মোরেলগঞ্জের চিংড়াখালী ইউনিয়নে মৎস্য ভিজিএফ (VGF) চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে আ.লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সিনিয়র আইনজীবী ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন মারা গেছেন

পুলিশের কাজই হলো দুষ্টের দমন এবং শিষ্টের পালন, অপরাধীদের অবশ্যই আইনের আওতায় আনা হবে: অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার খোন্দকার নজমুল হাসান

 

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) খোন্দকার নজমুল হাসান পিপিএম (বার) বলেছেন, পুলিশের কাজই হলো দুষ্টের দমন এবং শিষ্টের পালন, যারা অপরাধী তাদেরকে অবশ্যই আইনের আওতায় আনা হবে। এক্ষেত্রে সাধারণ জনগণকেও সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে হবে।

 

মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর ২০২৪) বিকেলে শেরেবাংলা নগর থানা প্রাঙ্গনে পুলিশ, ছাত্র-জনতা ও সম্মানিত নাগরিকবৃন্দের সমন্বয়ে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

 

 

অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার খোন্দকার নজমুল হাসান বলেন, আপনারা ব্যক্তিগত লাভের কথা চিন্তা না করে এলাকার স্বার্থ বিবেচনা করুন। কোন কোন অপরাধের ঘটনার ক্ষেত্রে অনেক সময় নাগরিকগণ নীরব দর্শকের ভূমিকায় অবস্থান নেন। এক্ষেত্রে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় আপনাদেরও অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে। অন্ততপক্ষে অপরাধ সংগঠনের চিত্র বা ভিডিও ধারণ করে অথবা অন্যান্য তথ্য আমাদের সরবরাহ করুন। তাহলে আমরা এ ব্যাপারে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে পারব। এসব সাক্ষ্য বা তথ্যের মাধ্যমে আদালতে অপরাধ সঠিকভাবে প্রমাণ করা যায়। দিনশেষে অপরাধ প্রমাণ করাটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার।

 

তিনি আরো বলেন, চাঁদাবাজি এবং অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের ক্ষেত্রে বিভিন্ন কর্তৃপক্ষের সাথে আমাদের উদ্যোগ চলমান রয়েছে তবে এক্ষেত্রে কিছু জটিলতা তৈরি হয়, যা আপনাদের সহযোগিতার মাধ্যমে সমাধান করতে হবে। ট্রাফিক আইন মেনে চলার জন্য আমি নগরবাসীর প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি। পুলিশকে কাজের পরিবেশ না দিলে আইনশৃঙ্খলা সহ অন্যান্য কাজ ব্যাহত হবে। এ বিষয়গুলো আপনারা গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করবেন। সাধারণ জনগণ পুলিশের প্রতি আস্থাশীল রয়েছেন, এই কারণে আপনাদেরকে ধন্যবাদ জানাই।

 

অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার বলেন, মাদক সমস্যা হল সকল অপরাধের কেন্দ্রবিন্দু। কারণ একজন মাদকাসক্ত ব্যক্তি টাকার প্রয়োজনে আরো অন্যান্য অপরাধে যুক্ত হয়ে পড়ে, এক্ষেত্রে অভিভাবকগণের প্রতি আমার একান্ত অনুরোধ থাকবে, আপনারা সন্তানদের গতিবিধির উপর দৃষ্টি রাখুন। শুধু যারা মাদক গ্রহণ করছে তাদের বিরুদ্ধে নয় বরং যারা মাদকের ব্যবসার সাথে যুক্ত আমরা তাদের বিরুদ্ধেও পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

 

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছাত্র-জনতা ও শেরেবাংলা নগর থানা এলাকার সম্মানিত নাগরিকবৃন্দ অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনারের কাছে তাদের বিভিন্ন মতামত ও পরামর্শ তুলে ধরেন।

 

শেরেবাংলা নগর থানা এলাকার বিশিষ্ট নাগরিক শামীম বলেন, আজকের এই সভা আয়োজনের জন্য পুলিশকে ধন্যবাদ জানাই। পুলিশ আন্তরিক হলে মাদক, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধ হ্রাস পাবে। এক্ষেত্রে জনগণ সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।

 

সভায় উপস্থিত তারিকুল বলেন, আমাদের সমাজ ব্যবস্থায় পুলিশের ভূমিকা খুব গুরত্বপূর্ণ। সকল প্রকার অন্যায় শক্ত হাতে দমন করে আইনগত সেবা নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনকে আহ্বান জানাচ্ছি।

 

তেজগাঁও বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান এর সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় তেজগাঁও বিভাগের বিভিন্ন পদমর্যাদার কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, পেশাজীবী, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের নেতৃবৃন্দ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ এবং ছাত্র আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয়

ঈদকে সামনে রেখে টেকনাফে জাল টাকার কারখানায় বিজিবির অভিযান, ৫১ লাখ টাকার জাল নোটসহ আটক ২

পুলিশের কাজই হলো দুষ্টের দমন এবং শিষ্টের পালন, অপরাধীদের অবশ্যই আইনের আওতায় আনা হবে: অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার খোন্দকার নজমুল হাসান

আপডেট : ০৫:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৪

 

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) খোন্দকার নজমুল হাসান পিপিএম (বার) বলেছেন, পুলিশের কাজই হলো দুষ্টের দমন এবং শিষ্টের পালন, যারা অপরাধী তাদেরকে অবশ্যই আইনের আওতায় আনা হবে। এক্ষেত্রে সাধারণ জনগণকেও সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে হবে।

 

মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর ২০২৪) বিকেলে শেরেবাংলা নগর থানা প্রাঙ্গনে পুলিশ, ছাত্র-জনতা ও সম্মানিত নাগরিকবৃন্দের সমন্বয়ে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

 

 

অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার খোন্দকার নজমুল হাসান বলেন, আপনারা ব্যক্তিগত লাভের কথা চিন্তা না করে এলাকার স্বার্থ বিবেচনা করুন। কোন কোন অপরাধের ঘটনার ক্ষেত্রে অনেক সময় নাগরিকগণ নীরব দর্শকের ভূমিকায় অবস্থান নেন। এক্ষেত্রে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় আপনাদেরও অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে। অন্ততপক্ষে অপরাধ সংগঠনের চিত্র বা ভিডিও ধারণ করে অথবা অন্যান্য তথ্য আমাদের সরবরাহ করুন। তাহলে আমরা এ ব্যাপারে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে পারব। এসব সাক্ষ্য বা তথ্যের মাধ্যমে আদালতে অপরাধ সঠিকভাবে প্রমাণ করা যায়। দিনশেষে অপরাধ প্রমাণ করাটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার।

 

তিনি আরো বলেন, চাঁদাবাজি এবং অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের ক্ষেত্রে বিভিন্ন কর্তৃপক্ষের সাথে আমাদের উদ্যোগ চলমান রয়েছে তবে এক্ষেত্রে কিছু জটিলতা তৈরি হয়, যা আপনাদের সহযোগিতার মাধ্যমে সমাধান করতে হবে। ট্রাফিক আইন মেনে চলার জন্য আমি নগরবাসীর প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি। পুলিশকে কাজের পরিবেশ না দিলে আইনশৃঙ্খলা সহ অন্যান্য কাজ ব্যাহত হবে। এ বিষয়গুলো আপনারা গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করবেন। সাধারণ জনগণ পুলিশের প্রতি আস্থাশীল রয়েছেন, এই কারণে আপনাদেরকে ধন্যবাদ জানাই।

 

অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার বলেন, মাদক সমস্যা হল সকল অপরাধের কেন্দ্রবিন্দু। কারণ একজন মাদকাসক্ত ব্যক্তি টাকার প্রয়োজনে আরো অন্যান্য অপরাধে যুক্ত হয়ে পড়ে, এক্ষেত্রে অভিভাবকগণের প্রতি আমার একান্ত অনুরোধ থাকবে, আপনারা সন্তানদের গতিবিধির উপর দৃষ্টি রাখুন। শুধু যারা মাদক গ্রহণ করছে তাদের বিরুদ্ধে নয় বরং যারা মাদকের ব্যবসার সাথে যুক্ত আমরা তাদের বিরুদ্ধেও পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

 

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছাত্র-জনতা ও শেরেবাংলা নগর থানা এলাকার সম্মানিত নাগরিকবৃন্দ অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনারের কাছে তাদের বিভিন্ন মতামত ও পরামর্শ তুলে ধরেন।

 

শেরেবাংলা নগর থানা এলাকার বিশিষ্ট নাগরিক শামীম বলেন, আজকের এই সভা আয়োজনের জন্য পুলিশকে ধন্যবাদ জানাই। পুলিশ আন্তরিক হলে মাদক, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধ হ্রাস পাবে। এক্ষেত্রে জনগণ সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।

 

সভায় উপস্থিত তারিকুল বলেন, আমাদের সমাজ ব্যবস্থায় পুলিশের ভূমিকা খুব গুরত্বপূর্ণ। সকল প্রকার অন্যায় শক্ত হাতে দমন করে আইনগত সেবা নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনকে আহ্বান জানাচ্ছি।

 

তেজগাঁও বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান এর সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় তেজগাঁও বিভাগের বিভিন্ন পদমর্যাদার কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, পেশাজীবী, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের নেতৃবৃন্দ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ এবং ছাত্র আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।