কক্সবাজারের টেকনাফে র্যাব-১৫ এর অভিযানে ৫ লাখ ৬০ হাজার পিস ইয়াবাসহ মিয়ানমারের দুই নাগরিককে আটক করা হয়েছে। জব্দ করা ইয়াবার আনুমানিক মূল্য প্রায় ২০ কোটি টাকা বলে জানিয়েছে র্যাব।
রোববার (২ আগস্ট) ভোরে টেকনাফ সদর ইউনিয়নের নাজিরপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
র্যাব-১৫ জানায়, টেকনাফ ক্যাম্পের একটি চৌকস আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে, মিয়ানমার থেকে নাফ নদী হয়ে অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশ করে একটি মাদক চোরাকারবারি চক্র ইয়াবার চালান নিয়ে অবস্থান করছে। পরে টেকনাফ সদর ইউনিয়নের নাজিরপাড়া এলাকায় ফজল করিমের মাছের ঘেরের দক্ষিণ পাশে ধানের ছড়া খালের কাঁচা রাস্তার ওপর অভিযান চালানো হয়।
র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টা করলে ধাওয়া দিয়ে দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়। এ সময় তাদের বহন করা দুটি বস্তা তল্লাশি করে ৫ লাখ ৬০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন—
১. করিম আলী (৩২), মিয়ানমারের পিন্ডিসং জেলার ফর্তু থানার সুলিয়াপাড়া এলাকার বাসিন্দা।
২. হাসান আরাফ (৪৪), মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশের মংডু এলাকার বাসিন্দা।
র্যাব জানায়, জিজ্ঞাসাবাদে আটক দুজনই নিজেদের মিয়ানমারের নাগরিক বলে স্বীকার করেছে।
এদিকে, গতকাল শনিবার (১ আগস্ট) বিকেলে র্যাব-১৫ এর আরেক অভিযানে টেকনাফ সদর ইউনিয়নের বড়ইতলী এলাকা থেকে ৪০ হাজার পিস ইয়াবাসহ আরও এক মাদক কারবারিকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় টেকনাফ থানায় মামলা দায়ের করে আসামিকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
র্যাব-১৫ আরও জানায়, গত ১০ দিনে তাদের বিভিন্ন অভিযানে প্রায় ৮ লাখ পিস ইয়াবা, ৭৬ কেজি ২০০ গ্রাম গাঁজা, ৭টি আগ্নেয়াস্ত্র, ৭৭ রাউন্ড গুলি উদ্ধার এবং অপহৃত দুই ভিকটিমকে উদ্ধার করা হয়েছে। একই সময়ে বিভিন্ন মামলায় মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন ও বিভিন্ন মেয়াদের সাজাপ্রাপ্তসহ মোট ৪২ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব।

ফরহাদ রহমান, টেকনাফ প্রতিনিধিঃ 













