ঢাকা , শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
বাগেরহাটে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের বর্ণাঢ্য মিছিল নীলফামারী জলঢাকায় ৫ বছরে ৫০ হাজার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন ঝালকাঠিতে ধর্ষণ প্রতিরোধে সচেতনতামূলক বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত দীর্ঘদিন ধরে দাম্পত্য কলহ: ফেসবুক লাইভে এসে গলায় ফাঁস দিয়ে যুবকের আত্মহত্যা উখিয়া থেকে অপহৃত তরুণকে টেকনাফে উদ্ধার আধুনিক বরুড়ার স্বপ্নদ্রষ্টা, জাতীয় অর্থনীতির পথিকৃৎ, মরহুম এ কে এম আবু তাহেরের অমর স্মৃতিতে গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি পুরনো ছবি দেখে অঝোরে কাঁদলেন মাওলানা ইউসুফ নিজামী “তারা আজ কেউ নেই” সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বরিশালে মহাসড়ক অবরোধ খানজাহান আলী মাজারের কুমিরের আক্রমণে নিহত, ফাতেমার মা পরিবারে ফিরল তিন বছর পর কেন্দ্রীয় যুবদলের গুরুত্বপূর্ণ পদে বানারীপাড়ার সন্তান মাহবুব শিকদার

পুরনো ছবি দেখে অঝোরে কাঁদলেন মাওলানা ইউসুফ নিজামী “তারা আজ কেউ নেই”

 

একটি পুরনো ছবি। কিন্তু সেই ছবির ভেতরে লুকিয়ে আছে দশকের পর দশকের স্মৃতি, সংগ্রাম আর হারিয়ে যাওয়া প্রিয় মুখগুলোর বেদনা। সেই ছবি হাতে নিয়ে আবেগে ভেঙে পড়লেন বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন মাওলানা ইউসুফ নিজামী। চোখের জল আর কথার মাঝে তিনি বলে উঠলেন “আমার পাশে বসা যে আলেমে দ্বীনরা ছিলেন, তারা আজ কেউ নেই।”

 

সম্প্রতি সাংবাদিক আনজার শাহের সঙ্গে আলাপচারিতায় পুরনো একটি ছবি দেখতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন এই প্রবীণ আলেম। ছবিতে তাঁর পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন তিন মহান আলেমে দ্বীন শায়খুল হাদিস আল্লামা আজিজুল হক রাহমাতুল্লাহি আলাইহি, মুফতি আমিনী রাহমাতুল্লাহি আলাইহি এবং শায়েখে চরমোনাই রাহমাতুল্লাহি আলাইহি। তিনজনই আজ এ দুনিয়ায় নেই চলে গেছেন না-ফেরার দেশে।

 

ছাত্রজীবনের সেই সোনালি দিনগুলো

আবেগজড়িত কণ্ঠে মাওলানা ইউসুফ নিজামী বলেন,”এই ছবিটি আমার একেবারে ছাত্রজীবনের, ছোটবেলার। এই মহান মুরব্বিদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছি, রাজনীতি করেছি। সেই সময় আমি ঢাকা মহানগরের দায়িত্বে ছিলাম।”

 

তিনি বলেন, সেই দিনগুলো ছিল তাঁর জীবনের সবচেয়ে অর্থবহ অধ্যায়। এই মহান আলেমদের ছায়ায় থেকে দ্বীনের পথে যে সংগ্রাম করেছেন, তা তাঁর জীবনকে গড়ে দিয়েছে। কিন্তু আজ সেই মুখগুলো আর নেই শুধু আছে স্মৃতি, আর এই ছবি।

 

“এই ছবি অনেক কিছুর বার্তা দেয়”,

মাওলানা ইউসুফ নিজামী বলেন,”এই ছবি অনেক কিছুর বার্তা দেয়। এটি শুধু একটি ছবি নয় — এটি একটি যুগের সাক্ষী, একটি আন্দোলনের দলিল, এবং কিছু মহান মানুষের জীবনের প্রতিচ্ছবি।”

 

তিনি আরও বলেন, আল্লামা আজিজুল হক রাহমাতুল্লাহি আলাইহির মতো একজন শায়খুল হাদিসের সান্নিধ্য পাওয়া ছিল তাঁর জীবনের বড় নেয়ামত। মুফতি আমিনী রাহমাতুল্লাহি আলাইহির সঙ্গে রাজপথে দ্বীনের জন্য লড়াই করার স্মৃতি তাঁর বুকে আজও জীবন্ত। আর শায়েখে চরমোনাই রাহমাতুল্লাহি আলাইহির সেই আধ্যাত্মিক সৌম্য উপস্থিতি সবকিছুই আজ শুধু স্মৃতি।

 

যারা চলে গেছেন, তাদের জন্য দোয়া

ছবিটি বুকে ধরে চোখের জল মুছতে মুছতে মাওলানা ইউসুফ নিজামী বলেন, এই মনীষীরা শুধু ব্যক্তি ছিলেন না তাঁরা ছিলেন একেকটি প্রতিষ্ঠান, একেকটি যুগ। তাঁদের চলে যাওয়ায় ইসলামী আন্দোলনে যে শূন্যতা তৈরি হয়েছে, তা পূরণ হওয়ার নয়।

 

তিনি সকলের প্রতি আহ্বান জানান, এই মহান আলেমদের জীবন ও আদর্শ থেকে শিক্ষা নেওয়ার এবং তাঁদের রুহের মাগফিরাতের জন্য দোয়া করার।

 

আল্লাহ তায়ালা শায়খুল হাদিস আল্লামা আজিজুল হক, মুফতি আমিনী এবং শায়েখে চরমোনাই রাহমাতুল্লাহি আলাইহিমকে জান্নাতুল ফিরদাউস নসিব করুন। আমীন।

জনপ্রিয়

বাগেরহাটে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের বর্ণাঢ্য মিছিল

পুরনো ছবি দেখে অঝোরে কাঁদলেন মাওলানা ইউসুফ নিজামী “তারা আজ কেউ নেই”

আপডেট : ১৫ ঘন্টা আগে

 

একটি পুরনো ছবি। কিন্তু সেই ছবির ভেতরে লুকিয়ে আছে দশকের পর দশকের স্মৃতি, সংগ্রাম আর হারিয়ে যাওয়া প্রিয় মুখগুলোর বেদনা। সেই ছবি হাতে নিয়ে আবেগে ভেঙে পড়লেন বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন মাওলানা ইউসুফ নিজামী। চোখের জল আর কথার মাঝে তিনি বলে উঠলেন “আমার পাশে বসা যে আলেমে দ্বীনরা ছিলেন, তারা আজ কেউ নেই।”

 

সম্প্রতি সাংবাদিক আনজার শাহের সঙ্গে আলাপচারিতায় পুরনো একটি ছবি দেখতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন এই প্রবীণ আলেম। ছবিতে তাঁর পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন তিন মহান আলেমে দ্বীন শায়খুল হাদিস আল্লামা আজিজুল হক রাহমাতুল্লাহি আলাইহি, মুফতি আমিনী রাহমাতুল্লাহি আলাইহি এবং শায়েখে চরমোনাই রাহমাতুল্লাহি আলাইহি। তিনজনই আজ এ দুনিয়ায় নেই চলে গেছেন না-ফেরার দেশে।

 

ছাত্রজীবনের সেই সোনালি দিনগুলো

আবেগজড়িত কণ্ঠে মাওলানা ইউসুফ নিজামী বলেন,”এই ছবিটি আমার একেবারে ছাত্রজীবনের, ছোটবেলার। এই মহান মুরব্বিদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছি, রাজনীতি করেছি। সেই সময় আমি ঢাকা মহানগরের দায়িত্বে ছিলাম।”

 

তিনি বলেন, সেই দিনগুলো ছিল তাঁর জীবনের সবচেয়ে অর্থবহ অধ্যায়। এই মহান আলেমদের ছায়ায় থেকে দ্বীনের পথে যে সংগ্রাম করেছেন, তা তাঁর জীবনকে গড়ে দিয়েছে। কিন্তু আজ সেই মুখগুলো আর নেই শুধু আছে স্মৃতি, আর এই ছবি।

 

“এই ছবি অনেক কিছুর বার্তা দেয়”,

মাওলানা ইউসুফ নিজামী বলেন,”এই ছবি অনেক কিছুর বার্তা দেয়। এটি শুধু একটি ছবি নয় — এটি একটি যুগের সাক্ষী, একটি আন্দোলনের দলিল, এবং কিছু মহান মানুষের জীবনের প্রতিচ্ছবি।”

 

তিনি আরও বলেন, আল্লামা আজিজুল হক রাহমাতুল্লাহি আলাইহির মতো একজন শায়খুল হাদিসের সান্নিধ্য পাওয়া ছিল তাঁর জীবনের বড় নেয়ামত। মুফতি আমিনী রাহমাতুল্লাহি আলাইহির সঙ্গে রাজপথে দ্বীনের জন্য লড়াই করার স্মৃতি তাঁর বুকে আজও জীবন্ত। আর শায়েখে চরমোনাই রাহমাতুল্লাহি আলাইহির সেই আধ্যাত্মিক সৌম্য উপস্থিতি সবকিছুই আজ শুধু স্মৃতি।

 

যারা চলে গেছেন, তাদের জন্য দোয়া

ছবিটি বুকে ধরে চোখের জল মুছতে মুছতে মাওলানা ইউসুফ নিজামী বলেন, এই মনীষীরা শুধু ব্যক্তি ছিলেন না তাঁরা ছিলেন একেকটি প্রতিষ্ঠান, একেকটি যুগ। তাঁদের চলে যাওয়ায় ইসলামী আন্দোলনে যে শূন্যতা তৈরি হয়েছে, তা পূরণ হওয়ার নয়।

 

তিনি সকলের প্রতি আহ্বান জানান, এই মহান আলেমদের জীবন ও আদর্শ থেকে শিক্ষা নেওয়ার এবং তাঁদের রুহের মাগফিরাতের জন্য দোয়া করার।

 

আল্লাহ তায়ালা শায়খুল হাদিস আল্লামা আজিজুল হক, মুফতি আমিনী এবং শায়েখে চরমোনাই রাহমাতুল্লাহি আলাইহিমকে জান্নাতুল ফিরদাউস নসিব করুন। আমীন।