ঢাকা , সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
ঈদকে সামনে রেখে টেকনাফে জাল টাকার কারখানায় বিজিবির অভিযান, ৫১ লাখ টাকার জাল নোটসহ আটক ২ টাঙ্গাইলে ট্রাক উল্টে নিহত ১৫ জনের বাড়ি রাজশাহী এশিয়া পোস্টের সম্পাদককে হাজার কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের আইনি নোটিশ মাসুদ সাঈদীর উপকূলের জন্য বিশেষ বরাদ্দ চায় ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরাম বাগেরহাট মায়ানমারে পাচারকালে সেন্টমার্টিনে বিপুল সিমেন্ট জব্দ, আটক ৯ আর কত রামিসাকে হারাতে হবে? রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট আজই, ৫-৭ দিনের মধ্যে বিচার – স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জমকালো আয়োজনে গুরুর বাড়ি কিডস কমিউনিটির বৈশাখী কিডস ফেস্টিভ্যাল অনুষ্ঠিত মোরেলগঞ্জের চিংড়াখালী ইউনিয়নে মৎস্য ভিজিএফ (VGF) চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে আ.লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সিনিয়র আইনজীবী ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন মারা গেছেন

১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবসের ছুটি ঘোষণার রায় স্থগিত

ফাইল ছবি

 

১৫ আগস্টকে জাতীয় শোক দিবসের ছুটি ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেওয়া রায় স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগ। সোমবার (২ ডিসেম্বর) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন।

 

গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার প্রবল আন্দোলনে শেখ হাসিনা সরকারের পতন হয়। ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রধান করে গঠন করা হয় অন্তর্বর্তী সরকার। হাইকোর্টের রায় চলমান থাকার মধ্যেই গত ১৩ আগস্ট রাতে প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে ১৫ আগস্টের ছুটি বাতিল করা হয়েছে।

 

এতে বলা হয়, উপদেষ্টা পরিষদের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর সংলাপে ব্যাপক ঐকমত্যের ভিত্তিতে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ঘোষিত ১৫ আগস্টের সাধারণ ছুটি বাতিলের বিষয়টি আজকের উপদেষ্টামণ্ডলীর বৈঠকে অনুমোদিত হয়েছে।

 

পরে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

 

অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক সাংবাদিকদের বলেন, ‘হাইকোর্টের রায়ের মাধ্যমে ১৫ আগস্টকে জাতীয় শোক দিবস ঘোষণার পাশাপাশি সরকারি ছুটি ঘোষণা করেছিল বিগত সরকার।

 

এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের অনুমতি চেয়ে (লিভ টু আপিল) সম্প্রতি আবেদন করেছিল বর্তমান সরকার। আবেদনটি মঞ্জুর করে আপিলের অনুমতি দেওয়ার পাশাপাশি হাইকোর্টের রায়টি স্থগিত করেছেন সর্বোচ্চ আদালত।

 

প্রসঙ্গত, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট তৎকালীন রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করা হয়। এরপর ১৯৯৬ সালে নির্বাচনের মাধ্যমে প্রথম ক্ষমতায় আসে আওয়ামী লীগ। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার গঠন করা হয়। তখন থেকে ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস পালন শুরু হয়। ২০০১ সালে বিএনপির নেতৃত্বে চারদলীয় জোট সরকার ক্ষমতায় আসে। ওই সরকার ২০০২ সালে জাতীয় শোক দিবস পালনের সিদ্ধান্ত বাতিল করে।

 

এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট করেছিলেন তিন আইনজীবী। সেই রিটে চূড়ান্ত শুনানির পর ২০০৮ সালের ২৭ জুলাই বিচারপতি আব্দুর রশিদের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ রায় দেন। রায়ে ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস ও সরকারি ছুটি বাতিলের সিদ্ধান্তকে অবৈধ ঘোষণা করেন হাইকোর্ট। এর পর থেকে ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস হিসেবে পালন করে আসছিল পতিত আওয়ামী লীগ সরকার।

 

জনপ্রিয়

ঈদকে সামনে রেখে টেকনাফে জাল টাকার কারখানায় বিজিবির অভিযান, ৫১ লাখ টাকার জাল নোটসহ আটক ২

১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবসের ছুটি ঘোষণার রায় স্থগিত

আপডেট : ০৬:৩০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৪
ফাইল ছবি

 

১৫ আগস্টকে জাতীয় শোক দিবসের ছুটি ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেওয়া রায় স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগ। সোমবার (২ ডিসেম্বর) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন।

 

গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার প্রবল আন্দোলনে শেখ হাসিনা সরকারের পতন হয়। ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রধান করে গঠন করা হয় অন্তর্বর্তী সরকার। হাইকোর্টের রায় চলমান থাকার মধ্যেই গত ১৩ আগস্ট রাতে প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে ১৫ আগস্টের ছুটি বাতিল করা হয়েছে।

 

এতে বলা হয়, উপদেষ্টা পরিষদের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর সংলাপে ব্যাপক ঐকমত্যের ভিত্তিতে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ঘোষিত ১৫ আগস্টের সাধারণ ছুটি বাতিলের বিষয়টি আজকের উপদেষ্টামণ্ডলীর বৈঠকে অনুমোদিত হয়েছে।

 

পরে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

 

অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক সাংবাদিকদের বলেন, ‘হাইকোর্টের রায়ের মাধ্যমে ১৫ আগস্টকে জাতীয় শোক দিবস ঘোষণার পাশাপাশি সরকারি ছুটি ঘোষণা করেছিল বিগত সরকার।

 

এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের অনুমতি চেয়ে (লিভ টু আপিল) সম্প্রতি আবেদন করেছিল বর্তমান সরকার। আবেদনটি মঞ্জুর করে আপিলের অনুমতি দেওয়ার পাশাপাশি হাইকোর্টের রায়টি স্থগিত করেছেন সর্বোচ্চ আদালত।

 

প্রসঙ্গত, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট তৎকালীন রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করা হয়। এরপর ১৯৯৬ সালে নির্বাচনের মাধ্যমে প্রথম ক্ষমতায় আসে আওয়ামী লীগ। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার গঠন করা হয়। তখন থেকে ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস পালন শুরু হয়। ২০০১ সালে বিএনপির নেতৃত্বে চারদলীয় জোট সরকার ক্ষমতায় আসে। ওই সরকার ২০০২ সালে জাতীয় শোক দিবস পালনের সিদ্ধান্ত বাতিল করে।

 

এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট করেছিলেন তিন আইনজীবী। সেই রিটে চূড়ান্ত শুনানির পর ২০০৮ সালের ২৭ জুলাই বিচারপতি আব্দুর রশিদের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ রায় দেন। রায়ে ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস ও সরকারি ছুটি বাতিলের সিদ্ধান্তকে অবৈধ ঘোষণা করেন হাইকোর্ট। এর পর থেকে ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস হিসেবে পালন করে আসছিল পতিত আওয়ামী লীগ সরকার।