ঢাকা , সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
টাঙ্গাইলে ট্রাক উল্টে নিহত ১৫ জনের বাড়ি রাজশাহী এশিয়া পোস্টের সম্পাদককে হাজার কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের আইনি নোটিশ মাসুদ সাঈদীর উপকূলের জন্য বিশেষ বরাদ্দ চায় ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরাম বাগেরহাট মায়ানমারে পাচারকালে সেন্টমার্টিনে বিপুল সিমেন্ট জব্দ, আটক ৯ আর কত রামিসাকে হারাতে হবে? রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট আজই, ৫-৭ দিনের মধ্যে বিচার – স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জমকালো আয়োজনে গুরুর বাড়ি কিডস কমিউনিটির বৈশাখী কিডস ফেস্টিভ্যাল অনুষ্ঠিত মোরেলগঞ্জের চিংড়াখালী ইউনিয়নে মৎস্য ভিজিএফ (VGF) চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে আ.লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সিনিয়র আইনজীবী ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন মারা গেছেন টানা ৮ ঘণ্টার বেশি গণপরিবহন চালালেই লাইসেন্স বাতিল

কচ্ছপিয়ায় ট্রলারযোগে মানবপাচার: গডফাদাররা ধরাছোঁয়ার বাইরে

 

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের কচ্ছপিয়া এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে ট্রলারযোগে মানবপাচার কার্যক্রম চললেও এর সঙ্গে জড়িত কথিত গডফাদাররা এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

 

স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, এই চক্রের মূল হোতাদের আইনের আওতায় আনা গেলে মানবপাচার অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে আসবে। কিন্তু রহস্যজনক কারণে প্রভাবশালী এই সিন্ডিকেটের সদস্যরা এখনো প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও তাদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মালয়েশিয়াগামী মানবপাচার চক্রের সঙ্গে জড়িত হিসেবে যাদের নাম উঠে এসেছে, তারা হলেন— কচ্ছপিয়া এলাকার বাদশাহ মিয়ার ছেলে জসিম উদ্দিন, সৈয়দ করিমের ছেলে আব্দুল জলিল, আব্দুল করিমের ছেলে রিয়াজ, শামসুল আলমের ছেলে রফিক, নবী হোসেনের ছেলে দেলোয়ার, শামসুল আলমের ছেলে রাসেল, ফরিদের ছেলে মুহিবুল্লাহ, আলী হোসেনের ছেলে শফিক, সৈয়দ করিমের ছেলে নাসির আহমদ, ইদ্রিসের ছেলে আহম্মদ করিম, এবং শীর্ষ দালাল হিসেবে পরিচিত জাফর ও জাহাঙ্গীরসহ আরও অনেকে।

 

অভিযোগ রয়েছে, এই চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে উপকূলীয় রুট ব্যবহার করে লোকজনকে অবৈধভাবে মালয়েশিয়ায় পাঠানোর নামে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে ট্রলারডুবি কিংবা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানের কারণে প্রাণহানির ঘটনাও ঘটছে, তবুও থামছে না এই মানবপাচার।

 

স্থানীয়দের ভাষ্য, “প্রতি বছরই একই চক্র সক্রিয় থাকে। মাঝে মধ্যে অভিযান হলেও মূল হোতারা থেকে যায় ধরাছোঁয়ার বাইরে।”

 

এ বিষয়ে সচেতন মহল দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছে।

জনপ্রিয়

টাঙ্গাইলে ট্রাক উল্টে নিহত ১৫ জনের বাড়ি রাজশাহী

কচ্ছপিয়ায় ট্রলারযোগে মানবপাচার: গডফাদাররা ধরাছোঁয়ার বাইরে

আপডেট : ০৩:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

 

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের কচ্ছপিয়া এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে ট্রলারযোগে মানবপাচার কার্যক্রম চললেও এর সঙ্গে জড়িত কথিত গডফাদাররা এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

 

স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, এই চক্রের মূল হোতাদের আইনের আওতায় আনা গেলে মানবপাচার অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে আসবে। কিন্তু রহস্যজনক কারণে প্রভাবশালী এই সিন্ডিকেটের সদস্যরা এখনো প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও তাদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মালয়েশিয়াগামী মানবপাচার চক্রের সঙ্গে জড়িত হিসেবে যাদের নাম উঠে এসেছে, তারা হলেন— কচ্ছপিয়া এলাকার বাদশাহ মিয়ার ছেলে জসিম উদ্দিন, সৈয়দ করিমের ছেলে আব্দুল জলিল, আব্দুল করিমের ছেলে রিয়াজ, শামসুল আলমের ছেলে রফিক, নবী হোসেনের ছেলে দেলোয়ার, শামসুল আলমের ছেলে রাসেল, ফরিদের ছেলে মুহিবুল্লাহ, আলী হোসেনের ছেলে শফিক, সৈয়দ করিমের ছেলে নাসির আহমদ, ইদ্রিসের ছেলে আহম্মদ করিম, এবং শীর্ষ দালাল হিসেবে পরিচিত জাফর ও জাহাঙ্গীরসহ আরও অনেকে।

 

অভিযোগ রয়েছে, এই চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে উপকূলীয় রুট ব্যবহার করে লোকজনকে অবৈধভাবে মালয়েশিয়ায় পাঠানোর নামে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে ট্রলারডুবি কিংবা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানের কারণে প্রাণহানির ঘটনাও ঘটছে, তবুও থামছে না এই মানবপাচার।

 

স্থানীয়দের ভাষ্য, “প্রতি বছরই একই চক্র সক্রিয় থাকে। মাঝে মধ্যে অভিযান হলেও মূল হোতারা থেকে যায় ধরাছোঁয়ার বাইরে।”

 

এ বিষয়ে সচেতন মহল দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছে।