কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বস্তরের জনগণকে বাংলা নববর্ষ ও পহেলা বৈশাখের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আসাদুজ্জামান রনি।
শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, পহেলা বৈশাখ মানেই পুরনো সব গ্লানি ও দুঃখ ভুলে নতুন বছরকে বরণ করে নেওয়া। এটি বাঙালির প্রাণের উৎসব, যেখানে পান্তা-ইলিশ, নতুন শাড়ি-পাঞ্জাবি এবং বৈশাখী মেলার আনন্দে মেতে ওঠে সব শ্রেণি-পেশার মানুষ।
তিনি আরও বলেন, পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে জমজমাট আয়োজনের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয় বাংলা নববর্ষ। নববর্ষের প্রথম প্রভাতে রমনা উদ্যানসহ আশপাশের এলাকায় মানুষের ঢল নামে এবং শোভাযাত্রায় অংশ নেয় সব বয়স ও পেশার মানুষ। এই আয়োজন বাঙালির ঐক্য ও সংস্কৃতির অনন্য বহিঃপ্রকাশ।
ইউএনও আসাদুজ্জামান রনি বলেন, পহেলা বৈশাখ কোনো নির্দিষ্ট ধর্ম বা গোষ্ঠীর উৎসব নয়; এটি ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষের মিলনমেলা। মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টানসহ সব ধর্মের মানুষ একসঙ্গে এই দিনটি উদযাপন করেন, যা বাঙালি জাতির সম্প্রীতি ও সহাবস্থানের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
তিনি আরও বলেন, এই দিনে আমরা সব ভেদাভেদ ভুলে একসঙ্গে দাঁড়াই। সমাজে শান্তি, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ প্রতিষ্ঠায় পহেলা বৈশাখ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
নববর্ষ উপলক্ষে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, নতুন বছর সবার জীবনে সুখ, সমৃদ্ধি ও শান্তি বয়ে আনবে। পাশাপাশি তিনি সকলকে আহ্বান জানান, বৈশাখের আনন্দ উদযাপনের পাশাপাশি সমাজের অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের প্রতি সহমর্মিতার হাত বাড়িয়ে দিতে।

মোঃ মহিবুল্লাহ ভূঁইয়া 



















