ঢাকা , সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
এশিয়া পোস্টের সম্পাদককে হাজার কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের আইনি নোটিশ মাসুদ সাঈদীর উপকূলের জন্য বিশেষ বরাদ্দ চায় ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরাম বাগেরহাট মায়ানমারে পাচারকালে সেন্টমার্টিনে বিপুল সিমেন্ট জব্দ, আটক ৯ আর কত রামিসাকে হারাতে হবে? রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট আজই, ৫-৭ দিনের মধ্যে বিচার – স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জমকালো আয়োজনে গুরুর বাড়ি কিডস কমিউনিটির বৈশাখী কিডস ফেস্টিভ্যাল অনুষ্ঠিত মোরেলগঞ্জের চিংড়াখালী ইউনিয়নে মৎস্য ভিজিএফ (VGF) চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে আ.লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সিনিয়র আইনজীবী ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন মারা গেছেন টানা ৮ ঘণ্টার বেশি গণপরিবহন চালালেই লাইসেন্স বাতিল ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক করতে প্রস্তুত ২৫১ রেলকোচ

স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে বাগেরহাট-৪ আসনে লড়বেন বিএনপি নেতা কাজী শিপন

 

মনোনয়ন সংক্রান্ত জটিলতা কাটিয়ে বাগেরহাট-৪ (মোড়েলগঞ্জ ও শরণখোলা) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী মাঠে নামছেন বিএনপি নেতা কাজী খায়রুজ্জামান শিপন।

 

নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করে মনোনয়নপত্রের বৈধতা ফিরে পাওয়ার পর তিনি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানান।

 

বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের অডিটোরিয়ামে নির্বাচন কমিশনের শুনানি শেষে এই সিদ্ধান্ত আসে। রায় ঘোষণার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় কাজী শিপন বলেন, তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবেই বাগেরহাট-৪ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

 

কাজী খায়রুজ্জামান শিপন বাগেরহাট জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য। এর আগে গত ৩ জানুয়ারি বাগেরহাটের জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন তার মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেন।

 

রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে দাখিল করা মনোনয়নপত্রে সংযুক্ত সমর্থনকারী ভোটারদের মধ্য থেকে দৈবচয়ন পদ্ধতিতে দশজনের তথ্য যাচাই করা হলে পাঁচজন তাদের স্বাক্ষর অস্বীকার করেন। এতে প্রাথমিকভাবে তার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে আপিল করলে শুনানি শেষে কমিশন তার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করে।

 

প্রতিক্রিয়ায় কাজী শিপন বলেন, দলের অভ্যন্তরীণ কিছু অনিয়ম ও চক্রান্তের কারণে তাকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে দাঁড়াতে হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব মাঠপর্যায়ের নেতাকর্মীদের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে।

 

উল্লেখ্য, কাজী খায়রুজ্জামান শিপন এর আগে বাগেরহাট-৪ আসন থেকে বিএনপির ধানের শীষের মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। দলীয় মনোনয়ন না পাওয়ায় তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিলেও যাচাই-বাছাইয়ে তা বাতিল হয়। শেষ পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনের রায়ে তিনি প্রার্থিতা ফিরে পান।

জনপ্রিয়

এশিয়া পোস্টের সম্পাদককে হাজার কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের আইনি নোটিশ মাসুদ সাঈদীর

স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে বাগেরহাট-৪ আসনে লড়বেন বিএনপি নেতা কাজী শিপন

আপডেট : ০৫:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬

 

মনোনয়ন সংক্রান্ত জটিলতা কাটিয়ে বাগেরহাট-৪ (মোড়েলগঞ্জ ও শরণখোলা) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী মাঠে নামছেন বিএনপি নেতা কাজী খায়রুজ্জামান শিপন।

 

নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করে মনোনয়নপত্রের বৈধতা ফিরে পাওয়ার পর তিনি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানান।

 

বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের অডিটোরিয়ামে নির্বাচন কমিশনের শুনানি শেষে এই সিদ্ধান্ত আসে। রায় ঘোষণার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় কাজী শিপন বলেন, তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবেই বাগেরহাট-৪ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

 

কাজী খায়রুজ্জামান শিপন বাগেরহাট জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য। এর আগে গত ৩ জানুয়ারি বাগেরহাটের জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন তার মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেন।

 

রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে দাখিল করা মনোনয়নপত্রে সংযুক্ত সমর্থনকারী ভোটারদের মধ্য থেকে দৈবচয়ন পদ্ধতিতে দশজনের তথ্য যাচাই করা হলে পাঁচজন তাদের স্বাক্ষর অস্বীকার করেন। এতে প্রাথমিকভাবে তার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে আপিল করলে শুনানি শেষে কমিশন তার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করে।

 

প্রতিক্রিয়ায় কাজী শিপন বলেন, দলের অভ্যন্তরীণ কিছু অনিয়ম ও চক্রান্তের কারণে তাকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে দাঁড়াতে হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব মাঠপর্যায়ের নেতাকর্মীদের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে।

 

উল্লেখ্য, কাজী খায়রুজ্জামান শিপন এর আগে বাগেরহাট-৪ আসন থেকে বিএনপির ধানের শীষের মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। দলীয় মনোনয়ন না পাওয়ায় তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিলেও যাচাই-বাছাইয়ে তা বাতিল হয়। শেষ পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনের রায়ে তিনি প্রার্থিতা ফিরে পান।