সংগৃহীত ছবি
সাবেক মন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা শাজাহান খান আদালতকে বলেছেন, হাতকড়া পরিয়ে আদালতে এনে তাদের অসম্মান করা হচ্ছে। এসময় তিনি আদালতকে বিষয়টি দেখবার জন্যও আবেদন করেন। সোমবার (১১ নভেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসানের আদালতে গ্রেপ্তার দেখানোর বিষয়ে শুনানিতে এসব কথা বলেন তিনি।
সাবেক নৌপরিবহনমন্ত্রী ও সংসদ সদস্য শাজাহান খান, সাবেক সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন, সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুনসহ ৭ জনকে আরও এক হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দিয়েছে ঢাকার একটি আদালত। যুবদল নেতা শামীম হত্যা মামলায় গতকাল সোমবার সকালে তাদের ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসানের আদালতে তাদের হাজির করা হয়।
আদালতে শুনানিকালে শাজাহান খান তাদের (নিজেদের) হাতকড়া পরানো নিয়ে আপত্তি জানিয়ে আদালতের উদ্দেশে বলেন, ‘আমরা এখানে (আদালতে) যারা আছি, কেউ মন্ত্রী, কেউ এমপি, কেউ আইজিপি ছিলাম। আমাদের মোস্ট ওয়ান্টেড আসামিদের মতো হাতকড়া পরিয়ে আদালতে আনা হচ্ছে। হাতকড়া পরানোর মাধ্যমে আমাদের অসম্মান করা হচ্ছে। আমরা কি পালিয়ে যাব?’ তিনি আরও বলেন, ‘আমার বাবা, দাদাসহ পরিবারের ছয়জন মুক্তিযোদ্ধা। আমার বাবা তিনবারের এমপি ছিলেন। আমি আটবারের এমপি ছিলাম। মন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেছি। আমাদের যেন হাতকড়া পরাতে না হয়, আপনি (বিচারক) বিষয়টি দেখবেন।’
বিচারক এ সময় বিষয়টি বিবেচনা করা হবে বলে জানান। ঢাকা মহানগর দায়রা আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ওমর ফারুক ফারুকী বলেন, ‘শাজাহান খান হাতকড়ার বিষয়ে মৌখিক আর্জি জানিয়েছিলেন। তবে, আদালত এ বিষয়ে কোনো আদেশ দেয়নি। আমরা বলেছি, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে নেতাকর্মীদের (বিএনপির) ডান্ডাবেড়ি পরিয়ে আদালতে আনা হতো। এখন কেবল হাতকড়া ও হেলমেট পরানো হচ্ছে তাদের নিরাপত্তার স্বার্থে।’

সংবাদ360 প্রতিবেদকঃ 



















