ঢাকা , শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
ইস্তানবুল হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টের চেয়ারম্যান মাসুদ সাঈদী, এমপি- বিদেশ সফর শেষে দেশে ফিরলে বিমানবন্দরে উষ্ণ অভ্যর্থনা প্রধানমন্ত্রীর সাথে মার্কিন বিশেষ দূত সার্জিও গরের সাক্ষাৎ: দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও পারস্পরিক সহযোগিতার তাগিদ জলঢাকায় ৮ম শ্রেণির ছাত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যু: নেপথ্যে বখাটেদের মারধর ও মা-বাবার নির্যাতন! ​ বাগেরহাট জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন: দিপু সভাপতি, জালাল সম্পাদক নির্বাচিত টেকনাফে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ৬ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবাসহ আটক ২ হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির ১০ নেতার বিরুদ্ধে মামলা, আসামি সারজিস ও নাসীরুদ্দীন আজ উৎসবমুখর পরিবেশে জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন নির্বাচন-২০২৬ বাগেরহাটে নাগরিক ফোরামের সভা অনুষ্ঠিত পিরোজপুরে ইসলামি যুব আন্দোলন বাংলাদেশের ১০ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত খাল খননে ১ কোটি ২ লাখ টাকা সাশ্রয়, রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত দিলেন চরফ্যাশনের ইউএনও

মোরেলগঞ্জে ২৪টি জীবনের গল্প নিয়ে প্রকাশিত হলো ‘জীবন চলার পথে’

 

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে জমকালো আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে সরকারি সিরাজ উদ্দিন মেমোরিয়াল কলেজের (এস এম কলেজ) সাবেক সহকারী অধ্যাপক, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও সমাজসেবক আবদুল গাফফার হাওলাদার রচিত গ্রন্থ “জীবন চলার পথে”-এর প্রকাশনা উৎসব।

 

মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টায় আলোকিত মোরেলগঞ্জ-এর আয়োজনে সরকারি এসএম কলেজের শিক্ষক মিলনায়তনে আনুষ্ঠানিকভাবে বইটির মোড়ক উন্মোচন করা হয়।

 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সরকারি এসএম কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. জামাল হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শরণখোলা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মো. নূরুল আলম ফকির, বাগেরহাট বেলায়েত হোসেন ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, মোরেলগঞ্জ লতিফিয়া কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ড. মো. রুহুল আমিন খান এবং ঢাকা আইকন একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মীর মো. মোশাররফ হোসেন, ড. মিয়া আব্বাস উদ্দিন টিচার্স ট্রেনিং কলেজের কো-অর্ডিনেটর মোঃ আবু সালেহ, ইকরা সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক এইচ.এম.সাখাওয়াত হোসেন, মোরেলগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাব সভাপতি ও টিচার্স ট্রেনিং কলেজের সবেক ভিপি এইচ এম শহিদুল ইসলাম, মোঃ রমিজউদ্দীন শেখ, সাংবাদিক মোঃ নাজমুল, শীব সজল জীশু ঢালীসহ আরো অনেকে।

 

 

প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন চৌকস প্রিন্টার্স অ্যান্ড পাবলিকেশন্স-এর স্বত্বাধিকারী হাফেজ সুলতান আহমদ। প্রকাশনা উৎসব কমিটির আহ্বায়ক ও সরকারি এসএম কলেজের সহকারী অধ্যাপক মো. ছবীর আহমদ আখন্দ সভাপতিত্ব করেন। অনুষ্টানটির সার্বিক পরিচালনায় ছিলেন সহকারী অধ্যাপক (আইসিটি) মো. জাকির হোসেন রিয়াজ।

 

বক্তারা তাঁদের বক্তব্যে লেখক আবদুল গাফফার হাওলাদারের দীর্ঘ শিক্ষকতা জীবন, সমাজসেবামূলক কাজ ও সাহিত্যচর্চার প্রশংসা করেন। তাঁরা বলেন, “জীবন চলার পথে” কেবল একটি আত্মজৈবনিক গ্রন্থ নয়, এটি অভিজ্ঞতার আলোকে রচিত এমন এক দলিল যা শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও সচেতন সমাজের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।”

 

 

বইটিতে মোট ২৪টি জীবনের বাস্তব অভিজ্ঞতাভিত্তিক গল্প সংকলিত হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো— একজন অমুসলিম ম্যানেজারের ঈদ আনন্দ, শিশুর কাছে পরাজয়, একটি মৃত্যু: আমার অনুভূতি, শিক্ষক জীবনের স্মৃতি, ভালুকা কলেজের স্মৃতি, মুকুলের জীবন সংগ্রামসহ আরও নানা জীবনচিত্র।

 

নিজের বক্তব্যে আবদুল গাফফার হাওলাদার বলেন, ফেসবুকে বিভিন্ন সময়ে জীবনের অভিজ্ঞতা নিয়ে লেখা শুরু করেছিলেন তিনি। পাঠকের উৎসাহ ও প্রকাশকের অনুপ্রেরণায় সেই লেখাগুলো থেকেই এই গ্রন্থ প্রকাশিত হয়। তিনি জানান, “লেখক হওয়া আমার উদ্দেশ্য ছিল না। তবে জীবনের কিছু সত্য কাহিনী পাঠকের জন্য শিক্ষণীয় হবে ভেবেই এই গ্রন্থ প্রকাশ করেছি।” তিনি বইটি উৎসর্গ করেছেন তাঁর মা চানবরু বিবির স্মৃতির প্রতি।

 

প্রধান অতিথি প্রফেসর মো. জামাল হোসেন বলেন, “একজন শিক্ষকের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও প্রজ্ঞার আলোকে লেখা এ গ্রন্থ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অমূল্য সম্পদ হয়ে থাকবে।”

 

 

অনুষ্ঠান শেষে বইয়ের বিভিন্ন অংশ থেকে পাঠ করা হয় এবং লেখকের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়।

ইস্তানবুল হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টের চেয়ারম্যান মাসুদ সাঈদী, এমপি- বিদেশ সফর শেষে দেশে ফিরলে বিমানবন্দরে উষ্ণ অভ্যর্থনা

মোরেলগঞ্জে ২৪টি জীবনের গল্প নিয়ে প্রকাশিত হলো ‘জীবন চলার পথে’

আপডেট : ০৩:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

 

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে জমকালো আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে সরকারি সিরাজ উদ্দিন মেমোরিয়াল কলেজের (এস এম কলেজ) সাবেক সহকারী অধ্যাপক, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও সমাজসেবক আবদুল গাফফার হাওলাদার রচিত গ্রন্থ “জীবন চলার পথে”-এর প্রকাশনা উৎসব।

 

মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টায় আলোকিত মোরেলগঞ্জ-এর আয়োজনে সরকারি এসএম কলেজের শিক্ষক মিলনায়তনে আনুষ্ঠানিকভাবে বইটির মোড়ক উন্মোচন করা হয়।

 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সরকারি এসএম কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. জামাল হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শরণখোলা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মো. নূরুল আলম ফকির, বাগেরহাট বেলায়েত হোসেন ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, মোরেলগঞ্জ লতিফিয়া কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ড. মো. রুহুল আমিন খান এবং ঢাকা আইকন একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মীর মো. মোশাররফ হোসেন, ড. মিয়া আব্বাস উদ্দিন টিচার্স ট্রেনিং কলেজের কো-অর্ডিনেটর মোঃ আবু সালেহ, ইকরা সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক এইচ.এম.সাখাওয়াত হোসেন, মোরেলগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাব সভাপতি ও টিচার্স ট্রেনিং কলেজের সবেক ভিপি এইচ এম শহিদুল ইসলাম, মোঃ রমিজউদ্দীন শেখ, সাংবাদিক মোঃ নাজমুল, শীব সজল জীশু ঢালীসহ আরো অনেকে।

 

 

প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন চৌকস প্রিন্টার্স অ্যান্ড পাবলিকেশন্স-এর স্বত্বাধিকারী হাফেজ সুলতান আহমদ। প্রকাশনা উৎসব কমিটির আহ্বায়ক ও সরকারি এসএম কলেজের সহকারী অধ্যাপক মো. ছবীর আহমদ আখন্দ সভাপতিত্ব করেন। অনুষ্টানটির সার্বিক পরিচালনায় ছিলেন সহকারী অধ্যাপক (আইসিটি) মো. জাকির হোসেন রিয়াজ।

 

বক্তারা তাঁদের বক্তব্যে লেখক আবদুল গাফফার হাওলাদারের দীর্ঘ শিক্ষকতা জীবন, সমাজসেবামূলক কাজ ও সাহিত্যচর্চার প্রশংসা করেন। তাঁরা বলেন, “জীবন চলার পথে” কেবল একটি আত্মজৈবনিক গ্রন্থ নয়, এটি অভিজ্ঞতার আলোকে রচিত এমন এক দলিল যা শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও সচেতন সমাজের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।”

 

 

বইটিতে মোট ২৪টি জীবনের বাস্তব অভিজ্ঞতাভিত্তিক গল্প সংকলিত হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো— একজন অমুসলিম ম্যানেজারের ঈদ আনন্দ, শিশুর কাছে পরাজয়, একটি মৃত্যু: আমার অনুভূতি, শিক্ষক জীবনের স্মৃতি, ভালুকা কলেজের স্মৃতি, মুকুলের জীবন সংগ্রামসহ আরও নানা জীবনচিত্র।

 

নিজের বক্তব্যে আবদুল গাফফার হাওলাদার বলেন, ফেসবুকে বিভিন্ন সময়ে জীবনের অভিজ্ঞতা নিয়ে লেখা শুরু করেছিলেন তিনি। পাঠকের উৎসাহ ও প্রকাশকের অনুপ্রেরণায় সেই লেখাগুলো থেকেই এই গ্রন্থ প্রকাশিত হয়। তিনি জানান, “লেখক হওয়া আমার উদ্দেশ্য ছিল না। তবে জীবনের কিছু সত্য কাহিনী পাঠকের জন্য শিক্ষণীয় হবে ভেবেই এই গ্রন্থ প্রকাশ করেছি।” তিনি বইটি উৎসর্গ করেছেন তাঁর মা চানবরু বিবির স্মৃতির প্রতি।

 

প্রধান অতিথি প্রফেসর মো. জামাল হোসেন বলেন, “একজন শিক্ষকের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও প্রজ্ঞার আলোকে লেখা এ গ্রন্থ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অমূল্য সম্পদ হয়ে থাকবে।”

 

 

অনুষ্ঠান শেষে বইয়ের বিভিন্ন অংশ থেকে পাঠ করা হয় এবং লেখকের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়।