ঢাকা , বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
রামপাল নাগরিক ফোরামের সভা ও প্রকল্পের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নির্ধারণে কর্মশালা অনুষ্ঠিত ​ নভেম্বর থেকে কর্মী যাবে মালয়েশিয়ায়, খরচ জানালেন প্রতিমন্ত্রী পিরোজপুরে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উদযাপন বাগেরহাট বিআরটিএ কার্যালয়ে দুদকের অভিযান, মিলেছে অনিয়মের তথ্য তেলবাহী ট্যাংকারের ধাক্কায় মোংলায় কয়লাবোঝাই কার্গো জাহাজ ডুবি অর্থাভাবে অনিশ্চিত এসএসসি, শুভকে সহায়তা করল এবিজি ফাউন্ডেশন মোরেলগঞ্জে খাল থেকে উদ্ধার মরদেহের পরিচয় মিলেছে, নিহত কিশোর মফিজুল পিরোজপুরে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে র‍্যালি ও সমাবেশ যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বাগেরহাটে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও সমাবেশ নবাগত জেলা প্রশাসকের সাথে জলঢাকার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও সুশীল সমাজের পরিচিতি ও মতবিনিময়

শেখ মুজিবুরের ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’সহ চার শতাধিক বই পুড়িয়ে দিলেন শিক্ষার্থীরা

সংগৃহীত ছবি

 

বরগুনার সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের লাইব্রেরি থেকে শেখ মুজিবুর রহমানের অসমাপ্ত আত্মজীবনীসহ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রায় চার শতাধিক বই আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

 

সোমবার (১৮ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ক্যাম্পাস চত্বরে এ ঘটনা ঘটে।

 

শিক্ষার্থীরা জানায়, গত বছরের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে আওয়ামী সরকারের পতন হয়। এরপর দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে আওয়ামী সরকারের সকল চিহ্ন মুছে ফেলা হলেও বরগুনা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের লাইব্রেরিতে ছিল শেখ মুজিব ও শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগের আরও অসংখ্য বই। পরে কলেজের শিক্ষার্থীরা একত্রিত হয়ে লাইব্রেরিতে খুঁজে প্রায় চার শতাধিক বই বের করে আগুনে পুড়িয়ে দেন।

 

বরগুনা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের কম্পিউটার ডিপার্টমেন্টের শিক্ষার্থী ও পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট শাখার ছাত্রশিবিরের সভাপতি আবদুল বলেন, ‘লাইব্রেরিতে বঙ্গবন্ধুর কিছু বই ছিল। গত ৫ আগস্টের পর ওই বইগুলো থাকার কথা না। স্যারদের কাছে শিক্ষার্থীরা জানতে চেয়েছে বইগুলো আছে কিনা। তবে তারা বলেছিলেন বইগুলো সরিয়ে ফেলা হয়েছে। পরে লাইব্রেরিতে খুঁজে বইগুলো পাওয়া যায়। পরে কলেজের সামনে নিয়ে পুড়িয়ে ফেলা হয়।’

 

বরগুনা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক শিহাব হোসাইন বলেন, কলেজের চার তলার একটি লাইব্রেরি রুম থেকে শেখ মুজিবের বিভিন্ন গল্পের বইসহ চার শতাধিক বই বের করা হয়। ছাত্রদলের কলেজ শাখার সদস্যরাসহ, ছাত্রশিবির, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থী ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা একত্রিত হয়ে এ বইগুলো খুঁজে বের করে আগুনে পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে।

 

এ বিষয়ে বরগুনা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ অনিল চন্দ্র কীর্তুনিয়া বলেন, ‘আমি গত দেড় মাস আগে এখানে যোগদান করেছি। বিগত সরকারের ওই বইগুলো ছিল। এর আগে যিনি দায়িত্বে ছিলেন তিনি আমাকে বলেছেন সম্মুখে কোনো বই রাখা নেই। তবে কলেজে পরীক্ষা চলায় কোথায় কোনো বই রাখা হয়েছে তা সম্পূর্ণভাবে খোঁজ নিতে পারিনি। শিক্ষার্থীরা লাইব্রেরিতে গিয়ে ডেকে রাখা বইগুলো বের করে পুড়িয়ে ফেলেছে।’

জনপ্রিয়

রামপাল নাগরিক ফোরামের সভা ও প্রকল্পের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নির্ধারণে কর্মশালা অনুষ্ঠিত ​

শেখ মুজিবুরের ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’সহ চার শতাধিক বই পুড়িয়ে দিলেন শিক্ষার্থীরা

আপডেট : ০৮:৪৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৫
সংগৃহীত ছবি

 

বরগুনার সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের লাইব্রেরি থেকে শেখ মুজিবুর রহমানের অসমাপ্ত আত্মজীবনীসহ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রায় চার শতাধিক বই আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

 

সোমবার (১৮ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ক্যাম্পাস চত্বরে এ ঘটনা ঘটে।

 

শিক্ষার্থীরা জানায়, গত বছরের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে আওয়ামী সরকারের পতন হয়। এরপর দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে আওয়ামী সরকারের সকল চিহ্ন মুছে ফেলা হলেও বরগুনা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের লাইব্রেরিতে ছিল শেখ মুজিব ও শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগের আরও অসংখ্য বই। পরে কলেজের শিক্ষার্থীরা একত্রিত হয়ে লাইব্রেরিতে খুঁজে প্রায় চার শতাধিক বই বের করে আগুনে পুড়িয়ে দেন।

 

বরগুনা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের কম্পিউটার ডিপার্টমেন্টের শিক্ষার্থী ও পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট শাখার ছাত্রশিবিরের সভাপতি আবদুল বলেন, ‘লাইব্রেরিতে বঙ্গবন্ধুর কিছু বই ছিল। গত ৫ আগস্টের পর ওই বইগুলো থাকার কথা না। স্যারদের কাছে শিক্ষার্থীরা জানতে চেয়েছে বইগুলো আছে কিনা। তবে তারা বলেছিলেন বইগুলো সরিয়ে ফেলা হয়েছে। পরে লাইব্রেরিতে খুঁজে বইগুলো পাওয়া যায়। পরে কলেজের সামনে নিয়ে পুড়িয়ে ফেলা হয়।’

 

বরগুনা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক শিহাব হোসাইন বলেন, কলেজের চার তলার একটি লাইব্রেরি রুম থেকে শেখ মুজিবের বিভিন্ন গল্পের বইসহ চার শতাধিক বই বের করা হয়। ছাত্রদলের কলেজ শাখার সদস্যরাসহ, ছাত্রশিবির, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থী ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা একত্রিত হয়ে এ বইগুলো খুঁজে বের করে আগুনে পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে।

 

এ বিষয়ে বরগুনা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ অনিল চন্দ্র কীর্তুনিয়া বলেন, ‘আমি গত দেড় মাস আগে এখানে যোগদান করেছি। বিগত সরকারের ওই বইগুলো ছিল। এর আগে যিনি দায়িত্বে ছিলেন তিনি আমাকে বলেছেন সম্মুখে কোনো বই রাখা নেই। তবে কলেজে পরীক্ষা চলায় কোথায় কোনো বই রাখা হয়েছে তা সম্পূর্ণভাবে খোঁজ নিতে পারিনি। শিক্ষার্থীরা লাইব্রেরিতে গিয়ে ডেকে রাখা বইগুলো বের করে পুড়িয়ে ফেলেছে।’