২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় মাত্র ৫২.১২ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছেন, যা গত ২২ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। ফলাফলে বরিশাল, যশোর ও দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডে বিপর্যয় দেখা গেছে; যেখানে প্রতি ১০০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে প্রায় ৫৫ জনই অকৃতকার্য হয়েছেন।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) বেলা ১১টায় সচিবালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফলাফল প্রকাশ করেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
ফলাফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ব্যারিস্টার গিয়াস উদ্দিন রিমন এবং বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আখতারুজ্জামানসহ বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রকাশিত ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, সর্বশেষ ২০০৪ সালে পাসের হার ছিল ৪৮ শতাংশ। এরপর টানা ২২ বছরে পাসের হার কখনো এতটা নিচে নামেনি। ২০০৫ সালে পাসের হার বেড়ে দাঁড়ায় ৫৯.১৬ শতাংশে।
পরবর্তী বছরগুলোতে ধারাবাহিকভাবে ২০০৬ সালে প্রায় ৬৪ শতাংশ, ২০০৮ সালে প্রায় ৭৫ শতাংশ এবং ২০১২ সালে ৭৬ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেন। ২০১৭ সালে পাসের হার ছিল ৬৮.৯১ শতাংশ, ২০১৮ সালে ৬৬.৬৪ শতাংশ এবং ২০১৯ সালে তা দাঁড়ায় প্রায় ৭২ শতাংশে।
করোনা মহামারীর কারণে ২০২০ সালে শতভাগ শিক্ষার্থীকে পাস করানো হলেও ২০২১ সালে পাসের হার হয় ৯৩.৫৮ শতাংশ। ২০২২ সালে তা কমে দাঁড়ায় ৮৫.৯৫ শতাংশে, ২০২৩ সালে ৭৮.৬৪ শতাংশ এবং ২০২৪ সালে ৭৭.৭৮ শতাংশ শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হন।
তবে ২০২৫ সালে পাসের হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমে ৫৮.৮৩ শতাংশে দাঁড়ায়। চলতি ২০২৬ সালের পরীক্ষায় তা আরও কমে ৫২.১২ শতাংশে নেমে এসেছে, যা গত ২২ বছরের ইতিহাসে সর্বনিম্ন পাসের রেকর্ড।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ 








