ঢাকা , বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
বাগেরহাট বিআরটিএ কার্যালয়ে দুদকের অভিযান, মিলেছে অনিয়মের তথ্য তেলবাহী ট্যাংকারের ধাক্কায় মোংলায় কয়লাবোঝাই কার্গো জাহাজ ডুবি অর্থাভাবে অনিশ্চিত এসএসসি, শুভকে সহায়তা করল এবিজি ফাউন্ডেশন মোরেলগঞ্জে খাল থেকে উদ্ধার মরদেহের পরিচয় মিলেছে, নিহত কিশোর মফিজুল পিরোজপুরে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে র‍্যালি ও সমাবেশ যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বাগেরহাটে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও সমাবেশ নবাগত জেলা প্রশাসকের সাথে জলঢাকার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও সুশীল সমাজের পরিচিতি ও মতবিনিময় পিরোজপুরে শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের ১৫৩তম জন্মবার্ষিকী পালিত আইজিপির বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেশে ফিরে নেবেন প্রধানমন্ত্রী: তথ্য উপদেষ্টা আনসার-ভিডিপি একাডেমি পরিদর্শনে চার বন্ধুপ্রতিম দেশের কূটনৈতিক প্রতিনিধিদল; বৈশ্বিক কর্মসংস্থানে বাংলাদেশের নতুন দিগন্ত

মোরেলগঞ্জে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনিয়মের অভিযোগ: প্রধান শিক্ষকের অপসারণ দাবিতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন

​

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে ৬৯ নম্বর এস. বি. কালিকাবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শিউলী পারভীনের বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের সরকারি সম্পদ ব্যবস্থাপনা, বরাদ্দের অর্থ ব্যয় এবং ম্যানেজিং কমিটি গঠনসহ বিভিন্ন বিষয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় অভিভাবক, জমিদাতা ও এলাকাবাসী।

​

শনিবার (২৯ আগস্ট) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার বলইবুনিয়া ইউনিয়নের শেরেখালী এলাকার বিদ্যালয়টির সামনে প্রায় ঘণ্টাব্যাপী এ কর্মসূচি পালিত হয়। এ সময় বক্তারা প্রধান শিক্ষক শিউলী পারভীনের অপসারণ এবং ম্যানেজিং কমিটি বিধি অনুযায়ী পুনর্গঠনের দাবি জানান।

​

মানববন্ধনে অভিযোগকারীরা দাবি করেন, ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসে বিদ্যালয় চত্বরে থাকা তিনটি মূল্যবান গাছ যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়া কেটে বিক্রি করা হয়েছে। তাদের দাবি, গাছগুলোর আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় এক লাখ টাকা।

​

গাছ কাটার পর বিক্রয়লব্ধ অর্থ বিদ্যালয়ের সরকারি হিসাব বা উন্নয়ন তহবিলে যথাযথভাবে জমা দেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ করেন তারা। এ ঘটনায় গত ২ আগস্ট উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়ে বিষয়টি তদন্তের দাবি জানানো হয়।

​

অভিযোগকারীরা বলেন, সরকারি বিদ্যালয়ের সম্পদ বিক্রির ক্ষেত্রে নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করা হয়েছে কি না এবং বিক্রির অর্থ কোথায় জমা হয়েছে—তা তদন্তের মাধ্যমে পরিষ্কার হওয়া প্রয়োজন।

​

বিদ্যালয়ের বার্ষিক স্লিপ বরাদ্দের অর্থ ব্যয় নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা। তাদের অভিযোগ, বিদ্যালয়ের উন্নয়ন ও শিক্ষার মানোন্নয়নের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থের ব্যয়ের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে এবং বিভিন্ন খরচের ভাউচার নিয়েও তাদের মধ্যে সন্দেহ তৈরি হয়েছে।

​

তারা বরাদ্দকৃত অর্থের আয়-ব্যয়ের হিসাব, সংশ্লিষ্ট ভাউচার ও নথিপত্র যাচাই করে দেখার দাবি জানান।
​বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি গঠন নিয়েও দীর্ঘদিন ধরে বিরোধের কথা উঠে এসেছে।

 

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রকৃত জমিদাতা ও যোগ্য অভিভাবকদের যথাযথভাবে অবহিত না করে এবং সবার মতামত না নিয়েই পছন্দের ব্যক্তিদের নিয়ে কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

​

গত ১৯ জুলাই উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে দেওয়া আবেদনে অভিযোগকারীরা কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া তদন্ত করে বিধি ও নীতিমালা অনুসরণ করে নতুন কমিটি গঠনের দাবি জানান।

​

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ক্লাস্টার সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রাসেল মোল্লা বলেন, “ম্যানেজিং কমিটি গঠন নিয়ে একটি অভিযোগ পেয়েছি। উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার নির্দেশনা অনুযায়ী তদন্ত শুরু করে পূর্বের কমিটির কার্যক্রম স্থগিত রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। পরে স্যারের নির্দেশনায় সেই তদন্ত স্থগিত রাখা হয়েছে।”

​

তিনি আরও বলেন, “গাছ কাটার বিষয়েও পৃথক একটি অভিযোগ এসেছে। বিষয়টি তদন্ত করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

​

মানববন্ধনে শিক্ষার্থীদের চারু-কারু পরীক্ষার উপকরণ বাবদ ২০ টাকা করে নেওয়ার অভিযোগও করেন স্থানীয়রা। তাদের দাবি, এ ধরনের অর্থ আদায়ের ক্ষেত্রে যথাযথ নিয়ম অনুসরণ করা হয়েছে কি না, সেটিও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যাচাই করা উচিত।

​

তবে তার বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শিউলী পারভীন।
​তিনি বলেন, ছুটির দিনে বিদ্যালয়ের সামনে যারা মানববন্ধন করেছেন, তাদের কেউই বিদ্যালয়ের অভিভাবক নন এবং তাদের অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই।

​

চারু-কারু কার্যক্রমের বিষয়ে প্রধান শিক্ষক বলেন, শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় উপকরণ সংগ্রহের ছবি রয়েছে এবং নিয়মিত পরীক্ষার সময় এভাবেই উপকরণ সংগ্রহ করা হয়।

​

তিনি আরও দাবি করেন, মানববন্ধনে গুচ্ছগ্রাম থেকে কয়েকজন নারীকে এনে দাঁড় করানো হয়েছে।
​শিউলী পারভীন বলেন, “আমি আমার স্কুলটিকে সুন্দর ও সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনার জন্য সারাদিন পরিশ্রম করি। কিছু কুচক্রী মহল পরিকল্পিতভাবে এই স্কুলের সুনাম নষ্ট করার চেষ্টা করছে।”

​

মানববন্ধনে অভিভাবক সুমন হাওলাদার, মিনারা বেগম, শিল্পী খানম, রবিউল ইসলাম, জাকির হোসেন, ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি গফফার খান, বিদ্যালয়ের জমিদাতা নাসির খান ও বিএনপি নেতা আমজাদ হোসেনসহ স্থানীয়রা বক্তব্য দেন।

​

বক্তারা বলেন, অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাইয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত জরুরি। সরকারি বিদ্যালয়ের সম্পদ বিক্রি, সরকারি বরাদ্দের অর্থ ব্যয় এবং ম্যানেজিং কমিটি গঠনের প্রক্রিয়ায় কোনো অনিয়ম হয়ে থাকলে দায়ীদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
​

একই সঙ্গে তারা প্রধান শিক্ষক শিউলী পারভীনের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখার এবং ম্যানেজিং কমিটি গঠনে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার দাবি জানান।

 

​তবে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলোর কোনোটি এখনো তদন্তে চূড়ান্তভাবে প্রমাণিত হয়নি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত প্রতিবেদন ও নথিপত্র যাচাইয়ের পরই অভিযোগগুলোর সত্যতা এবং দায়-দায়িত্ব সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হবে।

জনপ্রিয়

বাগেরহাট বিআরটিএ কার্যালয়ে দুদকের অভিযান, মিলেছে অনিয়মের তথ্য

মোরেলগঞ্জে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনিয়মের অভিযোগ: প্রধান শিক্ষকের অপসারণ দাবিতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন

আপডেট : ০৬:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬

​

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে ৬৯ নম্বর এস. বি. কালিকাবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শিউলী পারভীনের বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের সরকারি সম্পদ ব্যবস্থাপনা, বরাদ্দের অর্থ ব্যয় এবং ম্যানেজিং কমিটি গঠনসহ বিভিন্ন বিষয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় অভিভাবক, জমিদাতা ও এলাকাবাসী।

​

শনিবার (২৯ আগস্ট) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার বলইবুনিয়া ইউনিয়নের শেরেখালী এলাকার বিদ্যালয়টির সামনে প্রায় ঘণ্টাব্যাপী এ কর্মসূচি পালিত হয়। এ সময় বক্তারা প্রধান শিক্ষক শিউলী পারভীনের অপসারণ এবং ম্যানেজিং কমিটি বিধি অনুযায়ী পুনর্গঠনের দাবি জানান।

​

মানববন্ধনে অভিযোগকারীরা দাবি করেন, ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসে বিদ্যালয় চত্বরে থাকা তিনটি মূল্যবান গাছ যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়া কেটে বিক্রি করা হয়েছে। তাদের দাবি, গাছগুলোর আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় এক লাখ টাকা।

​

গাছ কাটার পর বিক্রয়লব্ধ অর্থ বিদ্যালয়ের সরকারি হিসাব বা উন্নয়ন তহবিলে যথাযথভাবে জমা দেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ করেন তারা। এ ঘটনায় গত ২ আগস্ট উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়ে বিষয়টি তদন্তের দাবি জানানো হয়।

​

অভিযোগকারীরা বলেন, সরকারি বিদ্যালয়ের সম্পদ বিক্রির ক্ষেত্রে নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করা হয়েছে কি না এবং বিক্রির অর্থ কোথায় জমা হয়েছে—তা তদন্তের মাধ্যমে পরিষ্কার হওয়া প্রয়োজন।

​

বিদ্যালয়ের বার্ষিক স্লিপ বরাদ্দের অর্থ ব্যয় নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা। তাদের অভিযোগ, বিদ্যালয়ের উন্নয়ন ও শিক্ষার মানোন্নয়নের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থের ব্যয়ের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে এবং বিভিন্ন খরচের ভাউচার নিয়েও তাদের মধ্যে সন্দেহ তৈরি হয়েছে।

​

তারা বরাদ্দকৃত অর্থের আয়-ব্যয়ের হিসাব, সংশ্লিষ্ট ভাউচার ও নথিপত্র যাচাই করে দেখার দাবি জানান।
​বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি গঠন নিয়েও দীর্ঘদিন ধরে বিরোধের কথা উঠে এসেছে।

 

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রকৃত জমিদাতা ও যোগ্য অভিভাবকদের যথাযথভাবে অবহিত না করে এবং সবার মতামত না নিয়েই পছন্দের ব্যক্তিদের নিয়ে কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

​

গত ১৯ জুলাই উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে দেওয়া আবেদনে অভিযোগকারীরা কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া তদন্ত করে বিধি ও নীতিমালা অনুসরণ করে নতুন কমিটি গঠনের দাবি জানান।

​

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ক্লাস্টার সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রাসেল মোল্লা বলেন, “ম্যানেজিং কমিটি গঠন নিয়ে একটি অভিযোগ পেয়েছি। উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার নির্দেশনা অনুযায়ী তদন্ত শুরু করে পূর্বের কমিটির কার্যক্রম স্থগিত রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। পরে স্যারের নির্দেশনায় সেই তদন্ত স্থগিত রাখা হয়েছে।”

​

তিনি আরও বলেন, “গাছ কাটার বিষয়েও পৃথক একটি অভিযোগ এসেছে। বিষয়টি তদন্ত করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

​

মানববন্ধনে শিক্ষার্থীদের চারু-কারু পরীক্ষার উপকরণ বাবদ ২০ টাকা করে নেওয়ার অভিযোগও করেন স্থানীয়রা। তাদের দাবি, এ ধরনের অর্থ আদায়ের ক্ষেত্রে যথাযথ নিয়ম অনুসরণ করা হয়েছে কি না, সেটিও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যাচাই করা উচিত।

​

তবে তার বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শিউলী পারভীন।
​তিনি বলেন, ছুটির দিনে বিদ্যালয়ের সামনে যারা মানববন্ধন করেছেন, তাদের কেউই বিদ্যালয়ের অভিভাবক নন এবং তাদের অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই।

​

চারু-কারু কার্যক্রমের বিষয়ে প্রধান শিক্ষক বলেন, শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় উপকরণ সংগ্রহের ছবি রয়েছে এবং নিয়মিত পরীক্ষার সময় এভাবেই উপকরণ সংগ্রহ করা হয়।

​

তিনি আরও দাবি করেন, মানববন্ধনে গুচ্ছগ্রাম থেকে কয়েকজন নারীকে এনে দাঁড় করানো হয়েছে।
​শিউলী পারভীন বলেন, “আমি আমার স্কুলটিকে সুন্দর ও সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনার জন্য সারাদিন পরিশ্রম করি। কিছু কুচক্রী মহল পরিকল্পিতভাবে এই স্কুলের সুনাম নষ্ট করার চেষ্টা করছে।”

​

মানববন্ধনে অভিভাবক সুমন হাওলাদার, মিনারা বেগম, শিল্পী খানম, রবিউল ইসলাম, জাকির হোসেন, ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি গফফার খান, বিদ্যালয়ের জমিদাতা নাসির খান ও বিএনপি নেতা আমজাদ হোসেনসহ স্থানীয়রা বক্তব্য দেন।

​

বক্তারা বলেন, অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাইয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত জরুরি। সরকারি বিদ্যালয়ের সম্পদ বিক্রি, সরকারি বরাদ্দের অর্থ ব্যয় এবং ম্যানেজিং কমিটি গঠনের প্রক্রিয়ায় কোনো অনিয়ম হয়ে থাকলে দায়ীদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
​

একই সঙ্গে তারা প্রধান শিক্ষক শিউলী পারভীনের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখার এবং ম্যানেজিং কমিটি গঠনে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার দাবি জানান।

 

​তবে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলোর কোনোটি এখনো তদন্তে চূড়ান্তভাবে প্রমাণিত হয়নি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত প্রতিবেদন ও নথিপত্র যাচাইয়ের পরই অভিযোগগুলোর সত্যতা এবং দায়-দায়িত্ব সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হবে।