ঢাকা , বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
বাগেরহাট বিআরটিএ কার্যালয়ে দুদকের অভিযান, মিলেছে অনিয়মের তথ্য তেলবাহী ট্যাংকারের ধাক্কায় মোংলায় কয়লাবোঝাই কার্গো জাহাজ ডুবি অর্থাভাবে অনিশ্চিত এসএসসি, শুভকে সহায়তা করল এবিজি ফাউন্ডেশন মোরেলগঞ্জে খাল থেকে উদ্ধার মরদেহের পরিচয় মিলেছে, নিহত কিশোর মফিজুল পিরোজপুরে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে র‍্যালি ও সমাবেশ যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বাগেরহাটে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও সমাবেশ নবাগত জেলা প্রশাসকের সাথে জলঢাকার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও সুশীল সমাজের পরিচিতি ও মতবিনিময় পিরোজপুরে শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের ১৫৩তম জন্মবার্ষিকী পালিত আইজিপির বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেশে ফিরে নেবেন প্রধানমন্ত্রী: তথ্য উপদেষ্টা আনসার-ভিডিপি একাডেমি পরিদর্শনে চার বন্ধুপ্রতিম দেশের কূটনৈতিক প্রতিনিধিদল; বৈশ্বিক কর্মসংস্থানে বাংলাদেশের নতুন দিগন্ত

শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে প্রত্যর্পণের সিদ্ধান্ত নেবে ভারতের আদালত

 

​বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ভারতের আদালতই নেবে বলে জানিয়েছেন ভারতের শীর্ষ সরকারি কর্মকর্তারা। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের এক বিশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। তবে এ বিষয়ে ঢাকা ও নয়াদিল্লির মধ্যে কূটনৈতিক আলোচনা অব্যাহত রয়েছে এবং বিষয়টি সমাধানের একটি পথ খোঁজার চেষ্টা করা হচ্ছে।

​

ভারতের এক শীর্ষ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এই প্রত্যর্পণের সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক বা কূটনৈতিক পর্যায়ে চূড়ান্ত হবে না; বরং ভারতীয় বিচার বিভাগের মাধ্যমেই এর নিষ্পত্তি ঘটবে। আদালতের বিচারে দেখা হবে—বাংলাদেশের অভিযোগে যেসব অপরাধের কথা বলা হয়েছে, তা ভারতীয় আইনেই অপরাধ হিসেবে গণ্য হয় কি না।

 

​বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে ২০১৩ সালের ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী সমস্ত আইনি নথিপত্র যুক্ত করে শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর অনুরোধ জানানো হয়েছে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জানিয়েছেন, প্রচলিত আইনি নিয়ম ও নির্দেশিকা অনুযায়ী তারা বিষয়টি পর্যালোচনা করছেন।

 

​২০২৪ সালের আগস্টে গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে শেখ হাসিনা ভারতে অবস্থান করছেন এবং সেখান থেকেই তিনি তাঁর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রেখেছেন। সম্প্রতি এক ভাষণে তিনি আগামী ডিসেম্বর মাসে বাংলাদেশে ফেরার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

​

উল্লেখ্য, বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে তাঁকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেছে, যা প্রত্যর্পণ দাবির মূল ভিত্তি। অন্যদিকে, আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে আইনি লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। ২০১৩ সালের প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী রাজনৈতিক অপরাধ ছাড় পেলেও হত্যা ও গুরুতর অপরাধসমূহ প্রত্যর্পণের আওতায় পড়ে। বর্তমানে ভারতের ১৯৬২ সালের প্রত্যর্পণ আইন অনুযায়ী বিষয়টি অনুসন্ধানী ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালতের মাধ্যমেই চূড়ান্ত রূপ নেবে।

জনপ্রিয়

বাগেরহাট বিআরটিএ কার্যালয়ে দুদকের অভিযান, মিলেছে অনিয়মের তথ্য

শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে প্রত্যর্পণের সিদ্ধান্ত নেবে ভারতের আদালত

আপডেট : ০৯:৫৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬

 

​বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ভারতের আদালতই নেবে বলে জানিয়েছেন ভারতের শীর্ষ সরকারি কর্মকর্তারা। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের এক বিশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। তবে এ বিষয়ে ঢাকা ও নয়াদিল্লির মধ্যে কূটনৈতিক আলোচনা অব্যাহত রয়েছে এবং বিষয়টি সমাধানের একটি পথ খোঁজার চেষ্টা করা হচ্ছে।

​

ভারতের এক শীর্ষ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এই প্রত্যর্পণের সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক বা কূটনৈতিক পর্যায়ে চূড়ান্ত হবে না; বরং ভারতীয় বিচার বিভাগের মাধ্যমেই এর নিষ্পত্তি ঘটবে। আদালতের বিচারে দেখা হবে—বাংলাদেশের অভিযোগে যেসব অপরাধের কথা বলা হয়েছে, তা ভারতীয় আইনেই অপরাধ হিসেবে গণ্য হয় কি না।

 

​বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে ২০১৩ সালের ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী সমস্ত আইনি নথিপত্র যুক্ত করে শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর অনুরোধ জানানো হয়েছে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জানিয়েছেন, প্রচলিত আইনি নিয়ম ও নির্দেশিকা অনুযায়ী তারা বিষয়টি পর্যালোচনা করছেন।

 

​২০২৪ সালের আগস্টে গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে শেখ হাসিনা ভারতে অবস্থান করছেন এবং সেখান থেকেই তিনি তাঁর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রেখেছেন। সম্প্রতি এক ভাষণে তিনি আগামী ডিসেম্বর মাসে বাংলাদেশে ফেরার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

​

উল্লেখ্য, বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে তাঁকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেছে, যা প্রত্যর্পণ দাবির মূল ভিত্তি। অন্যদিকে, আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে আইনি লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। ২০১৩ সালের প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী রাজনৈতিক অপরাধ ছাড় পেলেও হত্যা ও গুরুতর অপরাধসমূহ প্রত্যর্পণের আওতায় পড়ে। বর্তমানে ভারতের ১৯৬২ সালের প্রত্যর্পণ আইন অনুযায়ী বিষয়টি অনুসন্ধানী ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালতের মাধ্যমেই চূড়ান্ত রূপ নেবে।