ঢাকা , সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
টেকনাফ রাজারছড়ায় যৌথ বাহিনীর সাঁড়াশি অভিযান: গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো মানব পাচারকারীদের ২০টি আস্তানা টেকনাফে নাফ নদীতে বিজিবির চিরুনি অভিযান খেলাধুলায় তরুণদের সুস্থ ও আত্মবিশ্বাসী করা সম্ভব: এমপি জুই আওয়ামী লীগের সব কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জ: রিট খারিজ করলেন হাইকোর্ট পিরোজপুরে ৪০০ ইয়াবা ও ৩০ গ্রাম আইসসহ গ্রেপ্তার ১ রামপালের এক ইউনিট বন্ধ, উৎপাদন নেমেছে ৬০০ মেগাওয়াটের নিচে বিদ্যুতের পুঞ্জীভূত সংকটে শুধু মন্ত্রীকে দোষারোপ কতটা যৌক্তিক? মোরেলগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পিরোজপুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে তিন মাসের পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু টেকনাফের নাজির হোসেন হত্যার আসামি রিদোয়ান গ্রেপ্তার

টেকনাফে বিজিবির অভিযানে ১ লাখ ৩০ হাজার ইয়াবা জব্দ, আটক ৩

 

কক্সবাজারের টেকনাফে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) পরিচালিত বিশেষ অভিযানে ১ লাখ ৩০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, একটি ইঞ্জিনচালিত কাঠের নৌকা জব্দ এবং তিন মাদক কারবারিকে আটক করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত ইয়াবা ও জব্দকৃত নৌকার আনুমানিক মূল্য ৩ কোটি ৯০ লাখ ৮০ হাজার টাকা।

 

মঙ্গলবার (৯ জুন) সকালে টেকনাফের জিন্নাখাল এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি)।

 

বিজিবি সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, মিয়ানমার থেকে তিন ব্যক্তি একটি ইঞ্জিনচালিত কাঠের নৌকাযোগে বিপুল পরিমাণ ইয়াবার চালান নিয়ে নাফ নদী হয়ে টেকনাফে প্রবেশ করবে। তথ্যের ভিত্তিতে টেকনাফ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হানিফুর রহমান ভূঁইয়ার পরিকল্পনা ও নির্দেশনায় জিন্নাখাল এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

 

অভিযানের একপর্যায়ে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মিয়ানমার থেকে আসা একটি নৌকা বাংলাদেশের জলসীমায় প্রবেশ করলে পূর্ব থেকে অবস্থান নেওয়া বিজিবির টহল দল সেটি আটক করে। পরে নৌকাটি তল্লাশি চালিয়ে ১ লাখ ৩০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ সময় মাদক পাচারের সঙ্গে জড়িত তিনজনকে আটক করা হয় এবং নৌকাটি জব্দ করা হয়।

 

আটকরা হলেন— মো. জাহাঙ্গীর আলম (১৯), আব্দুল হোসেন (৩৫) ও মো. সোয়াইব (১৮)। তাদের সবার বাড়ি টেকনাফ উপজেলার সাবরাং দক্ষিণ নয়াপাড়া এলাকায়। এ ঘটনায় আশাদুল (২৫) নামে আরও একজনকে পলাতক আসামি হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে।

 

টেকনাফ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হানিফুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, “বিজিবি সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি মাদক, চোরাচালান ও সব ধরনের অবৈধ পণ্য পাচার প্রতিরোধে সর্বদা সতর্ক ও তৎপর রয়েছে। সীমান্ত অপরাধ দমনে গোয়েন্দা নজরদারি, নিয়মিত টহল ও বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

 

আটক আসামি, উদ্ধারকৃত ইয়াবা এবং জব্দকৃত নৌকার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

জনপ্রিয়

টেকনাফ রাজারছড়ায় যৌথ বাহিনীর সাঁড়াশি অভিযান: গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো মানব পাচারকারীদের ২০টি আস্তানা

টেকনাফে বিজিবির অভিযানে ১ লাখ ৩০ হাজার ইয়াবা জব্দ, আটক ৩

আপডেট : ০১:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬

 

কক্সবাজারের টেকনাফে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) পরিচালিত বিশেষ অভিযানে ১ লাখ ৩০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, একটি ইঞ্জিনচালিত কাঠের নৌকা জব্দ এবং তিন মাদক কারবারিকে আটক করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত ইয়াবা ও জব্দকৃত নৌকার আনুমানিক মূল্য ৩ কোটি ৯০ লাখ ৮০ হাজার টাকা।

 

মঙ্গলবার (৯ জুন) সকালে টেকনাফের জিন্নাখাল এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি)।

 

বিজিবি সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, মিয়ানমার থেকে তিন ব্যক্তি একটি ইঞ্জিনচালিত কাঠের নৌকাযোগে বিপুল পরিমাণ ইয়াবার চালান নিয়ে নাফ নদী হয়ে টেকনাফে প্রবেশ করবে। তথ্যের ভিত্তিতে টেকনাফ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হানিফুর রহমান ভূঁইয়ার পরিকল্পনা ও নির্দেশনায় জিন্নাখাল এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

 

অভিযানের একপর্যায়ে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মিয়ানমার থেকে আসা একটি নৌকা বাংলাদেশের জলসীমায় প্রবেশ করলে পূর্ব থেকে অবস্থান নেওয়া বিজিবির টহল দল সেটি আটক করে। পরে নৌকাটি তল্লাশি চালিয়ে ১ লাখ ৩০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ সময় মাদক পাচারের সঙ্গে জড়িত তিনজনকে আটক করা হয় এবং নৌকাটি জব্দ করা হয়।

 

আটকরা হলেন— মো. জাহাঙ্গীর আলম (১৯), আব্দুল হোসেন (৩৫) ও মো. সোয়াইব (১৮)। তাদের সবার বাড়ি টেকনাফ উপজেলার সাবরাং দক্ষিণ নয়াপাড়া এলাকায়। এ ঘটনায় আশাদুল (২৫) নামে আরও একজনকে পলাতক আসামি হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে।

 

টেকনাফ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হানিফুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, “বিজিবি সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি মাদক, চোরাচালান ও সব ধরনের অবৈধ পণ্য পাচার প্রতিরোধে সর্বদা সতর্ক ও তৎপর রয়েছে। সীমান্ত অপরাধ দমনে গোয়েন্দা নজরদারি, নিয়মিত টহল ও বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

 

আটক আসামি, উদ্ধারকৃত ইয়াবা এবং জব্দকৃত নৌকার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।