ঢাকা , সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
টেকনাফ রাজারছড়ায় যৌথ বাহিনীর সাঁড়াশি অভিযান: গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো মানব পাচারকারীদের ২০টি আস্তানা টেকনাফে নাফ নদীতে বিজিবির চিরুনি অভিযান খেলাধুলায় তরুণদের সুস্থ ও আত্মবিশ্বাসী করা সম্ভব: এমপি জুই আওয়ামী লীগের সব কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জ: রিট খারিজ করলেন হাইকোর্ট পিরোজপুরে ৪০০ ইয়াবা ও ৩০ গ্রাম আইসসহ গ্রেপ্তার ১ রামপালের এক ইউনিট বন্ধ, উৎপাদন নেমেছে ৬০০ মেগাওয়াটের নিচে বিদ্যুতের পুঞ্জীভূত সংকটে শুধু মন্ত্রীকে দোষারোপ কতটা যৌক্তিক? মোরেলগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পিরোজপুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে তিন মাসের পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু টেকনাফের নাজির হোসেন হত্যার আসামি রিদোয়ান গ্রেপ্তার

ইমাম-মুয়াজ্জিন-পুরোহিতদের সম্মানী কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

সংগৃহীত ছবি

 

দেশের বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত ধর্মীয় নেতাদের জন্য মাসিক সম্মানী প্রদান কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

 

শনিবার (১৪ মার্চ) সকাল ১০টায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এই কর্মসূচির সূচনা করেন।

 

বিএনপি সরকারের অন্যতম নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেমসহ বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের জন্য এই সম্মানী কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। একই কর্মসূচির আওতায় মন্দিরের পুরোহিত, সেবায়েত, বৌদ্ধবিহারের অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ এবং গির্জার যাজকদের জন্যও সম্মানী প্রদানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

 

এর আগে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, এই কর্মসূচির আওতায় দেশের ৪ হাজার ৯০৮টি মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমরা অন্তর্ভুক্ত থাকবেন। পাশাপাশি ৯৯০টি মন্দিরের পুরোহিত, ১৪৪টি বৌদ্ধবিহারের অধ্যক্ষ এবং ৩৯৬টি গির্জার যাজকসহ বিভিন্ন উপাসনালয়ের সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরাও এই সম্মানী কার্যক্রমের আওতায় আসবেন।

 

প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এর উপদেষ্টা জাবিউল্লাহ জানান, এটি আপাতত একটি পাইলট প্রকল্প হিসেবে শুরু হচ্ছে। প্রকল্প অনুযায়ী প্রতিটি মসজিদের জন্য মাসিক ১০ হাজার টাকা বরাদ্দ নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ইমাম পাবেন ৫ হাজার টাকা, মুয়াজ্জিন পাবেন ৩ হাজার টাকা এবং খাদেম পাবেন ২ হাজার টাকা করে।

 

সরকারের সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, এই উদ্যোগের মাধ্যমে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব পালনকারী ব্যক্তিদের আর্থিক সহায়তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি ধর্মীয় ও সামাজিক কর্মকাণ্ডকে আরও সুসংগঠিত করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সরকারের পদস্থ কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন ধর্মের শীর্ষস্থানীয় প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয়

টেকনাফ রাজারছড়ায় যৌথ বাহিনীর সাঁড়াশি অভিযান: গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো মানব পাচারকারীদের ২০টি আস্তানা

ইমাম-মুয়াজ্জিন-পুরোহিতদের সম্মানী কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেট : ০৬:৩৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬
সংগৃহীত ছবি

 

দেশের বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত ধর্মীয় নেতাদের জন্য মাসিক সম্মানী প্রদান কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

 

শনিবার (১৪ মার্চ) সকাল ১০টায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এই কর্মসূচির সূচনা করেন।

 

বিএনপি সরকারের অন্যতম নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেমসহ বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের জন্য এই সম্মানী কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। একই কর্মসূচির আওতায় মন্দিরের পুরোহিত, সেবায়েত, বৌদ্ধবিহারের অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ এবং গির্জার যাজকদের জন্যও সম্মানী প্রদানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

 

এর আগে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, এই কর্মসূচির আওতায় দেশের ৪ হাজার ৯০৮টি মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমরা অন্তর্ভুক্ত থাকবেন। পাশাপাশি ৯৯০টি মন্দিরের পুরোহিত, ১৪৪টি বৌদ্ধবিহারের অধ্যক্ষ এবং ৩৯৬টি গির্জার যাজকসহ বিভিন্ন উপাসনালয়ের সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরাও এই সম্মানী কার্যক্রমের আওতায় আসবেন।

 

প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এর উপদেষ্টা জাবিউল্লাহ জানান, এটি আপাতত একটি পাইলট প্রকল্প হিসেবে শুরু হচ্ছে। প্রকল্প অনুযায়ী প্রতিটি মসজিদের জন্য মাসিক ১০ হাজার টাকা বরাদ্দ নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ইমাম পাবেন ৫ হাজার টাকা, মুয়াজ্জিন পাবেন ৩ হাজার টাকা এবং খাদেম পাবেন ২ হাজার টাকা করে।

 

সরকারের সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, এই উদ্যোগের মাধ্যমে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব পালনকারী ব্যক্তিদের আর্থিক সহায়তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি ধর্মীয় ও সামাজিক কর্মকাণ্ডকে আরও সুসংগঠিত করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সরকারের পদস্থ কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন ধর্মের শীর্ষস্থানীয় প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।