ঢাকা , সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
উপকূলের জন্য বিশেষ বরাদ্দ চায় ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরাম বাগেরহাট মায়ানমারে পাচারকালে সেন্টমার্টিনে বিপুল সিমেন্ট জব্দ, আটক ৯ আর কত রামিসাকে হারাতে হবে? রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট আজই, ৫-৭ দিনের মধ্যে বিচার – স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জমকালো আয়োজনে গুরুর বাড়ি কিডস কমিউনিটির বৈশাখী কিডস ফেস্টিভ্যাল অনুষ্ঠিত মোরেলগঞ্জের চিংড়াখালী ইউনিয়নে মৎস্য ভিজিএফ (VGF) চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে আ.লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সিনিয়র আইনজীবী ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন মারা গেছেন টানা ৮ ঘণ্টার বেশি গণপরিবহন চালালেই লাইসেন্স বাতিল ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক করতে প্রস্তুত ২৫১ রেলকোচ ত্রিশালের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

কলকাতায় জাঁকজমক আয়োজনে বাংলাদেশের বিজয় দিবস উদ্‌যাপন

সংগৃহীত ছবি

 

কলকাতায় যথাযোগ্য মর্যাদায় বাংলাদেশের বিজয় দিবস উদ্‌যাপন করা হয়েছে। একই সঙ্গে ভারতীয় সেনাবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডও দিনটি জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে পালন করে।

 

এ উপলক্ষে মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) সকালে ভারতীয় সেনাবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় সেনা সদর কলকাতার ফোর্ট উইলিয়ামে এক বিশেষ বিজয় দিবস উৎসবের আয়োজন করা হয়।

 

ফোর্ট উইলিয়ামে আয়োজিত এই উৎসবে বাংলাদেশ থেকে আটজন মুক্তিযোদ্ধা, দুজন সেনা কর্মকর্তা ও তাঁদের পরিবারের সদস্যরা যোগ দেন। প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এমডি লুৎফর রহমান।

 

সকালে ফোর্ট উইলিয়ামের বিজয় স্মারকে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়। ভারতীয় সেনাবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল আর সি তেওয়ারি ও বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের প্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এমডি লুৎফর রহমানসহ দুই দেশের সেনা কর্মকর্তারা শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

 

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, ভারতীয় সেনাবাহিনী ও বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধাদের যৌথ লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে পাকিস্তানি বাহিনীকে পরাস্ত করা হয় এবং স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে। তাঁরা মুক্তিযুদ্ধে ভারতীয় সেনা ও মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মত্যাগের কথা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন।

 

অনুষ্ঠান চলাকালে সেনা হেলিকপ্টার থেকে পুষ্পবৃষ্টি করা হয়। এ সময় দেশাত্মবোধক গানও পরিবেশন করা হয়। বিজয় দিবস উপলক্ষে ভারতীয় সেনাবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ড চার দিনব্যাপী নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

 

এদিকে, বিজয় দিবস উপলক্ষে কলকাতার বাংলাদেশ উপহাইকমিশনও দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে। সকালে উপহাইকমিশন চত্বরে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে দিনের কার্যক্রম শুরু হয়। কর্মসূচির মধ্যে ছিল আলোচনা সভা, বিশেষ মোনাজাত ও চিত্রকর শুভাপ্রসন্নর মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে ছবি আঁকার অনুষ্ঠান। এ ছাড়া সন্ধ্যায় একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হয়।

জনপ্রিয়

উপকূলের জন্য বিশেষ বরাদ্দ চায় ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরাম বাগেরহাট

কলকাতায় জাঁকজমক আয়োজনে বাংলাদেশের বিজয় দিবস উদ্‌যাপন

আপডেট : ০৫:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫
সংগৃহীত ছবি

 

কলকাতায় যথাযোগ্য মর্যাদায় বাংলাদেশের বিজয় দিবস উদ্‌যাপন করা হয়েছে। একই সঙ্গে ভারতীয় সেনাবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডও দিনটি জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে পালন করে।

 

এ উপলক্ষে মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) সকালে ভারতীয় সেনাবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় সেনা সদর কলকাতার ফোর্ট উইলিয়ামে এক বিশেষ বিজয় দিবস উৎসবের আয়োজন করা হয়।

 

ফোর্ট উইলিয়ামে আয়োজিত এই উৎসবে বাংলাদেশ থেকে আটজন মুক্তিযোদ্ধা, দুজন সেনা কর্মকর্তা ও তাঁদের পরিবারের সদস্যরা যোগ দেন। প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এমডি লুৎফর রহমান।

 

সকালে ফোর্ট উইলিয়ামের বিজয় স্মারকে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়। ভারতীয় সেনাবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল আর সি তেওয়ারি ও বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের প্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এমডি লুৎফর রহমানসহ দুই দেশের সেনা কর্মকর্তারা শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

 

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, ভারতীয় সেনাবাহিনী ও বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধাদের যৌথ লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে পাকিস্তানি বাহিনীকে পরাস্ত করা হয় এবং স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে। তাঁরা মুক্তিযুদ্ধে ভারতীয় সেনা ও মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মত্যাগের কথা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন।

 

অনুষ্ঠান চলাকালে সেনা হেলিকপ্টার থেকে পুষ্পবৃষ্টি করা হয়। এ সময় দেশাত্মবোধক গানও পরিবেশন করা হয়। বিজয় দিবস উপলক্ষে ভারতীয় সেনাবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ড চার দিনব্যাপী নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

 

এদিকে, বিজয় দিবস উপলক্ষে কলকাতার বাংলাদেশ উপহাইকমিশনও দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে। সকালে উপহাইকমিশন চত্বরে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে দিনের কার্যক্রম শুরু হয়। কর্মসূচির মধ্যে ছিল আলোচনা সভা, বিশেষ মোনাজাত ও চিত্রকর শুভাপ্রসন্নর মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে ছবি আঁকার অনুষ্ঠান। এ ছাড়া সন্ধ্যায় একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হয়।