ঢাকা , বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
বাগেরহাট বিআরটিএ কার্যালয়ে দুদকের অভিযান, মিলেছে অনিয়মের তথ্য তেলবাহী ট্যাংকারের ধাক্কায় মোংলায় কয়লাবোঝাই কার্গো জাহাজ ডুবি অর্থাভাবে অনিশ্চিত এসএসসি, শুভকে সহায়তা করল এবিজি ফাউন্ডেশন মোরেলগঞ্জে খাল থেকে উদ্ধার মরদেহের পরিচয় মিলেছে, নিহত কিশোর মফিজুল পিরোজপুরে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে র‍্যালি ও সমাবেশ যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বাগেরহাটে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও সমাবেশ নবাগত জেলা প্রশাসকের সাথে জলঢাকার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও সুশীল সমাজের পরিচিতি ও মতবিনিময় পিরোজপুরে শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের ১৫৩তম জন্মবার্ষিকী পালিত আইজিপির বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেশে ফিরে নেবেন প্রধানমন্ত্রী: তথ্য উপদেষ্টা আনসার-ভিডিপি একাডেমি পরিদর্শনে চার বন্ধুপ্রতিম দেশের কূটনৈতিক প্রতিনিধিদল; বৈশ্বিক কর্মসংস্থানে বাংলাদেশের নতুন দিগন্ত

কলকাতায় জাঁকজমক আয়োজনে বাংলাদেশের বিজয় দিবস উদ্‌যাপন

সংগৃহীত ছবি

 

কলকাতায় যথাযোগ্য মর্যাদায় বাংলাদেশের বিজয় দিবস উদ্‌যাপন করা হয়েছে। একই সঙ্গে ভারতীয় সেনাবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডও দিনটি জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে পালন করে।

 

এ উপলক্ষে মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) সকালে ভারতীয় সেনাবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় সেনা সদর কলকাতার ফোর্ট উইলিয়ামে এক বিশেষ বিজয় দিবস উৎসবের আয়োজন করা হয়।

 

ফোর্ট উইলিয়ামে আয়োজিত এই উৎসবে বাংলাদেশ থেকে আটজন মুক্তিযোদ্ধা, দুজন সেনা কর্মকর্তা ও তাঁদের পরিবারের সদস্যরা যোগ দেন। প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এমডি লুৎফর রহমান।

 

সকালে ফোর্ট উইলিয়ামের বিজয় স্মারকে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়। ভারতীয় সেনাবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল আর সি তেওয়ারি ও বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের প্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এমডি লুৎফর রহমানসহ দুই দেশের সেনা কর্মকর্তারা শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

 

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, ভারতীয় সেনাবাহিনী ও বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধাদের যৌথ লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে পাকিস্তানি বাহিনীকে পরাস্ত করা হয় এবং স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে। তাঁরা মুক্তিযুদ্ধে ভারতীয় সেনা ও মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মত্যাগের কথা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন।

 

অনুষ্ঠান চলাকালে সেনা হেলিকপ্টার থেকে পুষ্পবৃষ্টি করা হয়। এ সময় দেশাত্মবোধক গানও পরিবেশন করা হয়। বিজয় দিবস উপলক্ষে ভারতীয় সেনাবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ড চার দিনব্যাপী নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

 

এদিকে, বিজয় দিবস উপলক্ষে কলকাতার বাংলাদেশ উপহাইকমিশনও দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে। সকালে উপহাইকমিশন চত্বরে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে দিনের কার্যক্রম শুরু হয়। কর্মসূচির মধ্যে ছিল আলোচনা সভা, বিশেষ মোনাজাত ও চিত্রকর শুভাপ্রসন্নর মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে ছবি আঁকার অনুষ্ঠান। এ ছাড়া সন্ধ্যায় একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হয়।

জনপ্রিয়

বাগেরহাট বিআরটিএ কার্যালয়ে দুদকের অভিযান, মিলেছে অনিয়মের তথ্য

কলকাতায় জাঁকজমক আয়োজনে বাংলাদেশের বিজয় দিবস উদ্‌যাপন

আপডেট : ০৫:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫
সংগৃহীত ছবি

 

কলকাতায় যথাযোগ্য মর্যাদায় বাংলাদেশের বিজয় দিবস উদ্‌যাপন করা হয়েছে। একই সঙ্গে ভারতীয় সেনাবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডও দিনটি জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে পালন করে।

 

এ উপলক্ষে মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) সকালে ভারতীয় সেনাবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় সেনা সদর কলকাতার ফোর্ট উইলিয়ামে এক বিশেষ বিজয় দিবস উৎসবের আয়োজন করা হয়।

 

ফোর্ট উইলিয়ামে আয়োজিত এই উৎসবে বাংলাদেশ থেকে আটজন মুক্তিযোদ্ধা, দুজন সেনা কর্মকর্তা ও তাঁদের পরিবারের সদস্যরা যোগ দেন। প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এমডি লুৎফর রহমান।

 

সকালে ফোর্ট উইলিয়ামের বিজয় স্মারকে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়। ভারতীয় সেনাবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল আর সি তেওয়ারি ও বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের প্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এমডি লুৎফর রহমানসহ দুই দেশের সেনা কর্মকর্তারা শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

 

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, ভারতীয় সেনাবাহিনী ও বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধাদের যৌথ লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে পাকিস্তানি বাহিনীকে পরাস্ত করা হয় এবং স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে। তাঁরা মুক্তিযুদ্ধে ভারতীয় সেনা ও মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মত্যাগের কথা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন।

 

অনুষ্ঠান চলাকালে সেনা হেলিকপ্টার থেকে পুষ্পবৃষ্টি করা হয়। এ সময় দেশাত্মবোধক গানও পরিবেশন করা হয়। বিজয় দিবস উপলক্ষে ভারতীয় সেনাবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ড চার দিনব্যাপী নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

 

এদিকে, বিজয় দিবস উপলক্ষে কলকাতার বাংলাদেশ উপহাইকমিশনও দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে। সকালে উপহাইকমিশন চত্বরে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে দিনের কার্যক্রম শুরু হয়। কর্মসূচির মধ্যে ছিল আলোচনা সভা, বিশেষ মোনাজাত ও চিত্রকর শুভাপ্রসন্নর মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে ছবি আঁকার অনুষ্ঠান। এ ছাড়া সন্ধ্যায় একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হয়।