আমীরে হিযবুল্লাহ ছারছীনা শরীফের পীর ছাহেব আলহাজ্ব হযরত মাওলানা শাহ্ আবু নছর নেছারুদ্দীন আহমদ হুসাইন (মা.জি.আ.) বলেছেন, মানুষ সঠিক আক্বীদার মাধ্যমে মুসলিম হয় এবং ভ্রান্ত আক্বীদার কারণেই মুশরিক হয়ে যায়। শিরক ও কুফরির মূল ভিত্তি হলো বদ আক্বীদা। তাই একজন মুসলমানের ঈমান ও নেক আমল টিকিয়ে রাখতে হলে সঠিক আক্বীদার কোনো বিকল্প নেই।
তিনি বলেন, দ্বীন ইসলাম যেমন বাড়াবাড়িকে সমর্থন করে না, তেমনি শিথিলতাকেও প্রশ্রয় দেয় না। একজন মুসলমানের অনুসরণীয় পথ হলো মধ্যমপন্থা তথা সীরাতে মুস্তাকিম। সঠিক আক্বীদার পরিপন্থী কর্মপন্থা অবলম্বনের মাধ্যমে মানুষের ঈমান ধ্বংস হয়ে যায়।
শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) ঝালকাঠি জেলার রাজাপুর উপজেলার মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বাংলাদেশ জমইয়াতে হিযবুল্লাহর আয়োজনে অনুষ্ঠিত ঈছালে ছাওয়াব মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। পীর ছাহেব আরও বলেন, বর্তমান দ্বীনী শিক্ষা ব্যবস্থার ক্রান্তিলগ্নে সহশিক্ষার নেতিবাচক প্রভাব থেকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে রক্ষা করতে হলে দ্বীনিয়া মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা ও সংরক্ষণের কোনো বিকল্প নেই। সঠিক আক্বীদা ও আমলের চর্চাকেন্দ্র হিসেবে দ্বীনিয়া মাদ্রাসাগুলো সারা বাংলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। তিনি বলেন, ছারছীনা মাসলাকের কর্মপন্থা হলো হযরত মুজাদ্দেদে আলফে সানী (রহ.) এর অনুসৃত পথ। ইসলামের প্রয়োজনে ইস্যুভিত্তিক ঐক্য প্রয়োজন হলেও ঐক্যের নামে বিভিন্ন মত ও দর্শনের সমন্বয়ে বিভ্রান্তিকর কিছু উদ্ভাবন করা আকবরের ‘দ্বীন-ই-ইলাহী’র মতোই ভ্রান্ত ধারণা। এ বিষয়ে মুসলমানদের সতর্ক থাকতে হবে।
মাহফিলে বিশেষ অতিথি ও আলোচক হিসেবে আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জমইয়াতে হিযবুল্লাহর সিনিয়র নায়েবে আমীর আলহাজ্ব হযরত মাওলানা শাহ্ আবু বকর মোহাম্মদ ছালেহ নেছারুল্লাহ, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা হেমায়েত বিন তৈয়্যেব, ছারছীনা দারুচ্ছুন্নাত জামেয়া-এ-নেছারীয়া দ্বীনিয়ার নায়েবে মুদীর মাওলানা মো. মামুনুল হক এবং পীর ছাহেব কেবলার সফরসঙ্গী মাওলানা মোহেব্বুল্লাহ আল মাহমুদসহ অন্যান্য আলেম ও ওলামায়ে কেরাম।

দক্ষিণাঞ্চল প্রতিবেদকঃ 



















