ঢাকা , রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
টেকনাফে সাগরে ভেসে এলো রোহিঙ্গার মরদেহ, আরসা সদস্য হওয়ার ধারণা পুলিশের মোরেলগঞ্জে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে অবশেষে মনপুরা-চরফ্যাশনের তিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরকারীকরণ হচ্ছে মোরেলগঞ্জে নির্মাণাধীন সেপটিক ট্যাংকের দেয়াল ধসে শ্রমিক নিহত, আহত ১ ইস্তানবুল হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টের চেয়ারম্যান মাসুদ সাঈদী, এমপি- বিদেশ সফর শেষে দেশে ফিরলে বিমানবন্দরে উষ্ণ অভ্যর্থনা প্রধানমন্ত্রীর সাথে মার্কিন বিশেষ দূত সার্জিও গরের সাক্ষাৎ: দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও পারস্পরিক সহযোগিতার তাগিদ জলঢাকায় ৮ম শ্রেণির ছাত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যু: নেপথ্যে বখাটেদের মারধর ও মা-বাবার নির্যাতন! ​ বাগেরহাট জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন: দিপু সভাপতি, জালাল সম্পাদক নির্বাচিত টেকনাফে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ৬ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবাসহ আটক ২ হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির ১০ নেতার বিরুদ্ধে মামলা, আসামি সারজিস ও নাসীরুদ্দীন

আওয়ামী লীগের কর্মসূচি ঘিরে সরকারের অবস্থান

সংগৃহীত ছবি

 

জুলাই-আগস্টের গণহত্যার বিচার না হওয়া পর্যন্ত আওয়ামী লীগকে কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচি করতে দেওয়া হবে না‌ বলে‌ জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সেক্রেটারি শফিকুল আলম। তিনি আরও বলেছেন, একইসঙ্গে হত্যাকাণ্ডের জন্য তাদের জাতির কাছে ক্ষমা চাইতে হবে।

 

বুধবার (২৯ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে আওয়ামী লীগ নিয়ে সরকারের এ অবস্থানের কথা জানান শফিকুল আলম।

 

এর আগে আজ সকালে নিজের ফেসবুকে এক পোস্টেও এ বিষয়ে কথা বলেন তিনি।

 

সংবাদ ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, আওয়ামী লীগ গতকাল মঙ্গলবার তাদের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে পোস্ট করেছে যে ১ ফেব্রুয়ারি শুরু করে ১৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত হরতাল, অবরোধ ও বিক্ষোভ কর্মসূচি আছে। এ বিষয়ে সরকারের অবস্থান কী বা সরকার কী ভাবছে?

 

জবাবে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, সরকারের অবস্থান খুবই স্পষ্ট। আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃত্বসহ অনেকেই পুরো জুলাই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। গতকাল হিউম্যান রাইটস ওয়াচের (এইচআরডব্লিউ) প্রতিবেদনে লেখা হয়েছে যে শেখ হাসিনা নিজেই গুম ও হত্যার সরাসরি নির্দেশ দিয়েছেন। এত বড় একটি হত্যাকাণ্ড হলো বাংলাদেশের ইতিহাসে, চোখের সামনে বাচ্চা বাচ্চা ছেলে–মেয়েদের খুন করা হলো, শত শত ছেলে অন্ধ হয়ে গেছে। অনেকে সারা জীবনের জন্য পঙ্গু হয়ে গেছে। তাতে তাদের মধ্যে কোনো অনুশোচনা নেই। বরং তারা আরও মিথ্যা কথা বলছে যে তিন হাজার পুলিশ মারা গেছে। কত বড় মিথ্যাচার!

 

শফিকুল আলম বলেন, বাংলাদেশে যত দিন না তারা (আওয়ামী লীগ) ক্ষমা চাচ্ছে, যত দিন না তাদের নেতৃত্বকে বিচারের মধ্যে আনা হচ্ছে এবং বিচারের মুখোমুখি করা হচ্ছে, যত দিন না তাদের জবাবদিহির মধ্যে আসছে, তত দিন তাদের কোনো প্রোটেস্ট (প্রতিবাদ কর্মসূচি) করতে দেওয়া হবে না। তাদের আগে বিচারের সম্মুখীন হতে হবে। এখানে সরকারের স্পষ্ট অবস্থান।

 

টেকনাফে সাগরে ভেসে এলো রোহিঙ্গার মরদেহ, আরসা সদস্য হওয়ার ধারণা পুলিশের

আওয়ামী লীগের কর্মসূচি ঘিরে সরকারের অবস্থান

আপডেট : ০৮:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৫
সংগৃহীত ছবি

 

জুলাই-আগস্টের গণহত্যার বিচার না হওয়া পর্যন্ত আওয়ামী লীগকে কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচি করতে দেওয়া হবে না‌ বলে‌ জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সেক্রেটারি শফিকুল আলম। তিনি আরও বলেছেন, একইসঙ্গে হত্যাকাণ্ডের জন্য তাদের জাতির কাছে ক্ষমা চাইতে হবে।

 

বুধবার (২৯ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে আওয়ামী লীগ নিয়ে সরকারের এ অবস্থানের কথা জানান শফিকুল আলম।

 

এর আগে আজ সকালে নিজের ফেসবুকে এক পোস্টেও এ বিষয়ে কথা বলেন তিনি।

 

সংবাদ ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, আওয়ামী লীগ গতকাল মঙ্গলবার তাদের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে পোস্ট করেছে যে ১ ফেব্রুয়ারি শুরু করে ১৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত হরতাল, অবরোধ ও বিক্ষোভ কর্মসূচি আছে। এ বিষয়ে সরকারের অবস্থান কী বা সরকার কী ভাবছে?

 

জবাবে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, সরকারের অবস্থান খুবই স্পষ্ট। আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃত্বসহ অনেকেই পুরো জুলাই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। গতকাল হিউম্যান রাইটস ওয়াচের (এইচআরডব্লিউ) প্রতিবেদনে লেখা হয়েছে যে শেখ হাসিনা নিজেই গুম ও হত্যার সরাসরি নির্দেশ দিয়েছেন। এত বড় একটি হত্যাকাণ্ড হলো বাংলাদেশের ইতিহাসে, চোখের সামনে বাচ্চা বাচ্চা ছেলে–মেয়েদের খুন করা হলো, শত শত ছেলে অন্ধ হয়ে গেছে। অনেকে সারা জীবনের জন্য পঙ্গু হয়ে গেছে। তাতে তাদের মধ্যে কোনো অনুশোচনা নেই। বরং তারা আরও মিথ্যা কথা বলছে যে তিন হাজার পুলিশ মারা গেছে। কত বড় মিথ্যাচার!

 

শফিকুল আলম বলেন, বাংলাদেশে যত দিন না তারা (আওয়ামী লীগ) ক্ষমা চাচ্ছে, যত দিন না তাদের নেতৃত্বকে বিচারের মধ্যে আনা হচ্ছে এবং বিচারের মুখোমুখি করা হচ্ছে, যত দিন না তাদের জবাবদিহির মধ্যে আসছে, তত দিন তাদের কোনো প্রোটেস্ট (প্রতিবাদ কর্মসূচি) করতে দেওয়া হবে না। তাদের আগে বিচারের সম্মুখীন হতে হবে। এখানে সরকারের স্পষ্ট অবস্থান।