ঢাকা , রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
টেকনাফে সাগরে ভেসে এলো রোহিঙ্গার মরদেহ, আরসা সদস্য হওয়ার ধারণা পুলিশের মোরেলগঞ্জে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে অবশেষে মনপুরা-চরফ্যাশনের তিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরকারীকরণ হচ্ছে মোরেলগঞ্জে নির্মাণাধীন সেপটিক ট্যাংকের দেয়াল ধসে শ্রমিক নিহত, আহত ১ ইস্তানবুল হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টের চেয়ারম্যান মাসুদ সাঈদী, এমপি- বিদেশ সফর শেষে দেশে ফিরলে বিমানবন্দরে উষ্ণ অভ্যর্থনা প্রধানমন্ত্রীর সাথে মার্কিন বিশেষ দূত সার্জিও গরের সাক্ষাৎ: দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও পারস্পরিক সহযোগিতার তাগিদ জলঢাকায় ৮ম শ্রেণির ছাত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যু: নেপথ্যে বখাটেদের মারধর ও মা-বাবার নির্যাতন! ​ বাগেরহাট জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন: দিপু সভাপতি, জালাল সম্পাদক নির্বাচিত টেকনাফে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ৬ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবাসহ আটক ২ হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির ১০ নেতার বিরুদ্ধে মামলা, আসামি সারজিস ও নাসীরুদ্দীন

সরকারের কাছে আমরা ন্যায়বিচার চাই: আলাল

অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল | সংগৃহীত ছবি

 

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্দেশে বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেছেন, আমাদের নামে অজস্র মিথ্যা এবং রাজনৈতিক প্রতিহিংসার মামলা রয়েছে, মামলাগুলো তুলে নেওয়ার জন্য আপনারা দাবাড়ুদের মতো দাবার গুটি সাজিয়েছেন। এটা হলে ওইটা হবে, আর ওইটা হলে এটা হবে। এটাতো ন্যায়বিচার নয়। আমরা এই সরকারের কাছে ন্যায়বিচার চাই।

 

শনিবার (২১ ডিসেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক পরিষদের উদ্যোগে সাবেক মন্ত্রী আব্দুস সালাম পিন্টু, লুৎফুজ্জামান বাবর ও সাবেক ছাত্রনেতা জাকির খানসহ সব রাজবন্দিদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

 

মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেন, খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানসহ অসংখ্য নেতাকর্মীর নামে অজস্র মামলা রয়েছে। সে মামলাগুলো এখনো কেন তুলে নেওয়া হচ্ছে না। যে মামলাগুলোতে আমাদের সাজা দেওয়া হয়েছে, সে মামলাগুলোর তথ্য প্রমাণ কিছুই পাওয়া যায়নি। যার বড় প্রমাণ দেশনেত্রী খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমান নিজেই। বেগম জিয়া দুই কোটি টাকা এক অ্যাকাউন্ট থেকে আরেক অ্যাকাউন্টে নিয়েছেন। এ কারণে যে জজ বেগম জিয়াকে ১২ বছরের সাজা দিয়েছেন, সেই জজকে এক সপ্তাহের মধ্যে প্রমোশন দিয়ে বিচারপতি বানানো হয়েছে।

 

আওয়ামী লীগকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, গোটা বিচার বিভাগকে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করে, বিচারপতি খায়রুল হক ও ওবায়দুল হাসানকে ব্যবহার করে মানুষের ন্যায্য অধিকার, ভোটের অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। এটা এই সরকারের প্রধানরাও স্বীকার করছেন।

 

আলাল বলেন, গতকাল একজন উপদেষ্টা মারা গেছেন। তিনি আইনের দিক থেকে একজন বিজ্ঞ মানুষ ছিলেন। জীবিত থাকা অবস্থায় তিনি আইনের ব্যাখ্যায় অনেক কথা বলেছেন। কিন্তু বাস্তবে তার প্রয়োগ আমরা দেখিনি। আইন উপদেষ্টা হিসেবে আসিফ নজরুল আছেন। আইনের একজন শিক্ষক। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো একটি জায়গায় তিনি আছেন। তার পক্ষ থেকে বাংলাদেশের মানুষ ন্যায় বিচারের দৃষ্টান্ত আশা করে।

 

বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক পরিষদের আহ্বায়ক মোহাম্মদ কামাল আহমেদের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক পার্টির সাংগঠনিক সম্পাদক মীর আমির হোসেন আমু, বাংলাদেশ চালক দলের সভাপতি জসিম উদ্দিন কবির, নারায়ণগঞ্জ সদর থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক পারভেজ মল্লিক, এল কে রনি, দেলোয়ার হোসেন খোকনসহ বিভিন্ন পর্যায়ে নেতা-কর্মীরা।

টেকনাফে সাগরে ভেসে এলো রোহিঙ্গার মরদেহ, আরসা সদস্য হওয়ার ধারণা পুলিশের

সরকারের কাছে আমরা ন্যায়বিচার চাই: আলাল

আপডেট : ০৮:৫৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২৪
অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল | সংগৃহীত ছবি

 

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্দেশে বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেছেন, আমাদের নামে অজস্র মিথ্যা এবং রাজনৈতিক প্রতিহিংসার মামলা রয়েছে, মামলাগুলো তুলে নেওয়ার জন্য আপনারা দাবাড়ুদের মতো দাবার গুটি সাজিয়েছেন। এটা হলে ওইটা হবে, আর ওইটা হলে এটা হবে। এটাতো ন্যায়বিচার নয়। আমরা এই সরকারের কাছে ন্যায়বিচার চাই।

 

শনিবার (২১ ডিসেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক পরিষদের উদ্যোগে সাবেক মন্ত্রী আব্দুস সালাম পিন্টু, লুৎফুজ্জামান বাবর ও সাবেক ছাত্রনেতা জাকির খানসহ সব রাজবন্দিদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

 

মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেন, খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানসহ অসংখ্য নেতাকর্মীর নামে অজস্র মামলা রয়েছে। সে মামলাগুলো এখনো কেন তুলে নেওয়া হচ্ছে না। যে মামলাগুলোতে আমাদের সাজা দেওয়া হয়েছে, সে মামলাগুলোর তথ্য প্রমাণ কিছুই পাওয়া যায়নি। যার বড় প্রমাণ দেশনেত্রী খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমান নিজেই। বেগম জিয়া দুই কোটি টাকা এক অ্যাকাউন্ট থেকে আরেক অ্যাকাউন্টে নিয়েছেন। এ কারণে যে জজ বেগম জিয়াকে ১২ বছরের সাজা দিয়েছেন, সেই জজকে এক সপ্তাহের মধ্যে প্রমোশন দিয়ে বিচারপতি বানানো হয়েছে।

 

আওয়ামী লীগকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, গোটা বিচার বিভাগকে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করে, বিচারপতি খায়রুল হক ও ওবায়দুল হাসানকে ব্যবহার করে মানুষের ন্যায্য অধিকার, ভোটের অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। এটা এই সরকারের প্রধানরাও স্বীকার করছেন।

 

আলাল বলেন, গতকাল একজন উপদেষ্টা মারা গেছেন। তিনি আইনের দিক থেকে একজন বিজ্ঞ মানুষ ছিলেন। জীবিত থাকা অবস্থায় তিনি আইনের ব্যাখ্যায় অনেক কথা বলেছেন। কিন্তু বাস্তবে তার প্রয়োগ আমরা দেখিনি। আইন উপদেষ্টা হিসেবে আসিফ নজরুল আছেন। আইনের একজন শিক্ষক। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো একটি জায়গায় তিনি আছেন। তার পক্ষ থেকে বাংলাদেশের মানুষ ন্যায় বিচারের দৃষ্টান্ত আশা করে।

 

বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক পরিষদের আহ্বায়ক মোহাম্মদ কামাল আহমেদের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক পার্টির সাংগঠনিক সম্পাদক মীর আমির হোসেন আমু, বাংলাদেশ চালক দলের সভাপতি জসিম উদ্দিন কবির, নারায়ণগঞ্জ সদর থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক পারভেজ মল্লিক, এল কে রনি, দেলোয়ার হোসেন খোকনসহ বিভিন্ন পর্যায়ে নেতা-কর্মীরা।