ঢাকা , রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
টেকনাফে সাগরে ভেসে এলো রোহিঙ্গার মরদেহ, আরসা সদস্য হওয়ার ধারণা পুলিশের মোরেলগঞ্জে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে অবশেষে মনপুরা-চরফ্যাশনের তিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরকারীকরণ হচ্ছে মোরেলগঞ্জে নির্মাণাধীন সেপটিক ট্যাংকের দেয়াল ধসে শ্রমিক নিহত, আহত ১ ইস্তানবুল হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টের চেয়ারম্যান মাসুদ সাঈদী, এমপি- বিদেশ সফর শেষে দেশে ফিরলে বিমানবন্দরে উষ্ণ অভ্যর্থনা প্রধানমন্ত্রীর সাথে মার্কিন বিশেষ দূত সার্জিও গরের সাক্ষাৎ: দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও পারস্পরিক সহযোগিতার তাগিদ জলঢাকায় ৮ম শ্রেণির ছাত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যু: নেপথ্যে বখাটেদের মারধর ও মা-বাবার নির্যাতন! ​ বাগেরহাট জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন: দিপু সভাপতি, জালাল সম্পাদক নির্বাচিত টেকনাফে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ৬ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবাসহ আটক ২ হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির ১০ নেতার বিরুদ্ধে মামলা, আসামি সারজিস ও নাসীরুদ্দীন

জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ-ভাঙচুর

জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয় | সংগৃহীত ছবি

 

বৃহস্পতিবার (৩১ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে রাজধানীর কাকরাইলে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আগুন ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। ফ্যাসিবাদবিরোধী ছাত্র-শ্রমিক-জনতার ব্যানারে কয়েক শতাধিক মানুষ এই কর্মকাণ্ড ঘটিয়েছে। ফায়ার সার্ভিস একটি দল ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে আগুন নিভিয়েছে।

 

 

ঘটনাস্থলে উপস্থিত তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থী নেওয়াজ খান বাপ্পী গণমাধ্যমকে বলেন, আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একটি মিছিল নিয়ে এসেছিলাম। কিন্তু মিছিল পার্টির কার্যালয়ের সামনে আসতেই আমাদের ওপর আক্রমণ করা হয়। এতে অসংখ্য নেতাকর্মী আহত হন।

 

তিনি আরও বলেন, হামলার শিকার হয়ে পরবর্তীতে আমরা আবার জড়ো হয়ে সন্ত্রাসীদের প্রতিহত করতে এখানে আসি। তারপর সন্ত্রাসী আমাদের দিকে বন্দুক তাক করলে বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতা তাদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুঁড়ে।

 

ছাত্র অধিকার পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক হারুন রশিদ বলেন, সন্ধ্যা ৬টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি থেকে আমরা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতাকে নিয়ে মিছিল শুরু করি। বিজয়নগর পানির ট্যাঙ্কির সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে মিছিল শেষ হওয়ার কথা। তবে মিছিলটি জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় দপ্তরের সামনে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে উপর্যুপরি আক্রমণ করা হয়। আমাদের প্রায় ২০ জন আহত হয়েছেন।

 

জাতীয় পার্টির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু গণমাধ্যমকে বলেন, আজকের এ অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি নিয়ে আমরা দলীয় মিটিংয়ে বসেছি। মিটিং শেষে আমরা প্রতিক্রিয়া জানাব।

 

 

একই সাথে তিনি বলেন, কর্মীদের প্রতিরোধে হামলাকারীরা মার খেয়ে পালিয়ে যায়। আধা ঘণ্টা পর সংঘবদ্ধ হয়ে ফিরে তারা কার্যালয় আগুন দেয়। আগুন নেভাতে ফায়ার সার্ভিস এসেছিল। তাদের আগুন নেভাতে দেওয়া হয়নি। এভাবে যদি একটি রাজনৈতিক দলের কার্যালয়ে হামলা হয়, তাহলে দেশে কীসের গণতন্ত্র, কীসের রাজনীতি।’

টেকনাফে সাগরে ভেসে এলো রোহিঙ্গার মরদেহ, আরসা সদস্য হওয়ার ধারণা পুলিশের

জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ-ভাঙচুর

আপডেট : ০৬:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৪
জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয় | সংগৃহীত ছবি

 

বৃহস্পতিবার (৩১ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে রাজধানীর কাকরাইলে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আগুন ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। ফ্যাসিবাদবিরোধী ছাত্র-শ্রমিক-জনতার ব্যানারে কয়েক শতাধিক মানুষ এই কর্মকাণ্ড ঘটিয়েছে। ফায়ার সার্ভিস একটি দল ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে আগুন নিভিয়েছে।

 

 

ঘটনাস্থলে উপস্থিত তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থী নেওয়াজ খান বাপ্পী গণমাধ্যমকে বলেন, আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একটি মিছিল নিয়ে এসেছিলাম। কিন্তু মিছিল পার্টির কার্যালয়ের সামনে আসতেই আমাদের ওপর আক্রমণ করা হয়। এতে অসংখ্য নেতাকর্মী আহত হন।

 

তিনি আরও বলেন, হামলার শিকার হয়ে পরবর্তীতে আমরা আবার জড়ো হয়ে সন্ত্রাসীদের প্রতিহত করতে এখানে আসি। তারপর সন্ত্রাসী আমাদের দিকে বন্দুক তাক করলে বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতা তাদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুঁড়ে।

 

ছাত্র অধিকার পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক হারুন রশিদ বলেন, সন্ধ্যা ৬টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি থেকে আমরা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতাকে নিয়ে মিছিল শুরু করি। বিজয়নগর পানির ট্যাঙ্কির সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে মিছিল শেষ হওয়ার কথা। তবে মিছিলটি জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় দপ্তরের সামনে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে উপর্যুপরি আক্রমণ করা হয়। আমাদের প্রায় ২০ জন আহত হয়েছেন।

 

জাতীয় পার্টির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু গণমাধ্যমকে বলেন, আজকের এ অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি নিয়ে আমরা দলীয় মিটিংয়ে বসেছি। মিটিং শেষে আমরা প্রতিক্রিয়া জানাব।

 

 

একই সাথে তিনি বলেন, কর্মীদের প্রতিরোধে হামলাকারীরা মার খেয়ে পালিয়ে যায়। আধা ঘণ্টা পর সংঘবদ্ধ হয়ে ফিরে তারা কার্যালয় আগুন দেয়। আগুন নেভাতে ফায়ার সার্ভিস এসেছিল। তাদের আগুন নেভাতে দেওয়া হয়নি। এভাবে যদি একটি রাজনৈতিক দলের কার্যালয়ে হামলা হয়, তাহলে দেশে কীসের গণতন্ত্র, কীসের রাজনীতি।’