ঢাকা , সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
টেকনাফ রাজারছড়ায় যৌথ বাহিনীর সাঁড়াশি অভিযান: গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো মানব পাচারকারীদের ২০টি আস্তানা টেকনাফে নাফ নদীতে বিজিবির চিরুনি অভিযান খেলাধুলায় তরুণদের সুস্থ ও আত্মবিশ্বাসী করা সম্ভব: এমপি জুই আওয়ামী লীগের সব কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জ: রিট খারিজ করলেন হাইকোর্ট পিরোজপুরে ৪০০ ইয়াবা ও ৩০ গ্রাম আইসসহ গ্রেপ্তার ১ রামপালের এক ইউনিট বন্ধ, উৎপাদন নেমেছে ৬০০ মেগাওয়াটের নিচে বিদ্যুতের পুঞ্জীভূত সংকটে শুধু মন্ত্রীকে দোষারোপ কতটা যৌক্তিক? মোরেলগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পিরোজপুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে তিন মাসের পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু টেকনাফের নাজির হোসেন হত্যার আসামি রিদোয়ান গ্রেপ্তার

১০ বছর পর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ম্যাচ জিতল বাংলাদেশের মেয়েরা

  • সংবাদ360 ডেস্ক
  • আপডেট : ০৩:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৪
  • ২৪৮ ভিউ
সংগৃহীত ছবি

 

স্কটল্যান্ডকে ১৬ রানে হারিয়ে নারী টি-২০ বিশ্বকাপে শুভসূচনা পেয়েছে বাংলাদেশ। ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটের বিশ্ব আসরে দীর্ঘ ১০ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে জয়ের দেখা পেল টিম বাঘিনীরা।

 

বৃহস্পতিবার (৩ অক্টোবর) টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে টসে জিতে ব্যাটিংয়ে ৭ উইকেটে ১১৯ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশের নারী দল। জবাবে স্কটল্যান্ড ৭ উইকেটে ১০৩ রানেই অলআউট হয়ে যায়। ফলে ১৬ রানের জয় দিয়ে মেয়েদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের নবম আসর শুরু করেছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।

 

টসে জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে বাংলাদেশের সংগ্রহ খুব একটা বড় ছিল না। তবে ৭ উইকেটে ১১৯ রানের পুঁজিতেই জয় এনে দেন বোলাররা। স্কটল্যান্ডকে তাঁরা ৭ উইকেটে ১০৩ রানে আটকে দেন।

 

 

এর আগে ঘরের মাঠে অনুষ্ঠিত ২০১৪ বিশ্বকাপে বাংলাদেশ নারী দল প্রথমবার খেলতে নেমে দুই ম্যাচে জিতেছিল। যা ছিল সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটের বিশ্বকাপে টাইগ্রেসদের সর্বশেষ জয়। এরপর আরেকটি জয় পেতে বাংলাদেশকে আরও ১০ বছর অপেক্ষা করতে হয়েছে। নাহিদা আক্তার, মারুফা খাতুন ও রিতু মনিদের দুর্দান্ত বোলিংয়ে স্বার্থক হয়েছে অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতির মাইলফলক ম্যাচটি। বাংলাদেশের প্রথম কোনো নারী ক্রিকেটার হিসেবে এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার এদিন শততম টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলতে নামেন।

 

শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অতিরিক্ত তাপমাত্রায় হাঁসফাঁস করতে দেখা গেছে বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের। এর আগে তাদের এই মাঠে কোনো প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতাও ছিল না। প্রথমবার খেলতে নেমে সোবহানা মোস্তারির ৩৪ এবং সাথী রানির ২৯ রানের সুবাদে ১১৯ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশের মেয়েরা। পরে দ্বিতীয় ইনিংসের শুরু থেকে স্কটল্যান্ড ব্যাটারদের তেমন চড়াও হওয়ার সুযোগ না দিয়ে নিয়ন্ত্রণে রেখে বোলিং করেছেন নাহিদা-মারুফারা।

 

লক্ষ্য তাড়ায় দলীয় মাত্র ১২ রানেই প্রথম উইকেট হারায় স্কটল্যান্ড। সাসকিয়া হরলিয়াকে (৮) ফিরিয়ে ফাহিমা খাতুন প্রথম আঘাতটা হানেন। এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে চাপ বাড়তে থাকে স্কটল্যান্ড শিবিরে। একে একে ক্যাথরিন ব্রাইস (১১), এইলসা লিস্টার (৫), প্রিয়ানাজ চ্যাটার্জিদের (৫) ফিরিয়েছেন মারুফা-রিতুরা। ফলে এক প্রান্ত আগলে রাখলেও যোগ্য সঙ্গীর অভাবে দলের বিপদ কাটাতে পারেননি সারাহ ব্রাইস।

 

তবে শেষ পর্যন্ত অপরাজিত ছিলেন এই স্কটিশ ওপেনার। তার ভরসায় হয়তো জয়ের স্বপ্নও দেখছিল প্রথমবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে আসা স্কটল্যান্ডের মেয়েরা। শেষ পর্যন্ত সারাহ অপরাজিত ছিলেন ৪৯ রানে। ৫২ বলের ইনিংসে একটি চারের বাউন্ডারি আসে তার ব্যাট থেকে। এ ছাড়া বলার মতো রান পাননি আর কোনো ব্যাটারই।

 

ওভারপ্রতি ৬ রানের লক্ষ্য নিয়ে নামা স্কটিশদের বড় পরীক্ষায় ফেলেন রিতু মনি। ডানহাতি এই মিডিয়াম পেসার ৪ ওভারে ১৫ রান দিয়ে নেন ২ উইকেট। বাংলাদেশের বোলিংয়ে সাফল্যের শুরুটা অবশ্য ফাহিমা খাতুনের হাত ধরে। ইনিংসের তৃতীয় ওভারেই সাসকিয়া হরলিকে ফেরান তিনি। পাওয়ারপ্লের শেষ ওভারে ক্যাথরিন ব্রাইসকে ফেরান মারুফা আক্তার।

জনপ্রিয়

টেকনাফ রাজারছড়ায় যৌথ বাহিনীর সাঁড়াশি অভিযান: গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো মানব পাচারকারীদের ২০টি আস্তানা

১০ বছর পর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ম্যাচ জিতল বাংলাদেশের মেয়েরা

আপডেট : ০৩:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৪
সংগৃহীত ছবি

 

স্কটল্যান্ডকে ১৬ রানে হারিয়ে নারী টি-২০ বিশ্বকাপে শুভসূচনা পেয়েছে বাংলাদেশ। ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটের বিশ্ব আসরে দীর্ঘ ১০ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে জয়ের দেখা পেল টিম বাঘিনীরা।

 

বৃহস্পতিবার (৩ অক্টোবর) টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে টসে জিতে ব্যাটিংয়ে ৭ উইকেটে ১১৯ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশের নারী দল। জবাবে স্কটল্যান্ড ৭ উইকেটে ১০৩ রানেই অলআউট হয়ে যায়। ফলে ১৬ রানের জয় দিয়ে মেয়েদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের নবম আসর শুরু করেছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।

 

টসে জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে বাংলাদেশের সংগ্রহ খুব একটা বড় ছিল না। তবে ৭ উইকেটে ১১৯ রানের পুঁজিতেই জয় এনে দেন বোলাররা। স্কটল্যান্ডকে তাঁরা ৭ উইকেটে ১০৩ রানে আটকে দেন।

 

 

এর আগে ঘরের মাঠে অনুষ্ঠিত ২০১৪ বিশ্বকাপে বাংলাদেশ নারী দল প্রথমবার খেলতে নেমে দুই ম্যাচে জিতেছিল। যা ছিল সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটের বিশ্বকাপে টাইগ্রেসদের সর্বশেষ জয়। এরপর আরেকটি জয় পেতে বাংলাদেশকে আরও ১০ বছর অপেক্ষা করতে হয়েছে। নাহিদা আক্তার, মারুফা খাতুন ও রিতু মনিদের দুর্দান্ত বোলিংয়ে স্বার্থক হয়েছে অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতির মাইলফলক ম্যাচটি। বাংলাদেশের প্রথম কোনো নারী ক্রিকেটার হিসেবে এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার এদিন শততম টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলতে নামেন।

 

শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অতিরিক্ত তাপমাত্রায় হাঁসফাঁস করতে দেখা গেছে বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের। এর আগে তাদের এই মাঠে কোনো প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতাও ছিল না। প্রথমবার খেলতে নেমে সোবহানা মোস্তারির ৩৪ এবং সাথী রানির ২৯ রানের সুবাদে ১১৯ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশের মেয়েরা। পরে দ্বিতীয় ইনিংসের শুরু থেকে স্কটল্যান্ড ব্যাটারদের তেমন চড়াও হওয়ার সুযোগ না দিয়ে নিয়ন্ত্রণে রেখে বোলিং করেছেন নাহিদা-মারুফারা।

 

লক্ষ্য তাড়ায় দলীয় মাত্র ১২ রানেই প্রথম উইকেট হারায় স্কটল্যান্ড। সাসকিয়া হরলিয়াকে (৮) ফিরিয়ে ফাহিমা খাতুন প্রথম আঘাতটা হানেন। এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে চাপ বাড়তে থাকে স্কটল্যান্ড শিবিরে। একে একে ক্যাথরিন ব্রাইস (১১), এইলসা লিস্টার (৫), প্রিয়ানাজ চ্যাটার্জিদের (৫) ফিরিয়েছেন মারুফা-রিতুরা। ফলে এক প্রান্ত আগলে রাখলেও যোগ্য সঙ্গীর অভাবে দলের বিপদ কাটাতে পারেননি সারাহ ব্রাইস।

 

তবে শেষ পর্যন্ত অপরাজিত ছিলেন এই স্কটিশ ওপেনার। তার ভরসায় হয়তো জয়ের স্বপ্নও দেখছিল প্রথমবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে আসা স্কটল্যান্ডের মেয়েরা। শেষ পর্যন্ত সারাহ অপরাজিত ছিলেন ৪৯ রানে। ৫২ বলের ইনিংসে একটি চারের বাউন্ডারি আসে তার ব্যাট থেকে। এ ছাড়া বলার মতো রান পাননি আর কোনো ব্যাটারই।

 

ওভারপ্রতি ৬ রানের লক্ষ্য নিয়ে নামা স্কটিশদের বড় পরীক্ষায় ফেলেন রিতু মনি। ডানহাতি এই মিডিয়াম পেসার ৪ ওভারে ১৫ রান দিয়ে নেন ২ উইকেট। বাংলাদেশের বোলিংয়ে সাফল্যের শুরুটা অবশ্য ফাহিমা খাতুনের হাত ধরে। ইনিংসের তৃতীয় ওভারেই সাসকিয়া হরলিকে ফেরান তিনি। পাওয়ারপ্লের শেষ ওভারে ক্যাথরিন ব্রাইসকে ফেরান মারুফা আক্তার।