ঢাকা , সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রের মামলায় অবসরপ্রাপ্ত মেজর হাফিজের ৪ দিনের রিমান্ড করিমগঞ্জে নানা আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস উদযাপিত আইসিসিবিতে জাপানি গাড়ির ৫০ বছরের ইতিহাস নিয়ে বিশেষ প্রদর্শনী বিক্রি শূন্য, মাথায় ঋণের পাহাড়: শপিংমল বাঁচানোর আকুতি ব্যবসায়ীদের মোরেলগঞ্জের জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক এম এ জলিল স্ট্রোকজনিত অসুস্থতায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মোরেলগঞ্জে জাতীয় যুব দিবস পালিত, ৬ যুবক পেলেন ৮ লাখ টাকার ঋণ টেকনাফে মিয়ানমারে পাচারকালে ১০ হাজার কেজি ইউরিয়া সার জব্দ, আটক ৯ জাতীয় যুব দিবসে সফল আত্মকর্মী ও সংগঠকদের মাঝে ক্রেস্ট ও সনদপত্র বিতরণ গণপূর্তে বদলির লটারি প্রক্রিয়াকে বিতর্কিত করার চেষ্টা হচ্ছে: জাতীয় সাংবাদিক সংস্থায় গণপূর্তমন্ত্রী এবার এইচএসসিতে বরিশাল বোর্ডে ১১ প্রতিষ্ঠানে শূন্য পাস

হবিগঞ্জে এনসিপির গাড়িবহরে হামলার অভিযোগ, সারজিস আলমসহ কয়েকজন আহত

সংগৃহীত ছবি
​

হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘জুলাই পদযাত্রা’ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ককটেল সংঘাত ও অনাকাঙ্ক্ষিত উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। অনুষ্ঠান শেষে ফেরার পথে দলটির গাড়িবহরে হামলার ঘটনা ঘটেছে, যাতে এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম এবং মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীসহ বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী ও পেশাগত দায়িত্বে থাকা সাংবাদিক আহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে এনসিপি।

​

এনসিপির দায়িত্বশীলদের ভাষ্যমতে, মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সন্ধ্যায় হবিগঞ্জ শহরের টাউন হল এলাকায় পদযাত্রা পর্বের সমাপ্তি ঘটে। এরপর বহরটি রওনা হওয়ার মুহূর্তে স্থানীয় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা আচমকা অতর্কিত হামলা চালায়। এতে বহরে থাকা কয়েকটি গাড়ি ব্যাপক ভাঙচুরের শিকার হয় এবং সাংবাদিকদের ব্যবহৃত প্রযুক্তিগত সরঞ্জামও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

​

দলটি আরও অভিযোগ করে, হামলার একপর্যায়ে সারজিস আলম ও নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে চারপাশ থেকে ঘিরে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং তাদের উদ্ধার করে নিরাপদে নিয়ে যায়।

​

হামলার সার্বিক দায় অস্বীকার করেছে স্থানীয় ছাত্রদল। সংগঠনের নেতাদের দাবি—বহরে কোনো পরিকল্পিত হামলা চালানো হয়নি। এর আগে পদযাত্রার সমাবেশে এনসিপির বক্তব্যে বিএনপি নেতাদের উদ্দেশ্যে ‘আপত্তিকর ও উসকানিমূলক’ মন্তব্য করা হয়েছিল। এতে নেতাকর্মীদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ ছড়ায় এবং একটি তাৎক্ষণিক বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করা হয়। সেই বিক্ষোভ চলাকালেই দু’পক্ষের মধ্যে তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।

​

সামগ্রিক পরিস্থিতির বিষয়ে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদ হোসেন জানান, “পদযাত্রা শেষ হওয়ার পরপরই দু’পক্ষের মুখোমুখি অবস্থানের কারণে উত্তেজনা চরম আকার ধারণ করে। খবর পেয়ে পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে গিয়ে এনসিপি নেতাদের অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করে সার্কিট হাউসে পৌঁছে দিয়েছে।” ঘটনার প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এরই মধ্যে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছে বলে জানান তিনি।

 

অনাকাঙ্ক্ষিত এই ঘটনার পরপরই এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম হামলাকারীদের অনতিবিলম্বে চিহ্নিত করে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন এবং সার্বিক নিরাপত্তা জোরদারের আহ্বান জানান।

জনপ্রিয়

রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রের মামলায় অবসরপ্রাপ্ত মেজর হাফিজের ৪ দিনের রিমান্ড

হবিগঞ্জে এনসিপির গাড়িবহরে হামলার অভিযোগ, সারজিস আলমসহ কয়েকজন আহত

আপডেট : ০৭:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
সংগৃহীত ছবি
​

হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘জুলাই পদযাত্রা’ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ককটেল সংঘাত ও অনাকাঙ্ক্ষিত উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। অনুষ্ঠান শেষে ফেরার পথে দলটির গাড়িবহরে হামলার ঘটনা ঘটেছে, যাতে এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম এবং মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীসহ বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী ও পেশাগত দায়িত্বে থাকা সাংবাদিক আহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে এনসিপি।

​

এনসিপির দায়িত্বশীলদের ভাষ্যমতে, মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সন্ধ্যায় হবিগঞ্জ শহরের টাউন হল এলাকায় পদযাত্রা পর্বের সমাপ্তি ঘটে। এরপর বহরটি রওনা হওয়ার মুহূর্তে স্থানীয় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা আচমকা অতর্কিত হামলা চালায়। এতে বহরে থাকা কয়েকটি গাড়ি ব্যাপক ভাঙচুরের শিকার হয় এবং সাংবাদিকদের ব্যবহৃত প্রযুক্তিগত সরঞ্জামও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

​

দলটি আরও অভিযোগ করে, হামলার একপর্যায়ে সারজিস আলম ও নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে চারপাশ থেকে ঘিরে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং তাদের উদ্ধার করে নিরাপদে নিয়ে যায়।

​

হামলার সার্বিক দায় অস্বীকার করেছে স্থানীয় ছাত্রদল। সংগঠনের নেতাদের দাবি—বহরে কোনো পরিকল্পিত হামলা চালানো হয়নি। এর আগে পদযাত্রার সমাবেশে এনসিপির বক্তব্যে বিএনপি নেতাদের উদ্দেশ্যে ‘আপত্তিকর ও উসকানিমূলক’ মন্তব্য করা হয়েছিল। এতে নেতাকর্মীদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ ছড়ায় এবং একটি তাৎক্ষণিক বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করা হয়। সেই বিক্ষোভ চলাকালেই দু’পক্ষের মধ্যে তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।

​

সামগ্রিক পরিস্থিতির বিষয়ে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদ হোসেন জানান, “পদযাত্রা শেষ হওয়ার পরপরই দু’পক্ষের মুখোমুখি অবস্থানের কারণে উত্তেজনা চরম আকার ধারণ করে। খবর পেয়ে পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে গিয়ে এনসিপি নেতাদের অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করে সার্কিট হাউসে পৌঁছে দিয়েছে।” ঘটনার প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এরই মধ্যে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছে বলে জানান তিনি।

 

অনাকাঙ্ক্ষিত এই ঘটনার পরপরই এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম হামলাকারীদের অনতিবিলম্বে চিহ্নিত করে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন এবং সার্বিক নিরাপত্তা জোরদারের আহ্বান জানান।