ঢাকা , রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
বানারীপাড়ায় বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ: অভিযুক্ত যুবক গ্রেফতার বজ্রপাতে একদিনে ঝরল ১২ প্রাণ, সবচেয়ে বেশি ক্ষতি গাইবান্ধায় সনি বাংলা টিভির ৯ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী জমকালো আয়োজনে উদযাপন বানারীপাড়ায় মাছ বিক্রেতার পকেট মারতে গিয়ে যুবদল নেতা আটক, জনতার উত্তম-মধ্যম টেকনাফ উপজেলা প্রেসক্লাব নিয়ে মিথ্যা অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সভাপতি নুরুল হোসাইনের ব্যাখ্যা সেন্টমার্টিনে পৃথক অভিযানে গাঁজা, বিদেশি মদ জব্দ; আটক ১ আওয়ামী লীগ নেতা শাহীনের মৃত্যুর পর শোকে মায়েরও মৃত্যু পিরোজপুরে ক্ষতিকর উপাদান ব্যবহার করে আইসক্রিম উৎপাদন, ১ লাখ টাকা জরিমানা জলঢাকায় সাংবাদিক ঐক্য পরিষদ কমিটি গঠন: সাংবাদিকদের ঐক্য, সাংবাদিকতার শক্তি–এমপি সালাফি বানারীপাড়ায় খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন এমপি এস শরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু

টেকনাফ উপজেলা প্রেসক্লাব নিয়ে মিথ্যা অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সভাপতি নুরুল হোসাইনের ব্যাখ্যা

 

টেকনাফ উপজেলা প্রেসক্লাব একটি বৈধ, গঠনতান্ত্রিক ও কক্সবাজার জেলা প্রেসক্লাব কর্তৃক অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান। ১৩ জানুয়ারি ২০২২ সালে তৎকালীন কক্সবাজার জেলা প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল কাদের চৌধুরী, সিনিয়র সহ-সভাপতি এইচ এম ফরিদুল আলম শাহীন এবং সাধারণ সম্পাদক এইচ এম এরশাদ-এর স্বাক্ষরে প্রেসক্লাবটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়।

‎পরবর্তীতে, গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ১৪ নভেম্বর ২০২৩ তারিখে দ্বি-বার্ষিক নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয় এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আদনান চৌধুরীর নিকট নির্বাচন পরিচালনার অনুমতি প্রার্থনা করা হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অনুমোদনের পর ২ ডিসেম্বর ২০২৩ তারিখে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচন সম্পন্ন হয় এবং গঠিত কার্যকরী পরিষদ যথাযথভাবে অনুমোদন লাভ করে।

‎দুঃখজনক হলেও সত্য, সম্প্রতি একটি স্বার্থান্বেষী মহল ও কিছু অসাধু ব্যক্তি নিজেদের সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে “টেকনাফ উপজেলা প্রেসক্লাব” নাম ব্যবহার করে একটি অবৈধ সংগঠন পরিচালনা করছে। তারা আমাদের প্রতিষ্ঠানের নাম ও লোগো অপব্যবহার করে সাধারণ জনগণকে বিভ্রান্ত করছে এবং প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।

‎বিশেষ করে, গত ২৫ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে নির্ধারিত একটি অনুষ্ঠানের প্রাক্কালে উক্ত মহল সংঘবদ্ধভাবে অপপ্রচার চালায়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ায় এবং বিভিন্নভাবে আমাদের কার্যক্রমে বাধা প্রদান করে। এমনকি হুমকি ও অসদাচরণের ঘটনাও ঘটেছে, যার ভিডিও প্রমাণ সংরক্ষিত রয়েছে।

‎আরো উদ্বেগজনক বিষয় হলো-২০২৩ সালের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচনকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে “ত্রি-বার্ষিক” হিসেবে প্রচার করে একটি বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হচ্ছে। অথচ নির্বাচনী তফসিল ও গঠনতন্ত্রে স্পষ্টভাবে “দ্বি-বার্ষিক” উল্লেখ রয়েছে, যার মেয়াদ দুই বছর। এটি সম্পূর্ণরূপে একটি পরিকল্পিত মিথ্যাচার।

‎উল্লেখিত ঘটনায় মব সৃষ্টিতে জড়িত হিসেবে স্থানীয়ভাবে পরিচিত কয়েকজন ব্যক্তির নাম উঠে এসেছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন- পৌর বিএনপির কর্মী আব্দুল জব্বার, সংগঠন থেকে বহিষ্কৃত আজিজ উল্লাহ আজিজ (যিনি আমিন হত্যা মামলার ৩ নম্বর আসামি হিসেবে উল্লেখিত), নুরুল আবছার, কায়ছার জুয়েল এবং নাছির উদ্দীন রাজসহ আরও কয়েকজন। এদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে বলে জানা যায়।

‎সংগঠন থেকে বহিষ্কৃত আজিজ উল্লাহ আজিজ (যিনি আমিন হত্যা মামলার ৩ নম্বর আসামি হিসেবে পরিচিত) এর ইন্ধন ও পরামর্শে টেকনাফ পৌর বিএনপির কর্মী আব্দুল জব্বার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক লাইভের মাধ্যমে প্রকাশ্যে হুমকি প্রদান করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

‎উক্ত লাইভে তিনি বিভিন্ন আপত্তিকর ও উসকানিমূলক বক্তব্য প্রদান করেন। সেখানে তিনি দাবি করেন যে, আমাকে টেকনাফে থাকতে দেওয়া হবে না, সাংবাদিকতা করতে দেওয়া হবে না এবং সাংবাদিকদের কোনো কার্যক্রম পরিচালনা করতে দেওয়া হবে না। পাশাপাশি, আমাকে নিয়ে অশালীন ও মানহানিকর মন্তব্যও করা হয় এবং ভয়ভীতি প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন ধরনের হুমকি প্রদান করা হয়।

‎এই ধরনের বক্তব্য শুধু ব্যক্তি নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ নয়, বরং সাংবাদিক সমাজ ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপরও আঘাত হানে।

‎এছাড়াও, তিনি টেকনাফ উপজেলা প্রেসক্লাবের কার্যালয় বন্ধ করে দেওয়ার উদ্দেশ্যে হোটেল দ্বীপ প্লাজার ম্যানেজারকেও হুমকি প্রদান করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

‎দুই বছর মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার চার মাস পর, টেকনাফ উপজেলা প্রেসক্লাবের নামে ভুয়া কমিটি ঘোষণার গুজব ছড়িয়ে একটি স্বার্থান্বেষী মহল পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে।

‎যারা ইতোমধ্যে গঠনতন্ত্রবিরোধী কার্যকলাপের দায়ে বহিষ্কৃত, তারা সংগঠনকে অস্থিতিশীল করার লক্ষ্যে এসব অপপ্রচার চালাচ্ছে। তাদের এই অপচেষ্টা কখনোই সফল হবে না।

‎আমরা স্পষ্টভাবে জানাতে চাই যে, টেকনাফ উপজেলা প্রেসক্লাবের বর্তমান কমিটি সম্পূর্ণ বৈধ, গঠনতান্ত্রিক এবং কক্সবাজার জেলা প্রেসক্লাব কর্তৃক অনুমোদিত।

‎পরিশেষে, টেকনাফ উপজেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে এ ধরনের অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি।

‎শুভেচ্ছান্তে,

‎নুরুল হোসাইন

‎সভাপতি

‎ফরহাদ রহমান

সাধারণ সম্পাদক

টেকনাফ উপজেলা প্রেসক্লাব।

জনপ্রিয়

বানারীপাড়ায় বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ: অভিযুক্ত যুবক গ্রেফতার

টেকনাফ উপজেলা প্রেসক্লাব নিয়ে মিথ্যা অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সভাপতি নুরুল হোসাইনের ব্যাখ্যা

আপডেট : ৪ ঘন্টা আগে

 

টেকনাফ উপজেলা প্রেসক্লাব একটি বৈধ, গঠনতান্ত্রিক ও কক্সবাজার জেলা প্রেসক্লাব কর্তৃক অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান। ১৩ জানুয়ারি ২০২২ সালে তৎকালীন কক্সবাজার জেলা প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল কাদের চৌধুরী, সিনিয়র সহ-সভাপতি এইচ এম ফরিদুল আলম শাহীন এবং সাধারণ সম্পাদক এইচ এম এরশাদ-এর স্বাক্ষরে প্রেসক্লাবটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়।

‎পরবর্তীতে, গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ১৪ নভেম্বর ২০২৩ তারিখে দ্বি-বার্ষিক নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয় এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আদনান চৌধুরীর নিকট নির্বাচন পরিচালনার অনুমতি প্রার্থনা করা হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অনুমোদনের পর ২ ডিসেম্বর ২০২৩ তারিখে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচন সম্পন্ন হয় এবং গঠিত কার্যকরী পরিষদ যথাযথভাবে অনুমোদন লাভ করে।

‎দুঃখজনক হলেও সত্য, সম্প্রতি একটি স্বার্থান্বেষী মহল ও কিছু অসাধু ব্যক্তি নিজেদের সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে “টেকনাফ উপজেলা প্রেসক্লাব” নাম ব্যবহার করে একটি অবৈধ সংগঠন পরিচালনা করছে। তারা আমাদের প্রতিষ্ঠানের নাম ও লোগো অপব্যবহার করে সাধারণ জনগণকে বিভ্রান্ত করছে এবং প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।

‎বিশেষ করে, গত ২৫ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে নির্ধারিত একটি অনুষ্ঠানের প্রাক্কালে উক্ত মহল সংঘবদ্ধভাবে অপপ্রচার চালায়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ায় এবং বিভিন্নভাবে আমাদের কার্যক্রমে বাধা প্রদান করে। এমনকি হুমকি ও অসদাচরণের ঘটনাও ঘটেছে, যার ভিডিও প্রমাণ সংরক্ষিত রয়েছে।

‎আরো উদ্বেগজনক বিষয় হলো-২০২৩ সালের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচনকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে “ত্রি-বার্ষিক” হিসেবে প্রচার করে একটি বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হচ্ছে। অথচ নির্বাচনী তফসিল ও গঠনতন্ত্রে স্পষ্টভাবে “দ্বি-বার্ষিক” উল্লেখ রয়েছে, যার মেয়াদ দুই বছর। এটি সম্পূর্ণরূপে একটি পরিকল্পিত মিথ্যাচার।

‎উল্লেখিত ঘটনায় মব সৃষ্টিতে জড়িত হিসেবে স্থানীয়ভাবে পরিচিত কয়েকজন ব্যক্তির নাম উঠে এসেছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন- পৌর বিএনপির কর্মী আব্দুল জব্বার, সংগঠন থেকে বহিষ্কৃত আজিজ উল্লাহ আজিজ (যিনি আমিন হত্যা মামলার ৩ নম্বর আসামি হিসেবে উল্লেখিত), নুরুল আবছার, কায়ছার জুয়েল এবং নাছির উদ্দীন রাজসহ আরও কয়েকজন। এদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে বলে জানা যায়।

‎সংগঠন থেকে বহিষ্কৃত আজিজ উল্লাহ আজিজ (যিনি আমিন হত্যা মামলার ৩ নম্বর আসামি হিসেবে পরিচিত) এর ইন্ধন ও পরামর্শে টেকনাফ পৌর বিএনপির কর্মী আব্দুল জব্বার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক লাইভের মাধ্যমে প্রকাশ্যে হুমকি প্রদান করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

‎উক্ত লাইভে তিনি বিভিন্ন আপত্তিকর ও উসকানিমূলক বক্তব্য প্রদান করেন। সেখানে তিনি দাবি করেন যে, আমাকে টেকনাফে থাকতে দেওয়া হবে না, সাংবাদিকতা করতে দেওয়া হবে না এবং সাংবাদিকদের কোনো কার্যক্রম পরিচালনা করতে দেওয়া হবে না। পাশাপাশি, আমাকে নিয়ে অশালীন ও মানহানিকর মন্তব্যও করা হয় এবং ভয়ভীতি প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন ধরনের হুমকি প্রদান করা হয়।

‎এই ধরনের বক্তব্য শুধু ব্যক্তি নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ নয়, বরং সাংবাদিক সমাজ ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপরও আঘাত হানে।

‎এছাড়াও, তিনি টেকনাফ উপজেলা প্রেসক্লাবের কার্যালয় বন্ধ করে দেওয়ার উদ্দেশ্যে হোটেল দ্বীপ প্লাজার ম্যানেজারকেও হুমকি প্রদান করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

‎দুই বছর মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার চার মাস পর, টেকনাফ উপজেলা প্রেসক্লাবের নামে ভুয়া কমিটি ঘোষণার গুজব ছড়িয়ে একটি স্বার্থান্বেষী মহল পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে।

‎যারা ইতোমধ্যে গঠনতন্ত্রবিরোধী কার্যকলাপের দায়ে বহিষ্কৃত, তারা সংগঠনকে অস্থিতিশীল করার লক্ষ্যে এসব অপপ্রচার চালাচ্ছে। তাদের এই অপচেষ্টা কখনোই সফল হবে না।

‎আমরা স্পষ্টভাবে জানাতে চাই যে, টেকনাফ উপজেলা প্রেসক্লাবের বর্তমান কমিটি সম্পূর্ণ বৈধ, গঠনতান্ত্রিক এবং কক্সবাজার জেলা প্রেসক্লাব কর্তৃক অনুমোদিত।

‎পরিশেষে, টেকনাফ উপজেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে এ ধরনের অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি।

‎শুভেচ্ছান্তে,

‎নুরুল হোসাইন

‎সভাপতি

‎ফরহাদ রহমান

সাধারণ সম্পাদক

টেকনাফ উপজেলা প্রেসক্লাব।