আজ বিশ্ব বাবা দিবস। প্রতিবছর জুন মাসের ৩য় রোববার ‘ফাদার্স ডে’ হিসেবে বিশ্বব্যাপী পালন করা হয়। এই দিনে সন্তানের জীবনে বাবার অবদান, ত্যাগ ও ভালোবাসাকে বিশেষভাবে স্মরণ করা হয়।
সন্তানের প্রথম ভালোবাসা বাবা। বাবা মানেই নির্ভরতার প্রতীক, ছায়ার মতো পাশে থাকা একজন যোদ্ধা, যার কাঁধে ভর দিয়েই একসময় হাঁটতে শেখা। জীবনের প্রতিটি বাঁকে বাবার উৎসর্গ আর নিঃস্বার্থ ভালোবাসার ঋণ কখনো শোধ হয় না।
বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিক থেকে বাবা দিবস পালনের প্রচলন হয়। পৃথিবীর সব বাবাদের প্রতি শ্রদ্ধা আর ভালোবাসা প্রকাশের ইচ্ছা থেকেই যার শুরু। মায়েদের পাশাপাশি বাবারাও যে তাদের সন্তানের প্রতি দায়িত্বশীল এটা বোঝানোর জন্যই এই দিবসটি পালন করা হয়ে থাকে।
১৯০৭ সালের ডিসেম্বর মাসে আমেরিকার পশ্চিম ভার্জেনিয়ার ভার্জিনিয়ার মোনোনগাহ্য় কয়লা খনিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণে প্রাণ হারান ৩৬২ জন পুরুষ। তাদের মধ্যে বেশির ভাগই ছিলেন সন্তানের বাবা। ফলে প্রায় ১ হাজার শিশু পিতৃহারা হয়ে পড়ে। পরের বছর ১৯০৮ সালের ৫ জুলাই পশ্চিম ভার্জিনিয়ার ফেয়ারমন্টের এক গির্জায় একটি স্মরণসভার আয়োজন করা হয়। নিহতদের সম্মান জানাতে সন্তানরা মিলে এই প্রার্থনাসভার আয়োজন করে। এটি ছিল বাবাকে সম্মান জানাতে ইতিহাসের প্রথম আয়োজন।
পশ্চিমা বিশ্বে শুরু হলেও এখন এটি ছড়িয়ে পড়েছে বিশ্বজুড়ে, বাংলাদেশেও। আমাদের দেশেও দিনটিকে ঘিরে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন আয়োজন করেছে বিশেষ অনুষ্ঠান, আলোচনা সভা ও স্মৃতিচারণামূলক নানা আয়োজন।

সংবাদ৩৬০ ডেস্কঃ 



















