ঢাকা , সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
এশিয়া পোস্টের সম্পাদককে হাজার কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের আইনি নোটিশ মাসুদ সাঈদীর উপকূলের জন্য বিশেষ বরাদ্দ চায় ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরাম বাগেরহাট মায়ানমারে পাচারকালে সেন্টমার্টিনে বিপুল সিমেন্ট জব্দ, আটক ৯ আর কত রামিসাকে হারাতে হবে? রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট আজই, ৫-৭ দিনের মধ্যে বিচার – স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জমকালো আয়োজনে গুরুর বাড়ি কিডস কমিউনিটির বৈশাখী কিডস ফেস্টিভ্যাল অনুষ্ঠিত মোরেলগঞ্জের চিংড়াখালী ইউনিয়নে মৎস্য ভিজিএফ (VGF) চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে আ.লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সিনিয়র আইনজীবী ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন মারা গেছেন টানা ৮ ঘণ্টার বেশি গণপরিবহন চালালেই লাইসেন্স বাতিল ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক করতে প্রস্তুত ২৫১ রেলকোচ

৭১–এর কৃতকর্মের জন্য ক্ষমা চাইলে পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করা সহজ হবে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

সংগৃহীত ছবি

 

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি বাহিনীর কৃতকর্মের জন্য দেশটি ক্ষমা চাইলে সম্পর্ক স্বাভাবিক করাটা সহজ হয়ে যাবে বলে মনে করেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন।

 

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নিজ দপ্তরে মঙ্গলবার (১লা অক্টোবর) তৌহিদ হোসেন সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সদ্য সমাপ্ত নিউইয়র্ক সফর নিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ওই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

 

অন্তর্বর্তীকালীন সরকার একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের গণহত্যার জন্য নিঃশর্ত ক্ষমাপ্রার্থনা ও সম্পদের হিস্যা সম্পর্কিত অমীমাংসিত বিষয়গুলোকে সরিয়ে পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক এগিয়ে নিচ্ছে কি না, এমন প্রশ্ন করা হয় পররাষ্ট্র উপদেষ্টাকে। এ সময় ড. ইউনূস ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের বৈঠকের প্রসঙ্গ টেনে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘এটি (নিউইয়র্কে বৈঠক) একদম সৌজন্য সাক্ষাৎ ছিল। সৌজন্য সাক্ষাতে আমরা কঠিন বিষয় তুলি না। যখন আলোচনার টেবিলে বসব, তখন আমরা তুলব। তবে আমরা তাদের এমন ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করিনি যে ’৭১-কে বাদ দিয়ে আমরা ভালো সম্পর্ক রাখার চেষ্টা করব।’ তিনি বলেন, ‘ভালো সম্পর্ক আমরা রাখার চেষ্টা করব, তবে ’৭১-ও থাকবে।’

 

৫২ বছর ধরে যে বিষয়টি আছে- সেটি কালই সমাধান হবে, এটি আমি মনে করি না। কিন্তু আমরা যখন আলোচনার টেবিলে বসব, তখন এটি থাকতে হবে, বলেন তিনি।

 

উপদেষ্টা আরও বলেন, তবে আমি মনে করি যে এ কারণে সম্পর্ক একদম আটকে রাখা– সেটারও প্রয়োজন নেই। পাকিস্তানের সঙ্গে আমরা সম্পর্ক বজায় রেখে এসেছি। হঠাৎ করে কিছুটা ইচ্ছাকৃতভাবে অনেকটা আমাদেরও স্বার্থের বিরুদ্ধে যায়– এমন ক্ষেত্র তৈরি করা হয়েছিল। যেখানে স্বার্থ আছে, সেখানে সম্পর্ক এগিয়ে নিয়ে যাওয়া উচিত, এটিকে পাশে রেখে। আমাদের যেখানে স্বার্থ আছে সেখানে আমরা সম্পর্ক এগিয়ে নিয়ে যাবো।

জনপ্রিয়

এশিয়া পোস্টের সম্পাদককে হাজার কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের আইনি নোটিশ মাসুদ সাঈদীর

৭১–এর কৃতকর্মের জন্য ক্ষমা চাইলে পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করা সহজ হবে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আপডেট : ০৭:১০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২ অক্টোবর ২০২৪
সংগৃহীত ছবি

 

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি বাহিনীর কৃতকর্মের জন্য দেশটি ক্ষমা চাইলে সম্পর্ক স্বাভাবিক করাটা সহজ হয়ে যাবে বলে মনে করেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন।

 

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নিজ দপ্তরে মঙ্গলবার (১লা অক্টোবর) তৌহিদ হোসেন সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সদ্য সমাপ্ত নিউইয়র্ক সফর নিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ওই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

 

অন্তর্বর্তীকালীন সরকার একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের গণহত্যার জন্য নিঃশর্ত ক্ষমাপ্রার্থনা ও সম্পদের হিস্যা সম্পর্কিত অমীমাংসিত বিষয়গুলোকে সরিয়ে পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক এগিয়ে নিচ্ছে কি না, এমন প্রশ্ন করা হয় পররাষ্ট্র উপদেষ্টাকে। এ সময় ড. ইউনূস ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের বৈঠকের প্রসঙ্গ টেনে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘এটি (নিউইয়র্কে বৈঠক) একদম সৌজন্য সাক্ষাৎ ছিল। সৌজন্য সাক্ষাতে আমরা কঠিন বিষয় তুলি না। যখন আলোচনার টেবিলে বসব, তখন আমরা তুলব। তবে আমরা তাদের এমন ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করিনি যে ’৭১-কে বাদ দিয়ে আমরা ভালো সম্পর্ক রাখার চেষ্টা করব।’ তিনি বলেন, ‘ভালো সম্পর্ক আমরা রাখার চেষ্টা করব, তবে ’৭১-ও থাকবে।’

 

৫২ বছর ধরে যে বিষয়টি আছে- সেটি কালই সমাধান হবে, এটি আমি মনে করি না। কিন্তু আমরা যখন আলোচনার টেবিলে বসব, তখন এটি থাকতে হবে, বলেন তিনি।

 

উপদেষ্টা আরও বলেন, তবে আমি মনে করি যে এ কারণে সম্পর্ক একদম আটকে রাখা– সেটারও প্রয়োজন নেই। পাকিস্তানের সঙ্গে আমরা সম্পর্ক বজায় রেখে এসেছি। হঠাৎ করে কিছুটা ইচ্ছাকৃতভাবে অনেকটা আমাদেরও স্বার্থের বিরুদ্ধে যায়– এমন ক্ষেত্র তৈরি করা হয়েছিল। যেখানে স্বার্থ আছে, সেখানে সম্পর্ক এগিয়ে নিয়ে যাওয়া উচিত, এটিকে পাশে রেখে। আমাদের যেখানে স্বার্থ আছে সেখানে আমরা সম্পর্ক এগিয়ে নিয়ে যাবো।