ঢাকা , সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
এশিয়া পোস্টের সম্পাদককে হাজার কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের আইনি নোটিশ মাসুদ সাঈদীর উপকূলের জন্য বিশেষ বরাদ্দ চায় ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরাম বাগেরহাট মায়ানমারে পাচারকালে সেন্টমার্টিনে বিপুল সিমেন্ট জব্দ, আটক ৯ আর কত রামিসাকে হারাতে হবে? রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট আজই, ৫-৭ দিনের মধ্যে বিচার – স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জমকালো আয়োজনে গুরুর বাড়ি কিডস কমিউনিটির বৈশাখী কিডস ফেস্টিভ্যাল অনুষ্ঠিত মোরেলগঞ্জের চিংড়াখালী ইউনিয়নে মৎস্য ভিজিএফ (VGF) চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে আ.লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সিনিয়র আইনজীবী ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন মারা গেছেন টানা ৮ ঘণ্টার বেশি গণপরিবহন চালালেই লাইসেন্স বাতিল ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক করতে প্রস্তুত ২৫১ রেলকোচ

জলঢাকায় ফুয়েল কার্ড দিয়ে জ্বালানি পাম্পে ফিরেছে স্বস্তি

 

নীলফামারী জলঢাকা উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ফুয়েল কার্ড ইস্যুর পর জ্বালানি পাম্পগুলোতে কিছুটা হলেও স্বস্তি ফিরেছে। পর্যাপ্ত জ্বালানি মজুদ থাকলেও কিছু পাম্পে ক্রেতা সংকট লক্ষ্য করা গেছে। কিছু দিন আগে (সপ্তাহ) পাম্পগুলোতে জ্বালানি সংগ্রহের অস্থির পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছিল, তবে ফুয়েল কার্ড অনেকটাই তা বদলে গেছে। 

 

গত ২২ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে উপজেলা ৫ টি পাম্পে ফুয়েল কার্ডের মাধ্যমে জ্বালানি সংগ্রহের কার্যক্রম শুরু করা হয়। অধিকাংশ যানবাহনের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকায় আবেদন কম পড়েছে। এর মধ্যে অনেক আবেদনকারীর কাগজ ত্রুটিপূর্ণ থাকায় জ্বালানি কার্ড বিতরণ কমিটি তা মঞ্জুর করেননি। কিছু আবেদন অপেক্ষমান আছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

 

জলঢাকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জাহিদ ইমরুল মোজাক্কেন জানান, ১৫ এপ্রিল থেকে আবেদন গ্রহণ শুরু করা হয়। বৈধ কাগজপত্রধারীর প্রায় সাড়ে ২ হাজার আবেদন জমা পড়ে। এর মধ্যে ১ হাজার ৫০০ জনকে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। নীতিমালা অনুযায়ী, মোটরসাইকেল প্রতি মাসে ২০ লিটার এবং কার ও মাইক্রোবাসের জন্য ৫০ লিটার জ্বালানি বরাদ্দ থাকবে।

 

সিয়াম মোজাম্মেল এন্ড সন্স ফিলিং স্টেশনে দেখা গেছে, জ্বালানি সংগ্রহের জন্য পাম্পে তেমন কোন ভীড় নেই। যে কোন নাজুক পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য সার্বক্ষণিকভাবে দায়িত্তপ্রাপ্ত ট্যাগ অফিসার, পুলিশ ও আনসার মোতায়েন রয়েছে। তবে গত ২৩ এপ্রিলভাই ভাই ভাই ফিলিং স্টেশনে ফুয়েল কার্ড ছাড়াই কতিপয় মোটরসাইকেল মালিক জ্বালানি সংগ্রহ করতে না পেরে সড়ক অবরোধ করে। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে পুলিশ।

 

মোটরসাইকেল আরোহী শাহজাহান বলেন, এক শ্রেনীর অসাধু ব্যক্তি (চক্র) জ্বালানি মজুদের জন্য একটি সিন্ডিকেট তৈরি করেছিল। এই চক্রটি বারবার জ্বালানি সংগ্রহ করার কারণে সংকট তৈরি হয়েছিল। ফুয়েল কার্ড কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর পাম্পগুলোতে ক্রেতাদের আর ভিড় নেই।

 

জেলা পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আরমান হোসেন বলেন, ৫ টি ফিলিং স্টেশনেই জ্বালানির পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে। ফুয়েল কার্ডই সব অনিয়ম বদলে দিয়েছে। এখন আর কোন অপ্রতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হচ্ছে না জানান তিনি।

 

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান বলেন, ফিলিং স্টেশনগুলোতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে ও জ্বালানি মজুদরোধে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ফুয়েল কার্ড ছাড়া জ্বালানি সরবরাহ করা হবে না বলেও তিনি জানান।

জনপ্রিয়

এশিয়া পোস্টের সম্পাদককে হাজার কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের আইনি নোটিশ মাসুদ সাঈদীর

জলঢাকায় ফুয়েল কার্ড দিয়ে জ্বালানি পাম্পে ফিরেছে স্বস্তি

আপডেট : ০২:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২৬

 

নীলফামারী জলঢাকা উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ফুয়েল কার্ড ইস্যুর পর জ্বালানি পাম্পগুলোতে কিছুটা হলেও স্বস্তি ফিরেছে। পর্যাপ্ত জ্বালানি মজুদ থাকলেও কিছু পাম্পে ক্রেতা সংকট লক্ষ্য করা গেছে। কিছু দিন আগে (সপ্তাহ) পাম্পগুলোতে জ্বালানি সংগ্রহের অস্থির পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছিল, তবে ফুয়েল কার্ড অনেকটাই তা বদলে গেছে। 

 

গত ২২ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে উপজেলা ৫ টি পাম্পে ফুয়েল কার্ডের মাধ্যমে জ্বালানি সংগ্রহের কার্যক্রম শুরু করা হয়। অধিকাংশ যানবাহনের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকায় আবেদন কম পড়েছে। এর মধ্যে অনেক আবেদনকারীর কাগজ ত্রুটিপূর্ণ থাকায় জ্বালানি কার্ড বিতরণ কমিটি তা মঞ্জুর করেননি। কিছু আবেদন অপেক্ষমান আছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

 

জলঢাকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জাহিদ ইমরুল মোজাক্কেন জানান, ১৫ এপ্রিল থেকে আবেদন গ্রহণ শুরু করা হয়। বৈধ কাগজপত্রধারীর প্রায় সাড়ে ২ হাজার আবেদন জমা পড়ে। এর মধ্যে ১ হাজার ৫০০ জনকে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। নীতিমালা অনুযায়ী, মোটরসাইকেল প্রতি মাসে ২০ লিটার এবং কার ও মাইক্রোবাসের জন্য ৫০ লিটার জ্বালানি বরাদ্দ থাকবে।

 

সিয়াম মোজাম্মেল এন্ড সন্স ফিলিং স্টেশনে দেখা গেছে, জ্বালানি সংগ্রহের জন্য পাম্পে তেমন কোন ভীড় নেই। যে কোন নাজুক পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য সার্বক্ষণিকভাবে দায়িত্তপ্রাপ্ত ট্যাগ অফিসার, পুলিশ ও আনসার মোতায়েন রয়েছে। তবে গত ২৩ এপ্রিলভাই ভাই ভাই ফিলিং স্টেশনে ফুয়েল কার্ড ছাড়াই কতিপয় মোটরসাইকেল মালিক জ্বালানি সংগ্রহ করতে না পেরে সড়ক অবরোধ করে। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে পুলিশ।

 

মোটরসাইকেল আরোহী শাহজাহান বলেন, এক শ্রেনীর অসাধু ব্যক্তি (চক্র) জ্বালানি মজুদের জন্য একটি সিন্ডিকেট তৈরি করেছিল। এই চক্রটি বারবার জ্বালানি সংগ্রহ করার কারণে সংকট তৈরি হয়েছিল। ফুয়েল কার্ড কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর পাম্পগুলোতে ক্রেতাদের আর ভিড় নেই।

 

জেলা পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আরমান হোসেন বলেন, ৫ টি ফিলিং স্টেশনেই জ্বালানির পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে। ফুয়েল কার্ডই সব অনিয়ম বদলে দিয়েছে। এখন আর কোন অপ্রতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হচ্ছে না জানান তিনি।

 

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান বলেন, ফিলিং স্টেশনগুলোতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে ও জ্বালানি মজুদরোধে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ফুয়েল কার্ড ছাড়া জ্বালানি সরবরাহ করা হবে না বলেও তিনি জানান।